শনিবার, ০৬ মার্চ ২০২১, ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
করোনায় আক্রান্তদের সেবা করে বিশেষ সম্মাননা পেলেন বাইতুল মুমিন মাদরাসার মেধাবী ছাত্র ’ইমতিয়াজ আহমাদ’ ময়মনসিংহ ইত্তেফাকুল উলামার সীরাত মাহফিল আগামীকাল: উপস্থিত থাকবেন শীর্ষ আলেমগণ ‘মানবতার পক্ষে সীসা ঢালা প্রাচীরের ন্যায় দাঁড়াবে: মাওলানা মামুনুল হক নোয়াখালী চালাই আমি: সাংসদ একরামুল করিম সংখ্যালঘু নির্যাতন না হলেও ‘আরএসএস উদয়ের’ দায়ভার নিতে হবে মমতাকেই বরগুনায় নামাজের সিজদারত অবস্থায় যুবকের মুত্যু মক্কা-মদিনায় আজ জুমআ পড়াবেন শায়খ জুহানি ও হুজাইফি কোরআনের শিক্ষা দুনিয়া ও আখেরাতে মানুষ কে সম্মানিত করে -হেফাজত মহাসচিব আল্লামা নূরুল ইসলাম ভোট চলছে শিক্ষাবোর্ডের নেতা নির্বাচনে! কান্ডারী নিয়ে যাচ্ছো কোথায়? শিশুদের অপরাধ যতই গুরুতর হোক, সাজা ১০ বছরের বেশি নয়

আসামীর দৌড় ও পুলিশের ধর্‌ ধর্‌ রব অতঃপর –

ডেক্স নিউজ -পুরো শহরের মত বুধবার, ২ মে দুপুরে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে রাজধানী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) । লাইসন্স না থাকার কারণে গাবতলী লিংকের (আট নম্বর) পরিবহনের বাসচালক মিলনকে (২৫) একমাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ।আদেশের পর তাকে ট্রাফিক বক্সে রাখা হয়। কিন্তু হঠাৎ করে পুলিশ সদস্যের রেখেই ট্রাফিক্স বক্সের জানালা খুলে মিলন দিলেন দৌড়…। পরে দেখা গেলো- মিলনের পেছনে দৌড়াচ্ছেন পুলিশ।

মিলনের পেছন থেকে পুলিশ সদস্যরা ‘ধর, ধর’ বলে চিৎকার করলেও কেউ এগিয়ে আসেনি। ততক্ষণে আসামি মিলন খামারবাড়ী মোড় পার হয়ে উঠে পড়েন মিরপুরগামী একটি বাসে। তবে আপ্রাণ চেষ্টা করেও পালাতে সক্ষম হননি মিলন।

ওয়াকিটকি যোগাযোগের মাধ্যে একটু সামনেই পুলিশ সদস্যরা বাস থামিয়ে আটক করেন দণ্ডপ্রাপ্ত মিলনকে।

মিলন তখন চিৎকার করে বলতে থাকেন, ‘স্যার আমার লাইসেন্স ছিল। পরে লাইসেন্স আনায়ে আপনাদের দেখাইলাম। কিন্তু আপনারা আমার কথা না শুইনাই সাজা দিয়া দিলেন।’

পুলিশ জানায়, চালক মিলনের সঙ্গে কোনো লাইসেন্স ছিল না। লাইসেন্স থাকলেও সঙ্গে না রেখে গাড়ি চালানো অপরাধ। তাই ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করায় তাকে এ সাজা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, বুধবার দুপুর পর্যন্ত মিরপুর ১, ২, ১০, শ্যামলী ও কল্যাণপুর এলাকায় এ ভ্রাম্যমাণ আদালত চালানো হয়। লাইসেন্সবিহীন গাড়ি চালানো, বেপরোয়া গতিসহ বিভিন্ন কারণে ১০ চালককে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সর্বমোট মামলা করা হয়েছে ২৪টি, জরিমানা আদায় করা হয়েছে ৫৩ হাজার টাকা। এছাড়া তিনটি গাড়িকে ডাম্পিংয়ে পাঠানো হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক বিআরটিএ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাজহারুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, এটা আমাদের নিয়মিত অভিযান। ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ছুটির দিনে কেন অভিযান পরিচালিত হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছুটির দিনে রাস্তায় গাড়ির চাপ কম থাকে। এ সুযোগে ড্রাইভাররা ছুটিতে থাকে, আর ড্রাইভিং সিটে বসে চালকের সহকারী। এ জন্য আমরা এ দিনটিকে বেছে নিয়েছি।

এ কারণে লাইসেন্সবিহীন এবং ফিটনেস বিহীন গাড়ী ও ড্রাইভারদের বিরুদ্ধেও এই অভিযান চলছিল ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved ©2020 jubokantho24.com
Design & Developed BY Masum Billah