বৃহস্পতিবার, ০৪ মার্চ ২০২১, ১২:২৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম আর নেই অপরাধী জামাল, সাজা খাটলো কামাল দাফনের ১৬ বছর পরও অক্ষত লাশ-কাফনের কাপড় সরকারের বিরোধিতা মানেই দেশদ্রোহিতা নয়: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট দোয়া ও কোরআনের বরকতে আল্লাহ মহামারি থেকে রক্ষা করেছেন: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী পাঁচ বছরে শুধু থানাতেই ২৬ হাজার ৬৯৫ ধর্ষণ মামলা সরকার দেশকে একটি পুলিশী রাষ্ট্রে পরিণত করেছে: মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক আবারও পেছালো শীর্ষ তিন আলেমের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবেদনের তারিখ পোস্টারে ‘হেফাজত নেতা’র নাম থাকায় প্রশাসন কর্তৃক মাহফিলে বাধা: ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বিবাড়িয়ায় কাদিয়ানিবাদ থেকে ফিরে আসা নওমুসলিমদের সাথে আলেমগণের মতবিনিময়

সবারই ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার আছে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

পিতার হত্যার ন্যায়বিচারের দাবিতে নিজেদের অপেক্ষার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সবারই ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার আছে। আমরা চাই না স্বজন হারানোর বেদনা নিয়ে আর কেউ বছরের পর বছর অতিবাহিত করুক।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, রাষ্ট্রের তিনটি বিভাগের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন। একের কাজে অন্যের হস্তক্ষেপ শান্তি ও ন্যায়বিচার বাধাগ্রস্ত করে।

শনিবার সুপ্রিম কোর্টে বিচার বিভাগীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর খুনিদের রাষ্ট্রীয়ভাবে পুরস্কৃত করা হয়েছিল। খুনিকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করা হয়েছিল। হত্যাকারীদের নানাভাবে মদদ দেওয়া হয়েছিল। হত্যার বিচার বন্ধে ইনডেমনিটি বিল জারি করা হয়। আমরা যারা ভুক্তভোগী ছিলাম আমাদের ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ ছিল না। সেই সময় দেশে বিচারের বাণী নিভৃতে কাঁদে এমন অবস্থা ছিল।’

বিচার বিভাগের ভূমিকার কথা স্মরণ করে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর যারা অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসেছিল, বিচার বিভাগ সেই অবৈধ সরকারকে অবৈধ ঘোষণা করে। এ সাহসী ভূমিকার জন্য বিচার বিভাগকে আমি ধন্যবাদ জানাই।

সবারই ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার আছে উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, একটি রাষ্ট্র পরিচালনায় আইন, বিচার ও নির্বাহী বিভাগের মধ্যে সমন্বয় থাকতে হয়। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর সকল নাগরিক যাতে আইগত সহায়তা পায় সেজন্য জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা- ন্যাশনাল লিগাল এইড সার্ভিসেস প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বিশেষ করে দরিদ্র ও নারীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার।

ইংরেজির পাশাপাশি বাংলায়ও মামলার রায় লেখার বিষয় বিবেচনার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বেশকিছু ঘটনার দ্রুততম রায় দেয়ায় বিচার বিভাগের ওপর মানুষের আস্থা বহুগুণ বেড়েছে।

আসামিদের আদালতে আনা-নেয়ায় ঝুঁকি কমাতে সরকারের ভার্চুয়াল কোর্ট স্থাপনের চিন্তা রয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved ©2020 jubokantho24.com
Design & Developed BY Masum Billah