শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল ২০২১, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
শিশু বলৎকারের অভিযোগে নাপিত গ্রেফতার ছাত্রলীগ নেতার মামলায় আ’লীগ নেতা গ্রেফতার আমাদের জন্যই লকডাউন, আমি সবাইকে নিয়ে জেলে যাব, তবুও লকডাউন তুলে নিন : বাবুনগরী হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী গ্রেপ্তার মদপানে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকসহ ৪ জনের মৃত্যু, আশঙ্কাজনক আরও অনেক রাজশাহীতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে মামলা করলেন যুবলীগ নেতা হেফাজতের আরও দুই শীর্ষস্থানীয় নেতা গ্রেপ্তার মাছ ছিনতাই : থানায় অভিযোগ ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা ট্রাজেডির মামলায় আল্লামা খুরশেদ আলম কাসেমি গ্রেফতার! ২০১৩ সালের ৫ ই মের মামলায় মুফতি সাখাওয়াত ও মাওলানা আফেন্দির ২১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

পিলখানা ট্রাজেডি: মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি ১২ বছরেও

যুবকণ্ঠ ডেস্ক;

আলোচিত বিডিআর বিদ্রোহের (পিলখানা ট্র্যাজেডি) ঘটনায় হত্যা মামলার বিচার ১২ বছরেও চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি। হাইকোর্টের রায়ের পর মামলাটি এখন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগে চূড়ান্ত বিচারের অপেক্ষায় রয়েছে।

গত বছর হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। এরপর খালাস চেয়ে ২০৩ আসামি আপিল করেছে। আর ৮৩ জনের সাজা বৃদ্ধি চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে লিভ টু আপিল করা হয়েছে। সময় না থাকলেও আরও আপিলের সম্ভাবনা রয়েছে বলে আইনজীবীরা জানিয়েছেন। এরপর আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পন্ন হলে আপিলের বিচারের মধ্য দিয়ে বিচার প্রক্রিয়া চূড়ান্তভাবে সম্পন্ন হবে। যদিও এরপর রিভিউ আবেদন করার সুযোগ থাকবে। রিভিউ আবেদন নিষ্পত্তি হওয়ার পর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চেয়ে আবেদন করা ছাড়া আর কোনো সুযোগ থাকবে না।

২০০৯ সালের ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পিলখানায় বিডিআর (তৎকালীন) সদর দফতরে বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। এ ঘটনায় প্রথমে রাজধানীর লালবাগ থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর হত্যা মামলায় ১৫২ জনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুর আদেশ দেন বিচারিক আদালত। এদের কয়েকজন ছাড়া সবাই তৎকালীন বিডিআরের সদস্য। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয় ১৬১ জনক।

সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদ সাজা পান আরও ২৫৬ জন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস পান ২৭৮ আসামি। সাজা হয় মোট ৫৬৮ জনের। এরপর আসামিদের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) হাইকোর্টে আসে। সাজার রায়ের বিরুদ্ধে দণ্ডিত ব্যক্তিরা জেল আপিল ও আপিল করেন। ৬৯ জন খালাসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে। এসবের ওপর ২০১৫ সালের ১৮ জানুয়ারি হাইকোর্টে শুনানি শুরু হয়। শেষ হয় ৩৭০তম দিনে ১৩ এপ্রিল।

শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর বিচারপতি মো. শওকত হোসেন, বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের সমন্বয়ে গঠিত বৃহত্তর বেঞ্চ রায় দেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের সাজা কার্যকরের অনুমতি (ডেথ রেফারেন্স) ও আপিল শুনানি শেষ হওয়ার সাত মাস পর এ রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে ১৩৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৮৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২০০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

হাইকোর্টে খালাস পাওয়া ৭৫ জন এবং সাজা কমে যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত ৮ আসামি মিলিয়ে ৮৩ জনের ক্ষেত্রে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডাদেশের পর হাইকোর্টে খালাস পাওয়া চারজনের ক্ষেত্রে গত ১৭ ডিসেম্বর আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় একটি লিভ টু আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। এরপর অপর ৭৯ জনের ক্ষেত্রে ২২ ডিসেম্বর পৃথক ১৯টি লিভ টু আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved ©2020 jubokantho24.com
Website maintained by Masum Billah