মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ০৭:৫০ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
রাবেতাতুল ওয়ায়েজীন বাংলাদেশ মাওলানা মামুনুল হকের পাশে থাকবে। গ্রেফতার ঝুঁকিতে হেফাজত নেতৃবৃন্দ : করণীয় কি? সৈয়দ শামছুল হুদা মসজিদে তারাবির নামাজে ২০ জনের বেশি নয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে কুরআন নাজিলের মাসে হিফজুল কুরআন ও ক্বেরাত বিভাগ খুলে দিন -আল্লামা মুফতি রুহুল আমীন ২৯শে মে জাতীয় ওলামা মাশায়েখ সম্মেলন গণগ্রেফতার ও হয়রানী বন্ধ করুন: মামুনুল হক মানহানী ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করতে পারবেন: সুপ্রিমকোর্ট আইনজী ৩১৭ বছরের পুরনো মসজিদ উদ্বোধন করলেন আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী পাথরের ট্রাকে ২কোটি টাকার হেরোইন উদ্ধার – আটক২ সাংসদ বেনজীর আহমেদ করোনায় আক্রান্ত সাভারে জোর করে বের করে দেয়া ভাড়াটিয়াদের রক্ষা করলো পুলিশ

পোস্টারে ‘হেফাজত নেতা’র নাম থাকায় প্রশাসন কর্তৃক মাহফিলে বাধা: ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

যুবকণ্ঠ ডেস্ক;

কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার শহরতলীর গাছতলা ঘাট ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে ৮ম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল হওয়ার কথা থাকলেও প্রশাসন কেন্দ্রিক বিভিন্ন জটিলতায় বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানা যায়।

মাহফিল বন্ধের বিষয়ে আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে মো. জসিম উদ্দীন  জানান, আমরা দীর্ঘ ৭ বছর ধরে এখানে মাহফিলের আয়োজন করে আসছি। কিন্তু কখনো প্রশাসনিক অনুমতি নিতে হয়নি। তাই ‘মাহফিলের জন্য অনুমতি নিতে হবে’ এটিও আমরা জানতাম না।

তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতির কথা বলে গতকাল প্রশাসন থেকে আমাদের জানানো হয়, অনুমতি না নেয়ায় মাহফিল করতে দেয়া হবে না। এরপর আমরা অনুমতি নেয়ার জন্য অনেক দৌড়ঝাঁপ করেছি। কিন্তু আর অনুমতি মেলেনি।

তিনি আরো বলেন, তবে আমরা জানতে পেরেছি হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও মাওলানা মামুনুল হকের ঘনিষ্ঠজন মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন আমাদের ওয়ায়েজদের তালিকায় থাকায় আমাদের মাহফিলে বিঘ্নতা ঘটানো হচ্ছে। কিন্তু আল্লাহর রহমতে সব বাধা ডিঙিয়ে আমরা এ মাসের মধ্যেই আরো বড় আকারে এ মাহফিল বাস্তবায়ন করবো বলে আশা করছি।

এদিকে বার্ষিক এ ইসলামি সম্মেলন বন্ধ হওয়ায় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী  জানান, সারা দেশে সবকিছুই হচ্ছে। কিন্তু মাহফিল করতে গেলেই কেন বাধা! এভাবে চলতে থাকলে ধর্মপ্রাণ মুসলমান ওয়াজ মাহফিল থেকে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। কেননা আমরা সাধারণ মানুষ অনেক টাকা খরচ করে এ মাহফিলের আয়োজন করেছিলাম; এখন আমরা আবার মাহফিল করতে গেলে কতটা ধকল পোহাতে হবে তা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন?

অপরদিকে ভৈরব থানার (অফিসার ইনচার্জ) ওসি মো. শাহিন  জানান, মাহফিল করার জন্য প্রশাসনের কাছে কর্তৃপক্ষ কোনো অনুমতি চাননি। তাই প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাধা দেয়ার প্রশ্নই আসে না। তাদের তো অনুমতিই নেই, বাধা দিবো কীভাবে। আমরা শুধু তাদেরকে উপরের নির্দেশ বিষয়ে জ্ঞাত করেছি।

তিনি আরো বলেন, তবে তারা যদি আগেই অনুমতি নিত; তাহলে মাহফিল বাস্তবায়নের জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করতাম। আর মাহফিল বাস্তবায়ন করতে আমাদের সার্বিক সহযোগিতা সবসময় থাকে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved ©2020 jubokantho24.com
Design & Developed BY Masum Billah