বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ১২:১৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
বেডে বেডে লাশ, আইসিইউতে তালা দিয়ে পালিয়েছেন ডাক্তার-নার্স-স্টাফরা ‘ফ্রি ফায়ার গেম’ নিয়ে দ্বন্দ্ব, ছুরিকাঘাতে তিন বন্ধু জখম গ্রাম-গঞ্জে বাসা-বাড়ি কিংবা মসজিদ মাদরাসা বানাতেও অনুমতি লাগবে সরকারকে ফাঁকি দেওয়া যায়, মৃত্যুকে নয় : কাদের হৃদয়বিদারক দৃশ্য, করোনা আক্রান্ত বাবাকে পানি দিতে গেলেও আটকাচ্ছেন মা! (ভিডিও) ভারতের বিধানসভা নির্বাচনে ১১২ মুসলিম প্রার্থীর জয় ‘আসতে পারে তৃতীয় ঢেউ, লকডাউনেও কাজ হবে না’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর যা বললেন হেফাজতে ইসলামের নেতারা আবারও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় হেফাজত নেতারা তাণ্ডবের বিচার চেয়ে পদত্যাগ করা সেই হেফাজত নেতা গ্রেপ্তার

আবরার হত্যা : নিজেদের নির্দোষ দাবি ২২ আসামির

যুবকণ্ঠ ডেস্ক;

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ‘ন্যায়বিচার’ প্রত্যাশা করেছেন কারাগারে আটক থাকা ২২ আসামি।

রোববার (১৪ মার্চ) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনে তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। এদিন কারাগারে থাকা ২২ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।

এসময় বিচারক তাদের প্রশ্ন করেন,আপনাদের বিরুদ্ধে ৪৬ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন, আপনাদের বিরুদ্ধে আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ রয়েছে, আপনারা দোষী না নির্দোষ? উত্তরে তারা বলেন, ‘আমরা নির্দোষ। আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি।’

মামলায় মোট ৬০ জন সাক্ষীর মধ্যে ৪৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার জেরে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ডেকে নেয় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এরপর রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দোতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরদিন ৭ অক্টোবর দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে আবরারের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। নিহত আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন তিনি।

ওই ঘটনায় নিহতের বাবা বরকত উল্লাহ বাদি হয়ে চকবাজার থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান।

অভিযুক্ত ২৫ জনের মধ্যে এজাহারভুক্ত ১৯ জন এবং তদন্তেপ্রাপ্ত আরও ৬ জন রয়েছেন। এজাহারভুক্ত ১৯ জনের মধ্যে ১৬ জন এবং এজাহারবহির্ভূত ৬ জনের মধ্যে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ৮ জন।

গ্রেফতারকৃত ২২ জন হলেন মেহেদী হাসান রাসেল, মো. অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মো. মেহেদী হাসান রবিন, মো. মেফতাহুল ইসলাম জিওন, মুনতাসির আলম জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, মো. মুজাহিদুর রহমান, মুহতাসিম ফুয়াদ, মো. মনিরুজ্জামান মনির, মো. আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মাজেদুর রহমান, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, এ এস এম নাজমুস সাদাত, ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, অমিত সাহা, মো. মিজানুর রহমান ওরফে মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত, মোর্শেদ অমত্য ইসলাম ও এস এম মাহমুদ সেতু।

মামলার তিনজন আসামি এখনও পলাতক আছেন। তারা হলেন মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মোস্তবা রাফিদ। তাদের মধ্যে প্রথম দুজন এজাহারভুক্ত ও শেষের জন এজাহারবহির্ভূত আসামি।

১৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved ©2020 jubokantho24.com
Website maintained by Masum Billah