বুধবার, ১২ মে ২০২১, ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশে ইসলামি সংগীতের গণজোয়ার চলছে

– রবিউল আউয়াল
ইসলামী সঙ্গীতের কোনো সর্বজনবিদিত সংজ্ঞা নেই। তবে সাধারণ চিন্তা অনুযায়ী আল্লাহ তায়ালা ও তাঁর রাসূলের (সা) গুনগান, ইসলামী অনুশাসন, চেতনা ও মূল্যবোধ আশ্রিত গানগুলোকেই ইসলামী সঙ্গীত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। মধ্যযুগ থেকেই বাংলা কবিতায় ও গানে মুসলিম সাহিত্যিকদের সম্পৃক্ততা লক্ষ্য করা যায়। বাংলা ভাষার প্রথম মুসলমান কবি শাহ মুহম্মদ সগীরের ‘ইউসুফ-জোলেখা’ কিংবা দৌলত উজির বাহরাম খানের ‘লায়লি-মজনু’ ইত্যাকার গল্পকাহিনী গ্রামে গ্রামে পালা আকারে গীত হতো কিংবা পুঁথি পাঠের আসর জমাতো। তখনকার যুগে এগুলোই ইসলামি গান হিসেবে পরিচিত ছিলো। বিংশ শতকে এসে বাঙালি মুসলিমরাও আধ্যাত্মিকতার চাহিদা মেটাতে উর্দু গজল কিংবা কাওয়ালি গান শুনে আত্মতৃপ্তি মেটাতেন। লোকগানের আদলে বেশ কিছু বাংলা ইসলামি গান সমাজে প্রচলিত ছিলো । তবে মধ্যযুগের গণ্ডি পেরিয়ে আধুনিক যুগে এসে বাংলা গান তার সুর ও বাণীতে উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি অর্জন করলেও বাংলা ইসলামি গান কিন্তু সেভাবে এগোতে পারেনি। গ্রামে-মহল্লায় কিছু লোকগীতি ধাচের ইসলামি গানের প্রচলন থাকলেও সুধীজনের কাছে তা সমাদৃত ছিলো না। না থাকার কারণও আছে বৈকি। তখনকার দিনের প্রচলিত ইসলামি বাংলা গানের ধর্মতাত্ত্বিক কদর থাকলেও গান হিসেবে এর মান কিংবা সুর-লয়ের অনেক ব্যত্যয় ছিলো। এমনই বন্ধ্যাযুগে কাজী নজরুল ইসলাম আবির্ভূত হলেন এক মহীরূহ হিসেবে। তাঁর অসাধারণ শিল্প কুশলতায় একের পর এক সৃষ্টি হতে লাগলো অনবদ্য সব ইসলামি গান। অচিরেই ইসলামি গান হয়ে উঠলো বাংলা গানের নতুন শাখারূপে। বাংলা ভাষায় ইসলামী গানের আনুষ্ঠানিক ভিত্তি স্থাপন করেন জাতীয় কবি ’’কাজী নজরুল ইসলাম”। তাঁর সমসাময়িককালে কবি গোলাম মোস্তফা ও অন্যান্য দু’-একজন কবি ইসলামী সংগীত লিখলেও ’’কাজী নজরুলই” ইসলামী সংগীতের ভান্ডারকে কানায় কানায় পূর্ণ করেছেন। কিন্তু, এর পরেই ৮০র দশকে আর আমাদের দেশে ইসলামি গানের তেমন প্রচলন ছিল না এবং ইসলামি গানের শিল্পী ও পৃষ্টপোষকতাও ছিল না বলতে গেলে। নানা নির্ঝঞ্ঝাটা , রাজনৈতিক প্রভাব বা বামপন্থীদের কারনে ইসলামি সংগীত প্রচার, প্রসার ব্যাহত হতে থাকে। সামান্য পরিসরে চর্চা শুরু হলেও বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা, বিরোধিতা আর অসহযোগিতার কারণে তা প্রচলিত অপসংস্কৃতির মোকাবিলার জন্য যথেষ্ট ছিল না। কিন্তু হঠাৎ, এই সংস্কৃতিকে বিপ্লবের রূপদানের জন্য আধূনিক ইসলামি সংগীতের ত্রান ভুমিকায় আবির্ভুত হলেন ’’আইনুদ্দীন আল আজাদ”একটি নাম । বাংলাদেশের সুখ্যাত ইসলামী সঙ্গীত গায়কদের মধ্যে তিনি সবার উপরেই থাকবে। আইনুদ্দীন আল আজাদ রহ. জগতের কাছে অমর হয়ে আছেন- এমন এক বিপ্লবের জন্যে যা ছিল এই জাহিলি সমাজে দুঃসাধ্য ও কন্টকাকীর্ণ মুহূর্তে । তিনি সংগীতের মাধ্যমে জাগাতে চেয়েছিলেন জাতির ঘুমন্ত বিবেককে। একটি জাতিকে অতীত ভুলিয়ে গোলামির জিঞ্জিরে বন্ধি করার সবচেয়ে সহজ মাধ্যম হল সংস্কৃতি। তরুণ সমাজকে ভ্রাম্মণ্যবাদি ও পশ্চিমা সংস্কৃতির প্রজন্মকে মগজহীন খোলসে পরিণত করতে দেখে তার অন্তরাত্মায় এক দরদ নাড়া দিয়েছিল। তাই তিনি ঘুনে ধরা এই সমাজকে সংস্কার করতে সুর ও সংগীতকে মাধ্যম করে নিয়েছেন। এই প্রেরণা থেকে তার মাধ্যমে ইসলামি সংগীত সাংস্কৃতিক বিপ্লবরুপে আত্মপ্রকাশ লাভ করেছিল “কলরব’’ হিসেবে । সেই থেকে পথ শুরু – আজ এ অবধি! বাংলাদেশের হতাশা ও জড়তার শিকার মুসলিম উম্মাহর মধ্যে জাগিয়েছিল প্রাণের স্পন্দন এবং এখনও সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে। সেই মহাবিপ্লব আজ দেশের প্রতিটা যুবকের জন্য অনুপ্রেরণা ও এমনকি অনুকরণীয় আদর্শ বলেও স্বীকার করা যায়। ইসলামী সংগীত পরিবেশনের জন্য তিনি যে সুন্নতি পোশাক ছাপিয়ে গেছেন – সুভ্র শালীন পোশাক ও ব্যক্তিত্বে মহানবীর (সা) প্রভাব তাকে গভীরভাবে মুগ্ধ হওয়া । তা আজ যুব সমাজের মধ্যে প্রবল আকর্ষণ, ইসলামী মূল্যবোধ, সমাজে লক্ষ করা যায়। এই সপ্নকে বাস্তবায়ন করতে নিয়মতান্ত্রিকভাবে ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে কলরব এর সুযোগ্য পরিচালক শেখ রশিদ আহম্মদ ফেরদৌস, আবু সুফিয়ান, সাঈদ আহমাদ,আহমদ আব্দুল্লাহ্, মুহাম্মদ বদরুজ্জামান ও সুরের পাখী আবু রা্‌য়হান,আরিফ আরিয়ান,মাহফুজ আলম, এর মত স্বপ্নাতুর আরো নাম না যানা উত্তরসূরিগণ। আজ বাংলাদেশে ইসলামি সংগীত এতটাই জনপ্রীয়তা পেয়েছে – দেশে প্রায় প্রতিদিন বিভিন্ন যায়গায় কলরবের স্টেইজ শো তো হয়ই । বেসরকারি প্রায় টিভি চ্যানেল ও এফ, এম রেডিওতে নিয়মিত প্রচার হয় তাদের অনুষ্ঠান। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আরব আমিরাত, ওমান, সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশেও সুরের দুরন্ত কাফেলা হিসেবে কলরব এখন পরিচিতি লাভ করেছে। এ দেশে বেশির ভাগ মানুষ ধার্মিক এবং তারা অশ্লীল বিনোদন পছন্দ করেন না। ইসলামি সঙ্গীত তাদের জন্য নিয়মিত খোরাক যুগিয়ে যাচ্ছে। একে কেন্দ্র করে গড়ে উঠছে সাংস্কৃতিক সংগঠন। দাবানল, কলরব, জিন্নুরাইন, আহবান এরকম হাতে গোণা কিছু সঙ্গীতের সংগঠনের নাম আমরা জানলেও শহর কিংবা গ্রামাঞ্চলে গড়ে উঠেছে অনেক সংগঠন। এরা নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করলেও আমরা তাদের সম্পর্কে খুব একটা ধারণা রাখি না। ইসলামি সঙ্গীত সংগঠনগুলোর বিষয়ে অনুসন্ধান করেছে আওয়ার ইসলাম। আজ জানুন ইসলামি সংগীত নিয়ে কাজ করা কয়েকটি সংগঠনের কার্যক্রম সম্পর্কে। সাধারণ গানের দলকে ব্যান্ড নামে অভিহিত করা হলেও ইসলামি সংগীতের দলকে শিল্পীগোষ্ঠী নামে ডাকা হয়। দলগত ছাড়াও বাংলাদেশে এককভাবে অনেক শিল্পী ইসলামি সঙ্গীতে নিজের নাম প্রসিদ্ধ করেছেন- তাদের মধ্যে মুহিব খান, মতিউর রহিমান মল্লিক রহ., সাইফুল্লাহ মানসুর, আবু ওবায়দা, মো,রোকুজ্জামান , মোনায়েম বিল্লাহ, এইচ জে আব্দুল আজিজ ,বুলবুল আহমেদ ও কুমিল্লার দাবানলের রফিকুল্লাহ সাদিও মিরপুরের গুনি শিল্পী মো: হুজাইফা সহ নাম না জানা আরো সহস্রাদিক আলেম, নাশীদ শিল্পীগণ। ইসলামি সংস্কৃতিক নিয়ে কাজ করছে শতাধিক সংগঠন। অতীতে সাইমুম শিল্পীগোষ্ঠী ধার্মিকদের মধ্যে আলোচনা ফেললেও জামায়াত প্রভাবিত হওয়ার কারণে সংগঠনটি বিলুপ্ত হয়ে যায়। এছাড়াও ইসলামি সংগীতে একসময় সাড়া জাগিয়েছিল রণাঙ্গন, হাসসান ও আলোড়ন নামের দুটি শিল্পীগোষ্ঠী। এগুলো এখন আর নেই।
কলরব :
জাতীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন কলরব ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।প্রতিষ্ঠাতা পরিচারক ছিলেন ইসলামি সংগীত জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র আইনুদ্দীন আল আজাদ। ২০১০ সালে তিনি এক সড়ক দুর্ঘটনায় ইন্তেকাল করেন। সংগঠনটির বর্তমান পরিচালক রশীদ আহমদ ফেরদাউস। জনপ্রিয়তার দিক থেকে বর্তমানে সবচে এগিয়ে আছে সংগঠনটি। কলরব প্রায় সারা বছরই দেশব্যাপী সংগীতের স্টেজ প্রোগ্রাম করে থাকে। সংগঠনটিতে রয়েছে অনেক প্রতিভাবান শিল্পী গীতিকার ও সুরকার। বিভিন্ন জেলাও তাদের শাখা রয়েছে। দাবানল : দাবানল বাংলাদেশের প্রবীণ শিল্পীগোষ্ঠী যা প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৮৪ সালে। দাবানলের প্রতিষ্ঠাকালীন পরিচালক ছিলেন উস্তাদ ফরিদ আহমদ। বর্তমান প্রধান পরিচালক উস্তাদ আনিস আনসারী। দাবানল শিল্পীগোষ্ঠী বিভিন্ন সময়ে সময়োপযোগী সংগীতে মানুষের মন জয়ে করেছে। দাবানলে রয়েছে অনেক প্রতিভাবান শিল্পী, গীতিকার সুরকার। তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গিয়ে সংগীত পরিবেশন করেন। হ্যাভেন টিউন- দেশের সংগীতে যুগান্তকারি ভূমিকা পালন করছে সংগঠনটি । শুরু থেকেই খুব সুন্দর সংগীত উপহার দিয়ে আসছে। সংগঠনটি মালিক- শিল্পী গাজি রওশন । স্টুডিও ভোকাল – চমৎপ্রদ সব আয়োজন করে থাকে স্টুডিও ভোকাল । দেশের আপামন শিল্পীগণ এখানে ভালো মানের রেকর্ডিন কম্পজিশন পেয়ে থাকে । স্টুডিওটির মালিক – ইলিয়াস আমিন। জিন্নুরাইন : প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ‘জিন্নূরাইন শিল্পীগোষ্ঠী’ চেষ্টা করছে ইসলামী সংগীতের মাধ্যমে মানুষের ঘুমন্ত হৃদয়কে জাগানোর। প্রতিস্টাতা ও বর্তমান প্রধান পরিচালক হলেন মাওলানা আবুল কালাম আযাদ। ইসলামি সঙ্গীতে শুরুর দিককার শিল্পী তিনি। একসময় ওয়াজ মাহফিলে ইসলামি সঙ্গীত গেয়েছেন। তারপর ইসলামি সঙ্গীতকে আলাদা প্লাটফরম দিতে অসামান্য ভূমিকা রেখেছেন। আহবান : আহবানের যাত্রা শুরু ২০০৪ সালে ২৪ অক্টোবর। প্রতিষ্ঠা করেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এইচ এম সাইফুল ইসলাম। তিনিই সংগঠনটির বর্তমান পরিচালক। বিভিন্ন সময় নতুন নতুন সংগীত দিয়ে মানুষের মন জয় করেছে সংগঠনটি। অনুপ্রাস : জাতীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘অনুপ্রাস’ এর প্রতিষ্ঠাতা এবং বর্তমান প্রধান পরিচালক মাওলানা আবদুল আহাদ সালমান। তার নেতৃত্বে সুন্দর ও সুষ্ঠভাবে চলছে অনুপ্রাস। রেডিও টাচ নামের একটি অনলাইন রেডিও এ সংগঠনের পরিচালনায় চালু আছে। সেখান থেকে ইসলামি সঙ্গীতের প্রচার করা হয় অধিকাংশ সময়। ঐশীস্বর : ঐশীস্বর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান পরিচালক মুফতি ওমর ফারুক সাহিল। উত্তরায় এর কার্যালয়। বিভিন্ন প্রোগ্রাম ও স্টেজ শো করে থাকে। অল্পদিনেই বেশ সুনাম অর্জন করেছে এ শিল্পীগোষ্ঠী। রেডিও এশিয়ানে প্রতি শুক্রবার ১ ঘণ্টার একটি অনুষ্ঠানও করে থাকে। স্বপ্নসিঁড়ি : ২৪ মার্চ ২০১৩ প্রতিষ্ঠা হয় স্বপ্নসিঁড়ি। মূলত কলরব থেকে বের হয়ে হুমায়ূন কবির শাবিব এটির প্রতিষ্ঠা করেন। তিনিই বর্তমান পরিচালক। বিভিন্ন সময় জাগরণী সংগীত শুনিয়ে মানুষের মন জয় করার চেষ্টা করছেন এর শিল্পীরা। আল মদিনা : আল মদিনা শিল্পীগোষ্ঠী প্রতিষ্ঠা করেন আসহাব উদ্দীন আল আজাদ। বর্তমান প্রধান পরিচালক তিনি। আল মদিনা শিল্পীগোষ্ঠীর কার্যালয় চট্রগ্রামে। সেখান থেকেই কাজ করে যাচ্ছে দলটি। বিভিন্ন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেন শিল্পীরা। শিহরণ : প্রতিষ্ঠার পর থেকেই চলছে শিহরণের মনকাড়া পরিবেশনা। এর প্রধান পরিচালক মুফতি নাঈমুল হক, যিনি অত্যন্ত কষ্ট করে শিহরণকে এগিয়ে নেয়া চেষ্টায় আছেন। বিভিন্ন সময় মরমি সংগীতে মানুষের মন জয় করছেন। শাহে মাদিনা : শাহে মাদিনা ২০১৩ সালে অক্টোবর মাসে যাত্রা শুরু করে। প্রতিষ্ঠাতা সাইফুল্লাহ সাদি। যিনি বর্তমান প্রধান পরিচালক। অল্পদিনে অনেক সুনাম ও সুখ্যাতি অর্জন করে শাহে মাদীনা । একতান: কাজী জুনায়েদ মুহসিন, প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান প্রধান পরিচালক। বিভিন্ন সময়ে সুন্দর সুন্দ সংগীত দিয়ে দর্শক শ্রোতার মনজয় কররেছে।
অনুরাগ :
প্রধান পরিচালক আহমদ আবু জাফর। তিনি তার কর্ম দক্ষতা দিয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছেন ভাল সংগীত উপহার দেয়ার।
দামামা : দামামা শিল্পীগোষ্ঠী ২০০৭ সালে যাত্রা শুরু করে। প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হলে রফিকুল্লাহ সাদী।স্ট্রেজ শো সহ বিভিন্ন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করছে দামামা।তাদের বিভিন্ন থানা ও জেলা শাখা রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন জেলা শহরে রয়েছে অনেক শিল্পীগোষ্ঠী রয়েছে। এগুলোর মধ্যে- রঙধনু, শানে মদিনা, সসাস, চেতনা, ভোরের আলো, নবরবি, জাগরণ, আসসিরাজ, বিএফভি, আবাবাীল, বন্ধন, আল আলম, আল কারীম, বিকিরণ, নবরূপ, নিবেদন, মাদিনার মোহনা ইত্যাদি। তাদের , অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে আজ শহর থেকে গ্রামে ইসলামি চেতনা ছড়িয়ে পড়েছে। দেশের প্রতিটি পরদে পরদে উচ্চারিত হচ্ছে সমসাময়িক ইসলামি সংগীত। বিদেশি কালচারার থেকে বেড়িয়ে মানুষ এখন ইসলামি সংগীতের প্রতি প্রবল আকর্ষণ দেখা দিয়েছে। যেটাকে, ইসলামি সংগীতের গণজোয়ারও বলার অপেক্ষা রাখে না । আল্লাহ, সবায়কে কবুল করুন…ছুম্মা আমিন ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved ©2020 jubokantho24.com
Website maintained by Masum Billah