
ইসরায়েলি গণমাধ্যম ও কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন—এমন দাবি প্রচারিত হয়েছে। তবে এ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত ইরান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য নিশ্চিত করেনি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, তেহরানে চালানো যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর খামেনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। একই ধরনের তথ্য যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসও প্রকাশ করেছে। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েখিয়েল লেইটার মার্কিন কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন যে তেহরানে খামেনির আবাসিক কমপ্লেক্সে হামলায় তিনি নিহত হয়েছেন।
ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ ও টাইমস অব ইসরায়েলসহ একাধিক গণমাধ্যমও সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে খামেনির মৃত্যুর দাবি করেছে।
এর আগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এক সংক্ষিপ্ত বার্তায় বলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা “বেঁচে নেই—এমন লক্ষণ পাওয়া যাচ্ছে।” তবে তিনি সরাসরি নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেননি।
অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি মার্কিন গণমাধ্যম এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, তার জানা মতে আয়াতুল্লাহ খামেনি জীবিত আছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পরিপ্রেক্ষিতে এ মন্তব্য করেন।
বর্তমানে পরিস্থিতি ঘিরে ব্যাপক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহল আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণের অপেক্ষায় রয়েছে। খামেনির মৃত্যুর খবর সত্য হলে তা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।




