
স্ত্রীর মৃত্যুর পর তার দেখাশোনা কে করবে- এই উদ্বেগ থেকে ৭৬ বছর বয়সী ইসরোর সাবেক কর্মী নাগেশ্বর রাও বুধবার সকালে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। স্ত্রীকে হত্যার পর তিনি আত্মহত্যার কথাও ভাবলেও আতঙ্কিত হয়ে সে পরিকল্পনা বাতিল করেন।
তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, টিম লিডার হিসেবে অবসর নেওয়া নাগেশ্বর রাও দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যার চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। ঘটনাটি বেঙ্গালুরুর হোয়াইটফিল্ড এলাকায় ঘটে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অন্ধ্রপ্রদেশের এই দম্পতি তিন বছর আগে ফ্ল্যাটটি কিনেছিলেন। তাঁদের একমাত্র মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দা। ঘটনার দিন সকাল ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে রান্নাঘরে দুপুরের খাবার তৈরির সময় ৬৩ বছর বয়সী সন্ধ্যা শ্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করতে রাও একটি তোয়ালে ব্যবহার করেন। পুলিশ জানিয়েছে, মায়ের হত্যার খবর পেয়ে তাঁদের মেয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দ্রুত বেঙ্গালুরু আসছেন।
পুলিশ জানায়, “নাগেশ্বর রাও নিজের স্ত্রীকে মেরে ফেলার পর ২০ মিনিট ধরে কাছেই বসে ছিলেন। পরবর্তীতে পরিচিত এক প্রতিবেশীকে ফোন করে ঘটনার বিস্তারিত জানান তিনি। কিন্তু সে প্রতিবেশী ভাবছিলেন নাগেশ্বর রাও রসিকতা করছেন। তবে বারবার বলার পর সে প্রতিবেশী ছুটে আসেন এবং পুলিশে খবর দেন।”
ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ রাওকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি হয়তো আর ৩/৪ বছরের বেশি বাঁচবো না। আমার মৃত্যুর পর কে ওকে দেখাশোনা করবে? বেঙ্গালুরুতে আমাদের কোনও নিকটাত্মীয় নেই। এজন্য আমি তাকে হত্যা করেছি।”




