
ঈদ উপলক্ষে ঘরে ফিরছে মানুষ। রোববার সরকারি ছুটির প্রথম দিনে এই যাত্রা স্বস্তিদায়ক হলেও গতকাল কোনো কোনো মহাসড়কে যানজট থাকায় এই যাত্রা মোটেও স্বস্তিদায়ক ছিল না। বিশেষ করে, বিকালের পর থেকে গাজীপুরের ঢাকা-টাঙ্গাইল ও চন্দ্রা-নবীনগর মহাসড়কে দেখা দেয় ১৫ কিলোমিটার যানজট। একই সাথে থেমে থেমে বৃষ্টির কারণে যাত্রীদের দুর্ভোগ বেড়েছে আরো কয়েকগুণ।
অন্যদিকে, এবারই প্রথম ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে ধীরগতির কারণে যানজটের সৃষ্টি হয়ে ঘরমুখো যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। এবার ঘরমুখো মানুষের যাত্রায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অনেকটাই স্বাভাবিক ও যানজটমুক্ত অবস্থায় রয়েছে। গতকাল দুপুরে কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে ফেনী পর্যন্ত প্রায় ১০৯ কিলোমিটার অংশে বড় ধরনের কোনো যানজট ছাড়াই যানবাহন চলাচল করছে বলে বাস মালিকরা জানান। তাদের ভাষায়, তবে কিছু জায়গায় ধীরগতির পরিস্থিতি দেখা গেছে। মেঘনা-গোমতী সেতু টোলপ্লাজায় ধীরগতিতে টোল আদায় এবং কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট থেকে আলেখারচর বিশ্বরোড পর্যন্ত সড়ক মেরামতের কাজের কারণে যান চলাচলে কিছুটা গতি কমে আসে। এছাড়া ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে আগের মতোই ধীর গতিতে গাড়ি চলার কারণে ধীরে ধীরে তা যানজটে রূপ নিচ্ছে বলে আমাদের সংবাদদাতা জানান। এই মহাসড়কে কাজ চলমান থাকায় ধীর গতিতে যানচল করে। গতকাল এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এশিয়ান হাইওয়ে থেকে রূপগঞ্জের রূপসী পর্যন্ত যানবাহনের ধীর গতির কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক পর্যন্ত থেমে থেমে যানজট লক্ষ্য করা গেছে। দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীরা বাসের সাথে লঞ্চে যাওয়ার জন্যও ভিড় করছে। বিকালের পর সদরঘাটে দেখা গেছে শত শত যাত্রীর চাপ। এছাড়া আগের দিন ট্রেনের সিডিউল ঠিক থাকলেও গতকাল সিডিউলের বিপর্যয় ঘটে। কোনো কোনো ট্রেন ঢাকায় আসতে দেরি করায় সময়মতো ঢাকা থেকে ছেড়ে যেতে পারেনি। কমলাপুর রেল স্টেশনে শত শত যাত্রীকে ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।
আমাদের কালিয়াকৈর (গাজীপুর) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, ঈদকে সামনে রেখে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কালিয়াকৈর অংশে ঈদযাত্রার চাপ শুরু হয়েছে। গতকাল সকালে থেকে চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় যাত্রী ও গণপরিবহনের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। গণপরিবহনের চাপ বেড়ে যাওয়ায় কোথাও কোথাও দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এরই মধ্যে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন ঘরমুখো মানুষ।
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রায় যাত্রীদের ঢল, সহস্রাধিক গাড়ি সড়কে ধীরগতি। কালিয়াকৈরে প্রায় অর্ধশতাধিক শিল্পকারখানা রয়েছে। এখানে লাখ লাখ শ্রমজীবী মানুষের বসবাস। গতকাল থেকে এসব কারখানায় একযোগে ছুটি শুরু হওয়ার পর দুপুরে চন্দ্রা এলাকায় মানুষের ঢল নামে। উত্তরবঙ্গের ২৫ জেলার মানুষের একমাত্র প্রবেশমুখ কালিয়াকৈরের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা। প্রতি ঈদে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ লাখ মানুষ এই পথ ব্যবহার করে বাড়ি ফেরে। এতে চন্দ্রা-নবীনগর ও চন্দ্রা-গাজীপুর সড়কে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দ্বিগুণ চাপ তৈরি হয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, চন্দ্রা ত্রিমোড় থেকে নবীনগর ও গাজীপুরমুখী সড়কে বাস, ট্রাক ও প্রাইভেটকার ধীরগতিতে চলছে। বাস কাউন্টারের সামনে যাত্রীদের দীর্ঘ লাইন পড়েছে। অনেকেই নির্ধারিত বাস না পেয়ে ট্রাক, পিকআপ ও মোটরসাইকেলে করে ঝুঁকি নিয়ে রওনা দিচ্ছেন।
গণপরিবহনের সংকটের সুযোগে চালক ও কাউন্টারগুলো স্বাভাবিক ভাড়ার চেয়ে বেশি আদায় করছে বলে অভিযোগ যাত্রীদের। রংপুর ও বগুড়াগামী যাত্রী মাসুম, রিফাত ও খোকন বলেন, আপনাদের কাছে বলে লাভ কী, সব ঈদের আগে গাড়িতে ভাড়া বেশি দিয়েই বাড়ি যেতে হয়। নতুন কিছু না। আমাদের বিষয়ে কেউ কথা বলে না। তারা জানান, স্বাভাবিক সময়ে যে পথে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা ভাড়া লাগে, এখন তা ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা চাওয়া হচ্ছে। অতিরিক্ত ভাড়া দিতে না পেরে অনেকে দাঁড়িয়ে যাত্রা করছেন, আবার অনেকে বিকল্প হিসেবে পণ্যবাহী যান বেছে নিচ্ছেন।
নাওজোড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সওগাতুল আলম জানান, ভাড়া বেশি নিচ্ছে এমন কোনো অভিযোগ এখনো পাইনি। অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমাদের পুলিশ সদস্যরা মাঠে আছে। অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ার কোনো সুযোগ নেই। তিনি আরো জানান, চন্দ্রা এলাকাজুড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ৭০০ থেকে ৮০০ পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মাঠে কাজ করছেন। যানজট নিরসন ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হাইওয়ে পুলিশের সঙ্গে যৌথ টহল চলছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, অবৈধ পার্কিং উচ্ছেদ এবং ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। চন্দ্রা এলাকায় যানজট যাতে দীর্ঘ না হয় সেজন্য ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানজট শুরু হয় নাই, তবে বিকালের দিকে যানজট হতে পারে।
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অতীতে যানজটপ্রবণ গৌরিপুর, আমিরাবাদ, মাধাইয়া, চান্দিনা ও নিমসার এলাকার মতো স্থানগুলোতে এবার তেমন কোনো চাপ বা যানজট দেখা যায়নি। তবে এবার যাত্রার শুরুতেই ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে ধীরগতির পাশাপাশি যানজটের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। অবৈধ স্থাপনা, দখল হওয়া ফুটপাত, নিয়ন্ত্রণহীন তিন চাকার যানবাহন ও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পয়েন্টে দীর্ঘদিনের বিশৃঙ্খলার কারণে দুর্ভোগের আশঙ্কা করছেন যাত্রী ও সংশ্লিষ্টরা।
বিশেষ করে, ভালুকা, ত্রিশাল ও ময়মনসিংহ নগরীর বিভিন্ন অংশে যানবাহনের চাপ বাড়তে শুরু করায় পরিস্থিতি আরো জটিল হতে পারে বলে মনে করছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখা গেছে, ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই দূরপাল্লার বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলের চাপ বাড়ছে। কোথাও কোথাও ধীরগতিতে যান চলাচল করতে দেখা গেছে। বিশেষ করে, ভালুকার সিডস্টোর বাজার, স্কয়ার মাস্টারবাড়ি, ভালুকা বাসস্ট্যান্ড, ভরাডোবা, ত্রিশাল বাসস্ট্যান্ড, বৈল, চুরখাই, ময়মনসিংহ নগরীর বাইপাস মোড় ও পাটগুদাম ব্রিজমোড় এলাকায় যানজটের শঙ্কা বেশি বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা।
এরই মধ্যে অবৈধ দখল ও ফুটপাতকেন্দ্রিক বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে আরো উদ্বেগজনক করে তুলেছে। গত ১৬ মে ভালুকার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের সিডস্টোর বাজার এলাকায় মহাসড়কের পাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালায় প্রশাসন। তবে অভিযানে বাধা দেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে অভিযান স্থগিত করা হয়। পরে ব্যবসায়ীরা মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করলে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ও স্থানীয় নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
এদিকে, ঘরমুখো মানুষের যাত্রায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অনেকটাই স্বাভাবিক ও যানজটমুক্ত অবস্থায় রয়েছে। বাস মালিকরা জানান, গতকাল দুপুরে কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে ফেনী পর্যন্ত প্রায় ১০৯ কিলোমিটার অংশে সরেজমিন পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, বড় ধরনের কোনো যানজট ছাড়াই যানবাহন চলাচল করছে। তবে কিছু জায়গায় ধীরগতির পরিস্থিতি দেখা গেছে। মেঘনা-গোমতী সেতু টোলপ্লাজায় ধীরগতিতে টোল আদায় এবং কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট থেকে আলেখারচর বিশ্বরোড পর্যন্ত সড়ক মেরামতের কাজের কারণে যান চলাচলে কিছুটা গতি কমে আসে। যদিও অতীতে যানজটপ্রবণ গৌরিপুর, আমিরাবাদ, মাধাইয়া, চান্দিনা ও নিমসার এলাকার মতো স্থানগুলোতে এবার তেমন কোনো চাপ বা যানজট দেখা যায়নি।
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঈদ উপলক্ষে ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত মহাসড়কে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও লরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। যানজট নিয়ন্ত্রণে ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানান, ঢাকা থেকে বের হওয়ার সময় শনিরআখড়ায় মহাসড়কের উপর কোরবানির হাট বসায় গাড়িগুলোকে ধীর গতিতে চলতে হচ্ছে। এ কারণে যাত্রাবাড়ী-গুলিস্থান ফ্লাইওভার থেকে নেমেই গাড়িগুলো বাধার সম্মুখিন হচ্ছে। মহাসড়কের উপরেই ট্রাক থেকে গরু নামানোর কারণে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। হাইওয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মহাসড়কে বর্তমানে যানবাহনের চাপ থাকলেও কোথাও উল্লেখযোগ্য যানজট নেই এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
ঈদে ট্রেনযাত্রার তৃতীয় দিনে রাজধানীর ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন (কমলাপুর) ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। তবে ঈদযাত্রার এই চিরচেনা ব্যস্ততার মাঝেই ঘটেছে ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়। রেলওয়ে সূত্র জানায়, উত্তরাঞ্চলগামীসহ পাঁচটি ট্রেনের শিডিউল এলোমেলো হয়ে পড়ায় প্ল্যাটফর্মে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো যাত্রী। রেল কর্তৃপক্ষ একে ‘অপারেশনাল ডিলে’ এবং রেললাইনের ওপর স্থানীয়দের খড় শুকানোর কারণে ট্রেনের গতি কমে যাওয়াকে দায়ী করলেও যাত্রীরা প্রকাশ করেছেন তীব্র অসন্তোষ।
গতকাল সকাল থেকে কমলাপুর রেলস্টেশন ঘুরে দেখা যায়, স্টেশনের প্রবেশমুখ থেকেই যাত্রীদের দীর্ঘ সারি। নিরাপত্তা নিশ্চিতে কয়েক ধাপে টিকিট যাচাই করা হলেও প্ল্যাটফর্মে ঢুকেই দেখা যায় উদ্বিগ্ন মানুষের অপেক্ষা। কেউ শিডিউল বোর্ডের দিকে তাকিয়ে আছেন, কেউ ফোনে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন, আবার কেউ প্ল্যাটফর্মেই বসে সময় পার করছেন। বিশেষ করে, রংপুর, রাজশাহী ও উত্তরাঞ্চলগামী ট্রেনের যাত্রীদের ভোগান্তি ছিল সবচেয়ে বেশি। নির্ধারিত সময় পার হলেও অনেক ট্রেন প্ল্যাটফর্মে পৌঁছায়নি। রংপুর এক্সপ্রেসের যাত্রী তানভীর আহমেদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে আছি। ট্রেন কখন আসবে, কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছে না। দেড় ঘণ্টা দেরির কথা বলছে, কিন্তু মনে হচ্ছে আরো বেশি লাগবে। নীলসাগর এক্সপ্রেসের আরেক যাত্রী সাইফুল আলম বলেন, ঈদের সময় পরিবার নিয়ে যাত্রা করছি। ছোট বাচ্চা নিয়ে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করা খুব কষ্টকর। সময়মতো ট্রেন ছাড়লে এত ভোগান্তি হতো না।
স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, সকাল থেকে বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশে প্রায় ১৫টি ট্রেন ছেড়ে গেছে। বেশিরভাগ ট্রেন সময়মতো চললেও কয়েকটি ট্রেনের সময়সূচিতে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দেয়। সকাল ৬টার ধূমকেতু এক্সপ্রেস প্রায় আধাঘণ্টা দেরিতে ছেড়ে যায়। নীলসাগর এক্সপ্রেসও নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে স্টেশন ত্যাগ করে। রংপুর এক্সপ্রেস ও তিতাস কমিউটার নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরও প্ল্যাটফর্ম ছাড়তে পারেনি। এছাড়া একতা এক্সপ্রেস নির্ধারিত সময়ের পরও স্টেশনে এসে পৌঁছায়নি বলে জানান যাত্রীরা। কমলাপুর স্টেশন সূত্র বলছে, আজ স্টেশন থেকে মোট ৬৭টি ট্রেন দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে ৪৪টি আন্তঃনগর ট্রেন এবং বাকিগুলো মেইল ও কমিউটার ট্রেন। ঈদযাত্রার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে কমলাপুর রেলস্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার মো. কবীর উদ্দীন বলেন, অধিকাংশ ট্রেনই সময়মতো চলাচল করছে। তবে কিছু ট্রেন অপারেশনাল কারণে বিলম্বিত হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় রেললাইনের ওপর খড় শুকানোর কারণে ট্রেনকে ধীরগতিতে চলতে হচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে সময়সূচিতে।