
বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে রাজনৈতিক হয়রানিমূলক আরও ১২০২টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, দায়িত্ব নেওয়ার পরে ১০০৬টি হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যেসব মামলা প্রত্যাহারের জন্য বিগত অন্তর্বর্তী সরকার উদ্যোগ নিয়েছিল—গত ১৭ বছরে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা হয়রানিমূলক ও বানোয়াট মামলায় রাজনৈতিক কর্মীসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ, এমনকি সাংবাদিকরাও অভিযুক্ত ছিলেন—সেসব মামলার ক্ষেত্রে খুন, বিস্ফোরক, অস্ত্র, মাদক এবং নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত মামলা বাদ দিয়ে বাকি মামলাগুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, আমার বিরুদ্ধেও বহু খুনের মামলা দেওয়া হয়েছে। এমনকি বিস্ফোরক ও অস্ত্রের মামলাও আছে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এমন মামলা দেওয়া হয়েছে। যেগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দেওয়া, সেগুলো যাচাই-বাছাই করে পুনরায় রাজনৈতিক মামলাগুলো প্রত্যাহারের বিষয়ে আরেকটি উদ্যোগ নিচ্ছি। এটা যাতে কোনো অপব্যবহার না হয়, সেজন্য যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করার জন্য কী করা যায়, কীভাবে যাচাই-বাছাই কমিটি করা যায়—সেগুলো চিন্তা করছি। এটা আজকে-কালকের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেব।
৫ আগস্টের পরের মামলার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এমন অনেক কিছু মামলা আছে। সেখানে বিভিন্নভাবে হয়রানির উদ্দেশ্যে শত্রুতামূলকভাবে কিছু লোককে আসামি করা হয়েছে। কিছু সুবিধাবাদী শ্রেণি এসব করেছে। এরকম কিছু আমাদের নজরে এসেছে। এগুলো যাচাই-বাছাই করে আমরা খুঁজে বের করবো, এটার ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। কেননা মামলাবাজির মধ্য দিয়ে যদি কারও হয়রানি হয়, তো সেটা আইনের শাসন হলো না।