সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
২৯শে মে জাতীয় ওলামা মাশায়েখ সম্মেলন গণগ্রেফতার ও হয়রানী বন্ধ করুন: মামুনুল হক মানহানী ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করতে পারবেন: সুপ্রিমকোর্ট আইনজী ৩১৭ বছরের পুরনো মসজিদ উদ্বোধন করলেন আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী পাথরের ট্রাকে ২কোটি টাকার হেরোইন উদ্ধার – আটক২ সাংসদ বেনজীর আহমেদ করোনায় আক্রান্ত সাভারে জোর করে বের করে দেয়া ভাড়াটিয়াদের রক্ষা করলো পুলিশ আশুলিয়ায় আগুনে পুড়লো ১০টি দোকান। সোনারগাঁও রির্সোটে মাওলানা মামুনুল হক ও তার স্ত্রীকে হেনস্তাকারীদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। – হেফজতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ যুবলীগ নেতার আস্তানায় দেহ ব্যবসা, পতিতা আটক রিকশায় যাওয়া যাবে বই মেলায় : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

ভোটের জন্য প্রস্তুত ২৮ হাজার ৮৭৮ ইভিএম সেট

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের (এনআইডি) মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদুল ইসলাম বলেছেন, ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনের জন্য ২৮ হাজার ৮৭৮টি ইভিএম সেট প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ইতোমধ্যে কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। ইভিএমের মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য ভোট হবে বলে আমরা আশাবাদী।

শুক্রবার বিকেলে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।সংবাদ সম্মেলনে এনআইডির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদুল ইসলাম

সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের শতভাগ প্রস্তুতি শেষ। আমরা একটা অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে বদ্ধপরিকর। ইতোমধ্যে ২ হাজার ৪৬৮টি ভোটকেন্দ্রে ১৪ হাজার ৪৩৬টি ভোটকক্ষ পরিচালনার জন্য আমরা প্রশিক্ষণ শেষ করেছি। পরীক্ষামূলক বা মক ভোটিংয়ের জন্য ইতোমধ্যে ৩৫ হাজার ইভিএম ব্যবহার করা হয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ৪৫ হাজার ৭৭০ জন প্রিজাইডিং পোলিং এজেন্টকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।’

‘প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্য থাকবে। এ ছাড়া প্রত্যেক কেন্দ্রে দুজন করে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও বিমান বাহিনীর মোট ৫ হাজার ১৫ জন সদস্য মোতায়েন থাকবে। তারা টেকনিক্যাল কাজ দেখবেন। তারা আইনশৃঙ্খলার কোনো কাজে অংশ নেবেন না। সেনা ছাউনি থেকে তারা সরাসরি ভোট কেন্দ্রে যাবেন। আবার সেখান থেকে তারা সরাসরি সেনা ছাউনিতে ফিরে যাবেন।’

শুক্রবার ভোট কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয় ইভিএম সেট

তিনি বলেন, আজ রাত ১১টা পর্যন্ত ১০৫ নম্বরে এসএমএস করে যেকোনো ভোটার জানতে পারবেন তিনি কোন কেন্দ্রের ভোটার।

‘নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসার কিংবা সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার কোনো ভোট দিতে পারবেন না। তারা ভোট পরিচালনা করবেন। তবে বিভিন্ন কারণে কারও ফিঙ্গারপ্রিন্ট না মিললে তারা ১ শতাংশ পর্যন্ত ভোট দিতে সহায়তা করতে পারবেন। এর চেয়ে বেশি প্রয়োজন হলে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি নিতে হবে।’

তিনি বলেন, কেউ অবৈধভাবে ভোট বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে গেলে তাকে শনাক্ত করে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে। শুক্রবার ভোট কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয় ইভিএম সেট

সব পোলিং এজেন্টের উপস্থিতিতে ফলাফল প্রকাশ করা হবে। ফলাফলের প্রিন্ট কপি প্রত্যেক প্রার্থীর এজেন্টের কাছে দেয়া হবে। প্রত্যেক কেন্দ্র থেকেই ফলাফল ঘোষণা করা হবে। পরে কেন্দ্র থেকে সেই ফলাফল রিটানিং কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি ভোট শেষ হওয়ার ৩০ (সাড়ে ৪টা) মিনিটের মধ্যেই ফলাফল কেন্দ্র থেকে প্রকাশ করা হবে। কেন্দ্র থেকে ফলাফল রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পাঠানো হবে। সেখান থেকে যদি ফলাফল প্রকাশ করতে দেরি হয়, তাহলে আমাদের করার কিছু নেই। এটা ইভিএমের দোষ না।’

একজনের ভোট দিতে ৪০ সেকেন্ড থেকে সর্বোচ্চ ১ মিনিট লাগার কথা জানিয়ে এবার নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved ©2020 jubokantho24.com
Design & Developed BY Masum Billah