শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২০, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
চাকরি হারানোর ভয়, পায়ে হেঁটে ঢাকার পথে হাজারও মানুষ করোনাভাইরাস: ইসরায়েলে গোঁড়া ইহুদিদের এলাকা লকডাউন করোনাভাইরাস: ঢাকায় টেলিভিশন সাংবাদিক আক্রান্ত, একই চ্যানেলের ৪৭ জন কোয়ারেন্টিনে করোনায় মৃত্যুতে দাফনে বাধা, মুসলিম বৃদ্ধের লাশ দাহ! গুজব ঠেকাতে সতর্ক পাহারায় থাকুন: কাদের এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন মাওলানা সাদ! গণমাধ্যম কর্মীর এক স্ট্যাটাসেই দশ দিনের খাবার পেলেন অসংখ্য দিন মজুর! দেশে আরো নতুন ২ জন করোনায় আক্রান্ত ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে জ্বর, সর্দি ও কাশিতে কলেজছাত্রসহ পাঁচজনের মৃত্যু, উপজেলা জুড়ে আতঙ্ক আইসোলেশন সেন্টারের জন্য বিল্ডিং দেবে দারুল উলূম দেওবন্দ

হিজাব ছিঁড়ে শিক্ষার্থীদের গোপনাঙ্গে পুলিশের লাথি

যুবকণ্ঠ ডেস্ক;

দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর শারীরিক নির্যাতন করার অভিযোগ তুললেন ভারতের জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তাদের অভিযোগ, গত ১০ ফেব্রুয়ারি সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন এবং এনআরসির বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ মিছিল করে সংসদ ভবনের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাদের পথ আটকে অকথ্য নির্যাতন চালায় পুলিশ। মিছিলে সামিল প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের গোপনাঙ্গে লাথি মারে তারা, এমনকী ছিঁড়ে দেয় ছাত্রীদের হিজাবও।

জামিয়ার শিক্ষার্থীদের এই অভিযোগে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল ভারতের রাজধানীতে। দিল্লি পুলিশ অবশ্য তাদের বিরুদ্ধে ওঠা এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, ‘প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে কোনও বল প্রয়োগ করা হয়নি।’ গত সোমবার সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বা সিএএ এবং সম্ভাব্য জাতীয় নাগরিকপঞ্জিকরণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে সংসদের দিকে রওনা দেয় অসংখ্য প্রতিবাদী। সেই সময় তাদের পথ আটকায় পুলিশ, সেই সময় কয়েকজন জামিয়া প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে দিল্লি পুলিশের কর্মীদের বাদানুবাদ থেকে হাতাহাতি পর্যন্ত হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন বলেও জানা গেছে। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরেই তাই গণমাধ্যমের সামনে ক্ষোভ উগরে দিলেন জামিয়ার প্রতিবাদী শিক্ষার্থীরা । তাদের প্রতিবাদ মিছিল রুখতেই ‘পরিকল্পিত’ ষড়যন্ত্র করে হামলা চালায় দিল্লি পুলিশ, অভিযোগ জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার শিক্ষার্থীদের। একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে কমপক্ষে ২০ জন আহত শিক্ষার্থী তাদের উপর হওয়া পুলিশি হামলার বিবরণ তুলে ধরেন। একজন আহত মহিলা শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, ‘যখন আমি দেখলাম আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন ছাত্রকে পুলিশ ব্যাপক মারধর করছে, তখন আমি ওদের সাহায্য করার জন্যে ছুটে আসি। আমি যখন ব্যারিকেড পার হচ্ছিলাম, তখন কয়েকজন মহিলা পুলিশ আমাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেন। একজন পুরুষ পুলিশ কর্মী আমার গোপনাঙ্গে লাথি মারলে আমি সেখানেই অজ্ঞান হয়ে যাই।’

অন্য এক ছাত্রী দাবি করেন, ‘পুলিশ কর্মীরা আমার উরুর উপর উঠে দাঁড়িয়ে পড়েন। আমার একটা লিগামেন্ট ছিঁড়ে গেছে। ওরা আমার হিজাবও ছিঁড়ে ফেলেন, সংবিধানের শিক্ষা দেয়ার কথা বলে এক কোণে নিয়ে গিয়ে আমাকে অকথ্য গালাগাল দেয়া হয়।’ শুধু অভিযোগ নয়, ওই মহিলা শিক্ষার্থীরা তাদের আহত হওয়ার প্রমাণ হিসাবে মেডিকেল রিপোর্টও দেখান এবং পুরুষ শিক্ষার্থীরা আহতদের ছবি তুলে ধরেন সাংবাদিক সম্মেলনে। যদিও পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে দক্ষিণ-প‚র্ব দিল্লির ডিসিপি আরপি মীনা বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে করা সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা। বরং আমাদেরই কয়েকজন পুরুষ পুলিশ কর্মী হেনস্থার শিকার হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন। প্রতিবাদীদের উপর কোনও বলপ্রয়োগ করা হয়নি।’ সূত্র : এনডিটিভি।

এই পোষ্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Design & Developed BY It Host Seba Mobile: 01625324144
0Shares