বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৮:২৭ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
হেফাজতের মিছিলে কালিমা সংবলিত কালো ব্যানার: নাস্তিক্যবাদী মিডিয়ার চুলকানি মুসলিমদের হত্যার হুমকি দিয়ে ফরাসি মসজিদে ইসলামবিদ্বেষীদের চিঠি মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরী নাজিরহাট মাদ্রাসার মোতাওয়াল্লি নির্বাচিত ফ্রান্সের পণ্য বর্জন ও কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে -আল্লামা মাহফুজুল হক সিএমএইচে এমপি আবু জাহির বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্য শাখার ভার্চুয়াল নির্বাহী সভা অনুষ্ঠিত.. অবশেষে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব ইসলামী আন্দোলনের দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা বিশ্বজুড়ে পণ্য বর্জনের ডাকে প্রবল ঝুঁকিতে ফ্রান্সের অর্থনীতি বয়কট ফ্রান্স আন্দোলন: রেচেপ তায়েপ এর্দোয়ান ফরাসী পণ্য বর্জনের ডাক দিলেন

একুশে গ্রন্থমেলায় ইসলামী প্রকাশনী নেই কেন?- যাইনুল আবিদীন

আমিন ইকবাল : একুশে গ্রন্থমেলায় সাধারণত ইসলামী প্রকাশনীগুলোকে সুযোগ দেওয়া হয় না কেন?

মুহাম্মদ যাইনুল আবিদীন : কারণটা পরিষ্কার। আমরা আধুনিক শিক্ষা বলতে যা বুঝি—সায়েন্স, আর্টস বা কমার্স—যাই বলি না কেন, এ শিক্ষায় যারা শিক্ষিত হয়, তাদের মধ্য থেকেই তো পরবর্তীসময়ে সচিব হন, উপ-সচিব হন। তাদেরই কেউ একজন বাংলা একাডেমির চেয়ারম্যান হন কিংবা সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। আর বিশ্বাসের জায়গায় একজন মুসলমান হিসেবে আমরা যা মনে করি, তাদের অনেকে তা মনে করেন না। তারা ধর্মের প্রতি এতটা যত্নশীল নন; বরং নিজেদের স্বার্থ হাসিলে ধর্মের বিষয়গুলো ঠেকিয়ে রাখতে পারলেই তাদের লাভ। অবশ্য এসব বিষয় তারা মুখে স্বীকার করতে পারেন না। কারণ, বাংলাদেশের মানুষ নামাজি। তারা মসজিদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। ইসলামের কোনো একটা বাণী অপমাণিত হলে সবাই যার যার জায়গা থেকে মুষ্ঠিবদ্ধ হয়ে প্রতিবাদে দাঁড়িয়ে যায়। ফলে কথিত প্রগতিশীলরা কাগজে-কলমে এটা নিষেধ করতে পারেন না। কিন্তু কাজে ও কৌশলে তা করার চেষ্টা করেন। তাই, তারা চায় না ইসলামী প্রকাশনী বইমেলায় আসুক। আরও একটি কারণ হলো—একুশে গ্রন্থমেলার আয়োজকরা চান—মেলায় নারী-পুরুষ একাকার হয়ে উদোম সংস্কৃতির চর্চা করুক। কিন্তু টুপি পরা পুরুষ আর হিজাব পরা নারী অধিক হারে সেখানে গেলে তো তাদের উদোম হয়ে চলতে-ফিরতে বাধা তৈরি হতে পারে! আল মাহমুদের ভাষায়—‘সাংস্কৃতিক মাস্তানি’তে ব্যাঘাত ঘটতে পারে! সেজন্য তারা চান না ইসলামী প্রকাশনীগুলো একুশে গ্রন্থমেলায় অংশগ্রহণ করে বই বিক্রি করুক। তবে, আমি মনে করি—এদেশে যেহেতু টুপি, দাড়ি, কোরআন, হাদিস, মসজিদ, মিনারকে অস্বীকার করে বা বিরোধিতা করে কেউ ক্ষমতায় আসতে পারে না—এই পরিবেশটা আমাদের জন্য সুযোগ। যদি সুযোগ কাজে লাগিয়ে আমরা ধারাবাহিক চেষ্টা চালিয়ে যাই, তাহলে ওই জায়গায় পরিবর্তন আনা সম্ভব।

মুহাম্মদ যাইনুল আবিদীনের আত্মজৈবনিক সাক্ষাৎকার ‘হরফে আঁকা জীবন’ থেকে।

এই পোষ্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Design & developed by Masum Billah