মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ইসলামের দৃষ্টিতে মূর্তি ও ভাস্কর্য ভাস্কর্য না করে স্মৃতি মিনার করুন, তাতে বঙ্গবন্ধুর আত্মা শান্তি পাবে : মুফতী ফয়জুল করীম মহাখালীতে সাততলা বস্তিতে আগুন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন জামালপুর-২ আসনের এমপি ফরিদুল হক খান মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কে অনতিবিলম্বে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে: সম্মিলিত কওমী প্রজন্ম ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইসলামে মূর্তি ও ভাস্কর্য অবৈধ: ড. ইউসুফ আল-কারযাভী ভাস্কর্য ও মূর্তির অপব্যাখ্যাকারীরা হক্কানী আলেম হতে পারে না : বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন নামাজরত অবস্থায় ইমামের মৃত্যু উগ্রবাদী ও পাকিস্তানপন্থীরা এখন হেফাজতের নেতৃত্বে: মাওলানা জিয়াউল হাসান সময় এসেছে ওআইসির নেতৃত্বে সর্বভারতীয় মুসলিম দল গড়ার

করোনা সঙ্কটেও সরকারের অনুদান নেবে না দারুল উলুম দেওবন্দ

 

 

যুবকণ্ঠ ডেস্ক ;

ভারতের ঐতিহ্যবাহী ইসলামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, দেওবন্দের দারুল উলুম সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তাদের অধীনের মাদ্রাসাগুলোতে শিক্ষার আধুনিকীকরণের জন্য তারা কোনো সরকারি অনুদান নেবে না।

নরেন্দ্র মোদি সরকার এ বছর তাদের বাজেটে মাদ্রাসা শিক্ষার সংস্কারের জন্য ১০০ কোটি রুপি বরাদ্দ করেছে, কিন্তু দারুল উলুম মনে করছে, এই সরকারি সাহায্য নিলে তাদের মাদ্রাসাগুলোয় যে ধর্মীয় শিক্ষার পরম্পরা আছে, তা ব্যাহত হবে।

দেওবন্দের দারুল উলুমের অনুমোদিত প্রায় তিন হাজার মাদ্রাসা আছে ভারতে। আর এ সপ্তাহের গোড়ায় তাদেরই সংগঠন রাবতা-ই-মাদারিস-ই-ইসলামিয়ার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো দেওবন্দের ক্যাম্পাসে। সেখানে চার হাজারেরও বেশি মাওলানার উপস্থিতিতে দারুল উলুম সিদ্ধান্ত নেয় তাদের শিক্ষাপদ্ধতি বা সিলেবাসের সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না, আর তাই তাদের মাদ্রাসাগুলো এ জন্য সরকারি অনুদানও প্রত্যাখ্যান করবে।

দারুল উলুমের মাদ্রাসা বিভাগের কর্মকর্তা মাওলানা আবদুল খালেক বলেন, ‘দেড় শ বছরের পুরনো এ প্রতিষ্ঠান তাদের ইতিহাসে কখনো সরকারি অনুদান নেয়নি, ভারতেরও না, বাইরের কোনো সরকারেরও না। দেওবন্দের প্রতিষ্ঠাতারাই এ বিধান করে গেছেন, কারণ সরকারের টাকা নিলে তাদের কথাই তো আমাদের শুনতে হবে, আমরা আমাদের স্বাধীনতা হারাব।’

বস্তুত, দারুল উলুমের প্রধান আশঙ্কা এটাই, সরকারি অর্থ নিলে তাদের পাঠক্রম বা পড়াশোনাতেও সরকার নাক গলাবে। দারুল উলুমের উপাচার্য আবুল কাশেম নোমানি জানান, আধুনিকতার নামে তাঁরা তাঁদের মাদ্রাসায় ধর্মীয় শিক্ষার বিশুদ্ধতা নষ্ট করবেন না।

বহু বছরের অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ান ও বামপন্থী রাজনীতিক মোহম্মদ সেলিমও মনে করেন, মাদ্রাসা শিক্ষার সংস্কার চাইলে সরকারকে অন্য রাস্তায় এগোতে হবে। তাঁর মতে, ‘ধর্মীয় শিক্ষায় সরকারের কোনো ভূমিকার দরকার নেই, টাকা দেওয়ারও দরকার নেই। ধর্মীয় শিক্ষা তাদেরই কাজে লাগুক, যারা ছেলেদের মাওলানা-মৌলবি-কাজি বানাতে চান!’

মোহম্মদ সেলিম আরো বলেন, ‘যেখানে সাধারণ স্কুল-কলেজ নেই বা শিক্ষক নেই, সেখানে অনেকটা বাধ্য হয়েই লোকে মাদ্রাসায় ভর্তি হয়। সরকার বরং বেশি করে স্কুল-কলেজ করুক, তাহলে তাদের মাদ্রাসাতে নাক গলাতে হবে না।’

সূত্র :বিবিসি।

 

 



 

 


এই পোষ্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Design & developed by Masum Billah