মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ইসলামের দৃষ্টিতে মূর্তি ও ভাস্কর্য ভাস্কর্য না করে স্মৃতি মিনার করুন, তাতে বঙ্গবন্ধুর আত্মা শান্তি পাবে : মুফতী ফয়জুল করীম মহাখালীতে সাততলা বস্তিতে আগুন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন জামালপুর-২ আসনের এমপি ফরিদুল হক খান মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কে অনতিবিলম্বে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে: সম্মিলিত কওমী প্রজন্ম ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইসলামে মূর্তি ও ভাস্কর্য অবৈধ: ড. ইউসুফ আল-কারযাভী ভাস্কর্য ও মূর্তির অপব্যাখ্যাকারীরা হক্কানী আলেম হতে পারে না : বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন নামাজরত অবস্থায় ইমামের মৃত্যু উগ্রবাদী ও পাকিস্তানপন্থীরা এখন হেফাজতের নেতৃত্বে: মাওলানা জিয়াউল হাসান সময় এসেছে ওআইসির নেতৃত্বে সর্বভারতীয় মুসলিম দল গড়ার

কওমির ঐতিহ্য রক্ষায় সরকারি অনুদান প্রত্যাখ্যান করলো মেখল মাদরাসা 

যুবকণ্ঠ ডেস্ক : সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে কওমি মাদরাসাসমূহের জন্য বরাদ্দকৃত সহায়তা প্রত্যাখ্যান করলেন, মুফতী আজম ফয়জুল্লাহ রহ. প্রতিষ্ঠিত দেশের ব্যতিক্রমধর্মী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া হামিয়ুচ্ছুন্নাহ মেখল মাদরাসা।

গতকাল ৩০ এপ্রিল রাতে গণমাধ্যমে প্রেরিত বার্তায় মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষক ও সহকারী দারুল ইকামা মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জী বলেন, আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরেছি যে, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে হাটহাজারীর ২৪ টি মাদরাসার সাথে ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা নিকেতন আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া হামিউচ্ছুন্নাহ মেখলের জন্য ২০,০০০ (বিশ হাজার টাকা) সরকারি সহায়তা এসেছে। মেখল মাদরাসা কর্তৃপক্ষ সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বিনয়ের সাথে এই সহায়তা প্রত্যাখ্যান করছে।

মাওলানা জাকারিয়া নোমান আরো বলেন, প্রতিষ্ঠা সময় থেকে আজ ৯১ বছরেও জামিয়া হামিউচ্ছুন্নাহ মেখল মাদরাসা কর্তৃপক্ষ কখনো কোন ধরনের সরকারি সাহায্য গ্রহন কররেননি। এমনকি বিগত ১৯৯১ ইং সাল থেকে ২০১৮ পর্যন্ত প্রায় দশবার জামেয়ার নামে বিভিন্ন সরকারি বরাদ্দ আসলেও জামিয়া কর্তৃপক্ষ সবিনয় তা ফেরত দিয়েছেন। ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও সরকারের কোন সহায়তা গ্রহণ করা হবে না।

তিনি আরো বলেন, মেখলে কোন এতিম খানা তো দূরের কথা বোর্ডিং ও নেই। মাদরাসায় বেশ কিছু গরীব অসহায় ছাত্র আছে তাদের ভরণপোষণ দ্বীনদার হিতাকাঙ্ক্ষীদের মাধ্যমে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ বহন করে থাকে। অতএব বরাদ্দকৃত তালিকায় মেখলের সাথে এতিমখানা যোগ করা হয়েছে। এটা মেখলর নাম নয়। মেখলের পুর নাম হলো, আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া হামিউচ্ছুন্নাহ মেখল।

তিনি আরো বলেন, জামিয়া হামিউচ্ছুন্নাহ কতৃপক্ষ কোন ত্রানের জন্য আবেদন করেনি, তাই এই ভাবে না জানিয়ে জামিয়া হামিউচ্ছুন্নাহ মেখলের নাম ত্রান বরাদ্দের তালিকায় দেওয়াতে জামিয়া কতৃপক্ষ অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছে। আমরা ত্রান বরাদ্দেরর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলতে চাই, ভবিষ্যতে এই ভাবে কোন তালিকা করার আগে যেন কতৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হয়।

উল্লেখ্য : ১৯৩১ ইংরেজিতে তদানিন্তন মুফতী আজম ফয়জুল্লাহ রহ. মেখল হামিয়ুচ্ছুন্নাহ মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন।

এই পোষ্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Design & developed by Masum Billah