বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ১০:২৮ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
‘বাজার-ঘাটে মুখে মাস্ক নেই, মসজিদে না পরে আসলি যত সমস্যা’ বিশ্বে একদিনে আবারো সর্বোচ্চ প্রাণহানি উইঘুর মুসলিমদের নির্যাতিত বলায় পোপকেও ছাড় দেয়নি চীন আমার কণ্ঠ চেপে ধরলেও মূর্তি ও ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে বলেই যাবো: মাওলানা মামুনুল হক আল্লামা আহমদ শফী রহ. পরিষদে মূসা সভাপতি ও রাজী সেক্রেটারী জেনারেল নির্বাচিত করোনায় আক্রান্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র সচিব চরমোনাই পীর ও মামুনুল হকের কিছু হলে তৌহিদী জনতা বসে থাকবে না মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে গাজীপুরে যুব মজলিসের বিক্ষোভ ময়মনসিংহে যুব মজলিসের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত!! মামুনুল হক যে বক্তব্য দেন তা রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল: রাব্বানী

এইচএসসি পরীক্ষা কমানোর চিন্তা-ভাবনা করছি:শিক্ষামন্ত্রী

যুবকণ্ঠ ডেস্ক: করোনার কারণে চলত শিক্ষাবর্ষ আগামী মার্চ মাস পর্যন্ত বাড়তে পারে উল্লেখ শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবারের এইচএসসি পরীক্ষার সময় ও সংখ্যা কমিয়ে আনার ইঙ্গিত দিয়েছেন। এছাড়া, মাধ্যমিক স্তরের বিভিন্ন শ্রেণির সিলেবাস ও আগামী বছরে ঐচ্ছিক ছুটি কমিয়ে আনার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে বলে জানান তিনি। আজ শনিবার এডুকেশন রিপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের (ইরাব) আয়োজিত অনলাইন সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘করোনাকালে শিক্ষার চ্যালেঞ্জ এবং উত্তরণে করণীয়’ শীর্ষক এ ভার্চুয়াল সেমিনারে সভাপতিত্ব সংগঠনের সভাপতি মুসতাক আহমদ। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, গণ সাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মনজুর হোসেন এবং ভিকারুননিসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজ এর সহকারী অধ্যাপক ড. ফারহানা খানম। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে আমরা কোটি কোটি শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারি না। তাদের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে স্কুল-কলেজ খোলা হবে। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় যে ক্ষতি হবে তা পুষিয়ে নিতে আমরা কিছু পরিকল্পনা তৈরি করেছি। এই অনিশ্চয়তার মধ্যে কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেয়া কোনোভাবে সম্ভব নয়। এইচএসসির এই বছরের সিলেবাস কমানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই। কারণ তারা তো তাদের সিলেবাস সম্পন্ন করেছে। এখন কথা হচ্ছে পরীক্ষা নিয়ে। আবারও এত লক্ষ লক্ষ পরিবার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সবাইকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলব? তাহলে সেই পরীক্ষাটি আমরা কম সময়ে নিতে পারে কিনা। কম সংখ্যক পরীক্ষা নিতে পারে কিনা এ ধরনের সব ভাবনাই ভাবছি। তিনি বলেন, বর্তমান সংকট পুষিয়ে নিতে চলতি শিক্ষাবর্ষ আগামী মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হবে কি না, না ডিসেম্বর পর্যন্ত থাকবে তা ভাবনা চিন্তা চলছে। শিক্ষাবর্ষ বাড়ানো হলে আগামী বছরে ঐচ্ছিক ছুটি কমানোর প্রয়োজন হবে। একটি শিক্ষাবর্ষে আমরা ১৪০-১৪২ দিন পড়িয়ে থাকি। বাকিটা ছুটি থাকে। তাই এবছর শিক্ষা বর্ষ বাড়াতে হলে আগামী বছরের ছুটি কমিয়ে হলেও তা করা হবে। তবে এ ক্ষেত্রে বয়স ও শ্রেণি অনুযায়ী শিক্ষার্থীর জ্ঞানার্জন ও দক্ষতা অর্জনের দিকটিতে আপোষ করা হবে না। কারিগরি শিক্ষায় যতটুকু শিখনফল ও দক্ষতা কাম্য সেটুকু যদি শিক্ষার্থীরা অর্জন করতে না পারে তাহলে তাদেরকে সার্টিফিকেট দেয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী। অনুষ্ঠানে স্বাগত জানান ইরাব সাধারণ সম্পাদক নিজামুল হক। সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাব্বির নেওয়াজের সঞ্চালনায় এতে ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন ইরাব কোষাধ্যক্ষ শরিফুল আলম সুমন। আলোচনায় অংশ নেন ইরাব যুগ্ম সম্পাদক ফারুক হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম জসিম, দপ্তর সম্পাদক এম এইচ রবিন প্রমুখ।

এই পোষ্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Design & developed by Masum Billah