বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৮:০২ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরী নাজিরহাট মাদ্রাসার মোতাওয়াল্লি নির্বাচিত ফ্রান্সের পণ্য বর্জন ও কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে -আল্লামা মাহফুজুল হক সিএমএইচে এমপি আবু জাহির বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্য শাখার ভার্চুয়াল নির্বাহী সভা অনুষ্ঠিত.. অবশেষে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব ইসলামী আন্দোলনের দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা বিশ্বজুড়ে পণ্য বর্জনের ডাকে প্রবল ঝুঁকিতে ফ্রান্সের অর্থনীতি বয়কট ফ্রান্স আন্দোলন: রেচেপ তায়েপ এর্দোয়ান ফরাসী পণ্য বর্জনের ডাক দিলেন ফ্রান্সের তাগুতী শক্তি অচিরেই ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে। আবার জেগেছে হেফাজত: শুক্রবার দেশব্যাপী বিক্ষোভের ডাক

ঘুরে এলাম মদিনা মসজিদ

ইহসানুল হক:

সুন্দর আর চমৎকার নির্মাণশৈলী যেকোনো মানুষের হৃদয়কেই আকর্ষণ করে। টেনে নেয় চুম্বকের মতো। একটু কাছে যেতে, স্পর্শ করতে ইচ্ছে করে। আবার সেটা যদি আপনার আবেগ জড়িত কোনো স্থানের নামের সাথে মিল এবং তাঁর সাথে সাদৃশ্য তখন আর কে আটকাতে পারে ?
মসজিদে নববীর কথা শুনলে কে আবেগাপ্লুত না হয় ? রাসুল (সা.) এর প্রেমে কল্পপাখায় ভর করে সেই মদিনার পানে কে ছুটে যেতে না চায় ?

যারা জীবনে একবারও হজ্জ বা ওমরায় যেতে পারেননি তাঁদের মনটা হয়তো অস্থীর হয়ে আছে কবে মসজিদে নববীর পাশে গিয়ে দাঁড়াবেন। কবে দূর থেকে চোখের পাতায় ঝলসে উঠবে সেই সবুজ গম্বুজ।এমন আবেগ আর অস্থীরতা বুকে নিয়েই ছুটে গিয়েছিলাম মদিনা মসজিদ দেখতে ।

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চর খরিচার নিভৃত পল্লীতে নির্মানাধীন চমকপ্রদ ও নান্দনিক মদিনা মসজিদ।মসজিদে নববীর আদলে নির্মিত তাই এই নামে খ্যাত। চমৎকার নির্মাণশৈলী আর প্রাকৃতিক শোভার অভূতপূর্ব সমন্বয়ে তৈরি এই মসজিদটি।

মসজিদের উপরে দাঁড় করানো হচ্ছে কয়েকটি মিনার ও একটি গম্বুজ। গম্বুজে এখনও রং করা হয়নি তাই দূর থেকে দেখলে মনে হয় সাদা টুপি পরা। বিশাল বৈদ্যুতিক গম্বুজটি বিশেষ প্রয়োজনে সুইচ টিপলেই বৈদ্যুতিক মোটরের সাহায্যে এক পাশে সরে যায়।

মসজিদের অভ্যন্তরে বিস্তৃত রয়েছে অবারিত দৃশ্যপট।মেহরাব ও দরজাগুলো প্রাচীন নান্দনিক কারুকার্য খচিত।মেঝে ও পিলার গুলোতে উন্নত চমৎকার দামী পাথরের মোজাইক স্থাপিত।

পাশেই রয়েছে দাওরায়ে হাদিস পর্যন্ত বিশাল মাদরাসা ‘জামিয়া মাহমুদিয়া’। মাদরাসার একজন উস্তাযের সাথে কথা বলে জানা গেছে প্রায় দু’শো কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত হয়েছে মসজিদটি।ব্যয়বহুল এই মসজিদটি এক নজর দেখার জন্য দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন। ভিড় করছেন প্রতিদিন। সাড়া পড়েছে আশপাশের পুরো অঞ্চল এবং মিডিয়া পাড়াতেও ।


মসজিদের উপরে স্থাপিত নান্দনিক কারেন্ট গম্বুজটি প্রতি শুক্রবার দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়। দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদ ও ততসংলগ্ন মাদরাসাটি যাত্রাবাড়ীর শায়েখ মাওলানা মাহমুদুল হাসান দা. বা. এর বাড়ির পাশেই। এবং তিনিই এর প্রতিষ্ঠাতা।

স্থানীয় লোকদের থেকে জানা গেছে তার পৈতৃক সম্পত্তির উপরেই মাদরাসা ও মসজিদটি নির্মিত। সরাসরি ময়মনসিংহ অথবা শম্ভুগঞ্জ হয়ে পরাণগঞ্জ রোডে চরখরিচায় গিয়ে মসজিদটি দেখে আসতে পারেন আপনিও।

এই পোষ্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Design & developed by Masum Billah