মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ০৩:১২ পূর্বাহ্ন

পুঞ্জিভূত ক্ষোভের অনিবার্য বিস্ফোরণ দালাল মুক্তকরণ আন্দোলন ছড়িয়ে যাক সবখানে

এহসানুল হক :

ছাত্র আন্দোলনের ঢেউ এবার হাটহাজারীতে। কওমি মাদরাসা অঙ্গনে ছাত্র আন্দোলন নেই বললেই চলে। দাবি আদায়ের জন্য কওমি মাদরসায় আন্দোলন করতে হয় না। এভাবে যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। কিন্তু আল্লামা আহমদ শফি পুত্র আনাস মাদানীর একের পর এক অনৈতিক কান্ডে বিক্ষুদ্ধ হয়ে আজ ছাত্ররা মাঠে নামতে বাধ্য হলো।

আজকের এই ঘটনার জন্য আনাস মাদানী গংরাই এককভাবে দায়ি। মাদরাসাগুলো বন্ধের সুযোগে যে অন্যায়গুলো তারা করেছিলো সে জন্য এমন একটা দিন তাদের জন্য অপেক্ষা করছিলো। এই বিস্ফোরণ অনিবার্য ছিলো। আশপাশের বড় মাদরাসাগুলো দখল করা ও হাটহাজারির শুরা নিয়ে সে যে কাজ গুলো করেছিলো, মাদরাসা খোলা থাকলে তা কখনোই সম্ভব ছিলো না।

সরকার যদি এখনো এসব সমর্থন শূন্য দালালদের পক্ষে ভুমিকা রাখে। ছাত্রদের যদি সামন্য পরিমাণ আঘাত করে তাহলে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকাড় ধারণ করবে। মুহুর্তেই এই আন্দোলন ঢাকাসহ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়বে। সেজন্য আমরা পরিস্কার বলে দিতে চাই। মাদরাসার সমস্যা মাদরাসাতেই সমাধান হবে। আপনাদের নাক গলাতে হবে না।

আজকের এই পরিস্থিতির সমাধান করতে পারে- মজলিসে শুরা। স্বাধীনভাবে মজলিসে শুরা সিদ্ধান্ত নিতে পারলে আশা করা যায় সমস্যার সমাধান হবে। আন্দোলনরত ছাত্রদের সমস্ত দাবি যৌক্তিক। যদি দাবি আদায় না করে পরিস্থিতি ধামা চাপা দেয়ার চেষ্টা করা হয় তাহলে হয়তো কিছুদিন নিরব থাকবে। এরপর আবারও হটাৎ কোনো রোদ্রময় দুপুরে গর্জে উঠবে ছাত্র জনতা। মনে রাখতে হবে নেতাদের কেনা যায়, ছাত্রজনতাকে দমানো যায় না।

আজকের এই ঘটনা অন্য সব দালালদের জন্য পরিস্কার বার্তা। তোমরা দালালি ছেড়ে দাও। পদ দখল করে লাভ নাই। তোমরাও প্রস্তুত। তোমাদের জন্যও এমন দিন অপেক্ষা করছে। ছাত্র জনতা জেগে উঠলে তোমাদের রক্ষা করতে পারবে না। এমন একটা দিনের অপেক্ষায় ছিলাম। দালাল মুক্তকরণ আন্দোলন ছড়িয়ে যাক সবখানে। দালাল ভন্ডরা নিপাত যাক। রক্ষা পাক প্রাণের কওমি মাদরাসাগুলো।

এই পোষ্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Design & developed by Masum Billah