মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ১০:০৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ইসলামের দৃষ্টিতে মূর্তি ও ভাস্কর্য ভাস্কর্য না করে স্মৃতি মিনার করুন, তাতে বঙ্গবন্ধুর আত্মা শান্তি পাবে : মুফতী ফয়জুল করীম মহাখালীতে সাততলা বস্তিতে আগুন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন জামালপুর-২ আসনের এমপি ফরিদুল হক খান মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কে অনতিবিলম্বে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে: সম্মিলিত কওমী প্রজন্ম ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইসলামে মূর্তি ও ভাস্কর্য অবৈধ: ড. ইউসুফ আল-কারযাভী ভাস্কর্য ও মূর্তির অপব্যাখ্যাকারীরা হক্কানী আলেম হতে পারে না : বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন নামাজরত অবস্থায় ইমামের মৃত্যু উগ্রবাদী ও পাকিস্তানপন্থীরা এখন হেফাজতের নেতৃত্বে: মাওলানা জিয়াউল হাসান সময় এসেছে ওআইসির নেতৃত্বে সর্বভারতীয় মুসলিম দল গড়ার

বেফাকে দুই হাজার সাল থেকে একটি সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে!

বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মাদ্রাসার প্রতিনিধিত্ব করে বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ। পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশের ৮০% মাদ্রাসা বেফাকের আওতায়।

সম্প্রতি কওমি মাদ্রাসাকেন্দ্রিক শিক্ষাবোর্ডটির চেয়ারম্যান ইন্তেকাল করেছেন। তার মৃত্যুর দু’দিন না পেরোতেই অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন মহাসচিব মাওলানা আব্দুুল কুদ্দুসও। তাতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বহীনতায় ভুগছে প্রতিষ্ঠানটি।

শূন্য এই দুটি পদে কারা আসছেন তা নির্ধারিত হবে বেফাকের আগামী ৩ তারিখে আমেলা বৈঠকের পর। সেই আমেলা বৈঠকেই নির্ধারিত হবে আগামী দিনের কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের কান্ডারী।

এদিকে গুরুত্বপূর্ণ এ দুটি পদ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে নানা মহলে। কারা আসছেন নেতৃত্বে -এ নিয়ে চলছে জল্পনা কল্পনা। কেউ বলছেন দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ ব্যক্তিদেরই মূল্যায়ন করতে হবে। কারো অভিমত তরুণ নেতৃত্ব বেছে নেয়ার প্রতি। কেউ আবার বেফাক নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করেছেন।

হতাশা কেন?

বেফাকের কার্যক্রমে যারা দীর্ঘদিন ধরে হতাশ, তাদের একজন বার্তা২৪.কমের ভিবাগীয় সম্পাদত মুফতি এনায়েতুল্লাহ।

তিনি বলেন, মূল সমস্যাটা হচ্ছে, বেফাক ২ হাজার সাল থেকে বিশেষ একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছে। এবং নেতৃত্বে পরিবারতন্ত্র কাজ করছে। বরাবরই লক্ষ্য করে আসছি শীর্ষ আলেমদের সাহেবজাদারাই বেফাকের নেতৃস্থানীয় পদে বসছেন। এজন্য যোগ্যদের মূল্যায়ন করা হচ্ছে না।

বেফাক শুধুমাত্র ছাত্রের পরীক্ষা নিচ্ছেন, তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের ফি আদায় করছেন। এছাড়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের উন্নয়নে কোন কাজ করছে না বেফাক।

সুতরাং আমরা যদি ৭০ বছরও বেফাক সংস্কারের আন্দোলন করি তাতে কোন লাভ হবে না। সেই সিন্ডিকেটের আশীর্বাদপুষ্ট, তাদের বংশধর এবং চাটুকাররা ছাড়া অন্যরা বেফাকের নেতৃত্বে আসতে পারবেন না। শুধু নেতৃত্বের চিন্তা মাথায়। বেফাকের উন্নয়নের চিন্তা কারো মাথায় নেই।

মুফতি এনায়েত প্রশ্ন তুলে বলেন, বেফাকের বয়স প্রায় ৪০ বৎসর। যুগের পর যুগ অতিবাহিত হওয়ার পরেও বেফাক ছাত্রদের পরীক্ষা নেয়া, পরীক্ষার ফি আদায় করা ছাড়া ছাত্রদের জীবন গঠনে উন্নয়নমূলক কোন কাজ করেছেন কি?

এই পোষ্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Design & developed by Masum Billah