বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ধর্মের দোহাই দিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্য বরদাস্ত করা হবে না: এমপি শিবলী ফটিকছড়িতে আমীরে হেফাজত আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে গণ সংবর্ধনা প্রদান পাকিস্তানে ধর্ষকদের পুরুষাঙ্গ অকেজোর সাজা অনুমোদন আগামী প্রজন্মকে ধর্মহীন বানানোর চক্রান্ত চলছে: ইসলামী ঐক্য আন্দোলন ওয়াজ মাহফিল: সমাজ সংস্কার ও শুদ্ধ মানুষ গড়ার অনন্য আয়োজন ‘বাজার-ঘাটে মুখে মাস্ক নেই, মসজিদে না পরে আসলি যত সমস্যা’ বিশ্বে একদিনে আবারো সর্বোচ্চ প্রাণহানি উইঘুর মুসলিমদের নির্যাতিত বলায় পোপকেও ছাড় দেয়নি চীন আমার কণ্ঠ চেপে ধরলেও মূর্তি ও ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে বলেই যাবো: মাওলানা মামুনুল হক আল্লামা আহমদ শফী রহ. পরিষদে মূসা সভাপতি ও রাজী সেক্রেটারী জেনারেল নির্বাচিত

এ রায় বিশ্বে প্রমাণ করেছে, ভারতে ন্যায়বিচার নেই: মাহমুদ মাদানী

যুবকণ্ঠ ডেস্ক;

বাবরি মসজিদে হামলাকারীদের রহস্যজনকভাবে বেকসুর খালাস করে দেয়া একটি ফ্যাসিবাদী সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেছেন ভারতীয় মুসলমানদের সর্ববৃহৎ সামাজিক সংগঠন জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মাহমুদ মাদানী।

আদালতের এ রায়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে তিনি বলেন, দীর্ঘ ২৮ বছর প্রতীক্ষার পরে বিশেষ সিবিআই আদালত বাবরি মসজিদে হামলায় জড়িত দোষীদের বিচারের আওতায় না এনে আশ্চর্যজনকভাবে খালাস করে দিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত করুণ এবং ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।

ভারতীয় মুসলমানদের সামাজিক সর্ববৃহৎ সংগঠন জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সিনিয়র এই নেতা আরও বলেন, সিবিআই আদালতের এই রায়ে যেভাবে প্রমাণ ও সত্যকে উপেক্ষা করা হয়েছে এবং দোষীদের লজ্জাজনক ও অপরাধমূলক কর্ম প্রকাশ্যে আসার পরও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না দিয়ে তাদেরকে বেকসুর খালাস করা হয়েছে, এর নজির আমরা ইতিহাসে দেখতে পাই না।

মাহমুদ মাদানী বলেন, এই সিদ্ধান্ত বিশ্ব দরবারে প্রমাণ করেছে, ভারতে ন্যায়বিচার নেই। এটি বর্তমানে আদালতের স্বাধীনতার ওপরও প্রশ্ন উত্থাপন করে।

বাবরি মসজিদে হামলাকারীদের উপযুক্ত শাস্তি না হওয়া অপরাধীদেরকে আরও উৎসাহ যোগাবে এবং সংখ্যালঘুদের মনে শঙ্কা ও আদালতের প্রতি তাদের অনাস্থা তৈরি করবে।

মাহমুদ মাদানি বলেন, সিবিআইয়ের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করা হবে এবং দেশের সাধারণ স্বার্থ এবং ন্যায়বিচারের নীতিমালা বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্তের ফলে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং হবে তার ক্ষতিপূরণও চাওয়া হবে।

১৯৯২ সালের ডিসেম্বর মাসে সাম্প্রদায়িক ও ফ্যাসিবাদী শক্তি এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থকরা বাবরি মসজিদে হামলা চালাতে উস্কানিমূলক ভূমিকা রেখেছিল এবং মুসলমানদের ৫০০ বছরের পুরনো মসজিদটিতে অত্যন্ত নৃশংসভাবে হামলা চালিয়েছিল।

যার প্রমাণ দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কাছে এখনও সংরক্ষিত আছে বলে দাবি করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, ভারতের অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলায় অভিযুক্ত সব আসামিকে বেকসুর খালাস করে দিয়েছে ভারতের বিশেষ আদালত। কট্টর হিন্দুদের দ্বারা ধ্বংস হওয়া বাবরি মসজিদের প্রায় তিন দশক পর মামলার এই রায় ঘোষণা করা হয়।

 

জমিয়তের উর্দূ প্রেস রিলিজটি বাংলা করেছেন– মুহাম্মদ বিন ওয়াহিদ

এই পোষ্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Design & developed by Masum Billah