শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০, ১০:২৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ফ্রান্স : অসভ্যতার পৃষ্ঠপোষক আজকের বিক্ষোভ : কিছু পর্যবেক্ষণ সৈয়দ শামছুল হুদা অপরাধীর কাছে গিয়ে নরম সুরে বুঝাতে হব, সন্ত্রাসী প্রদ্ধতিতে প্রতিবাদ নয় : ফরীদুদ্দীন মাসউদ ফ্রান্স সারাবিশ্বের সামনে প্রকাশিত ক্ষমা চাইতে হবে না হয় জিহাদ ঘোষনা করলাম। মাওলানা আনিসুল হক। নিউইয়র্কে সংবর্ধিত হলেন হাফেজ কারী নাজমুল হাসান ফ্রান্সের দূতাবাস বন্ধ ও কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে-আল্লামা নূর হোছাইন কাসেমী হেফাজতের বিক্ষোভ সমাবেশ সফল করায় দেশবাসীর প্রতি আল্লামা বাবুনগরীর অভিনন্দন ভারতের ম্যাপ থেকে কাশ্মীর বাদ দিল সৌদি আরব ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোকে মুসলিম বিশ্বের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে -জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ বিক্ষোভে উত্তাল ঢাকা: ফ্রান্সের সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্নের দাবি

একজন অমুসলিম যদি সৎ ও ভালো মানুষ হয় তাহলে পরকালে সে কেন মুক্তি পাবে না?

 জাহিদ জাওয়াদ
আমাদের অনেকের মনে এই ধরনের প্রশ্ন উঁকি দেয় যে দুষ্ট কাফেররা জাহান্নামে যাবে এতে কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু তাদের মধ্যে অনেক ভালো মানুষ রয়েছে যারা জ্ঞানে-গুণে, কাজে-কর্মে মুসলমানদের থেকেও অনেক উত্তম। তাহলে এই ভালো মানুষ গুলোকে কেন জাহান্নামে যেতে হবে?
এর উত্তরে থানবী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, এক ব্যক্তি সরকারের ক্ষমতাকে স্বীকার করে তবে সে সবসময়ই অনিয়ম করে বেড়ায়। চুরি করে জুয়া খেলে ইত্যাদি।
তো এমন ব্যক্তির অন্তরে যেহেতু সরকারের ক্ষমতার স্বীকৃতি রয়েছে এজন্য তাকে বিদ্রোহীর সাজা দেওয়া হয় না এবং স্থায়ীভাবে তার অধিকার কেড়ে নেয়া হয়না।
বরং নির্ধারিত সাজা ভোগের পর সে তার সমস্ত নাগরিক সুবিধা ভোগ করতে পারে।
তবে যে ব্যক্তি অত্যন্ত ভদ্র, শিক্ষিত এবং সব ধরনের দুরাচার-অনাচার থেকে মুক্ত কিন্তু সে সরকারের ক্ষমতা কে স্বীকার করেনা। তাহলে তার এই বিদ্রোহের কারণে তাঁকে বিচ্ছিন্ন দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয় অথবা মৃত্যুদণ্ড দিয়ে চিরদিনের জন্য তার বেঁচে থাকার সব অধিকার কেড়ে নেয়া হয়।
বন্ধুগণ! সুতরাং এটা বুঝার চেষ্টা করুন যে ইসলামী আইনের ক্ষেত্রেও বিষয়টি এমন। যার আকিদা ঠিক নেই (আল্লাহকে স্বীকৃতি দেয় না)সে বিদ্রোহী। সে যতই নামাজ-রোজা আদায় করুক অথবা ভদ্র শিক্ষিত হোক সে আল্লাহর দরবার থেকে চিরদিনের জন্য প্রত্যাখ্যাত যদি সে তওবা না করে।
পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি নামায রোযা কিছু আদায় করে না,সব ধরনের অপরাধে লিপ্ত থাকে কিন্তু সে সঠিক আকিদা বিশ্বাস পোষণ করে তো তাকে কানুন ভঙ্গ করার নির্ধারিত শাস্তি ভোগ করতে হবে যদি সে তওবা না করে থাকে।
তবে সে বিদ্রোহী হিসেবে বিবেচিত হবে না। তাই নির্ধারিত সাজার মেয়াদ শেষ হবার পর মুসলমান হিসেবে জান্নাতে গিয়ে সে সব ধরনের নেয়ামত ভোগ করবে।
তবে কারো এই সংশয় হতে পারে যে একজন অমুসলিম কাজে-কর্মে জ্ঞানীগুণী যদি অনন্য হয়ে থাকে তাহলে কি কারণে সে মুক্তি পাবে না?
তো এর উত্তর এটাই যে, একই প্রশ্ন সরকারের বিরুদ্ধে ও হতে পারে যে একজন বিদ্রোহী যে সভ্য ভদ্র বিদ্রোহ ছাড়া তার আর কোন অপরাধ নেই তাহলে কেন তাকে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে?
তো তার শাস্তির কারণ এটাই যে বিদ্রোহ হল এমন অপরাধ যা ব্যাক্তির সমস্ত গুনাগুন ও অর্জন ম্লান করে দেয়। ইসলামী আইনের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।
(আশরাফুল জওয়াব,৩৭৬-৭৭)

এই পোষ্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Design & developed by Masum Billah