বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০৬:৩৪ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
মুফতী রহিমুল্লাহ কাসেমীর ইন্তেকালে আমীরে হেফাজতের শোক প্রকাশ বাংলাদেশে মূর্তি সংস্কৃতির স্থান হবে না – ছাত্র মজলিস সভাপতি হেফাজতের বিরুদ্ধে রাম-বামদের উস্কানি সহ্য করা হবে না: আল্লামা বাবুনগরী মুফতি মুহাম্মদ রহিমুল্লাহ কাসেমির ইন্তেকালে মুফতি ওমর ফারুক সন্ধীপীর শোক আলেমদের নামে বিষোদ্গার এবং ভাস্কর্যের নামে মানবমূর্তি নির্মাণ বন্ধ করুন:আল্লামা নূর হোসেন কাসেমী আলেমদের নামে বিষোদ্গার এবং ভাস্কর্যের নামে মানবমূর্তি নির্মাণ বন্ধ করুন: আল্লামা নূর হোসেন কাসেমী ভাস্কর্য নিয়ে হইচই, ছবি না তুললে হজের ভিসা হয়না, তাহলে হজের বিরুদ্ধে তারা ফতোয়া দিক: মতিয়া চৌধুরী ফেনীর হেফাজত নেতা মুফতি রহিমুল্লাহর আর নেই ধর্মের দোহাই দিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্য বরদাস্ত করা হবে না: এমপি শিবলী ফটিকছড়িতে আমীরে হেফাজত আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে গণ সংবর্ধনা প্রদান

ধর্ষণের অভিযোগকারী ঢাবি ছাত্রী ‘দুশ্চরিত্রা’: ভিপি নুর

যুবকণ্ঠ ডেস্ক;

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে ধর্ষণের সহযোগিতা করার অভিযোগে মামলাকারী সেই ছাত্রীকে ‘দুশ্চরিত্রা’বলেছেন নুর। গত ৮ অক্টোবর রাত থেকে নুর-মামুনসহ আরও চারজনকে গ্রেপ্তারের দাবিতে সেই ছাত্রী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অনশনে বসেন। এরপরই গত রোববার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক লাইভে এসে এ মন্তব্য করেন নুর। যদিও ভুলবশত তিনি ‘দুশ্চরিত্রাহীন’ শব্দটি উচ্চারণ করেছেন বলে মনে হয়েছে।

ভিডিওতে নুর বলেন, ‘আমি তদন্ত করে দেখেছি, ছাত্র অধিকার পরিষদের আব্দুল্লাহ হিল বাকি, নাজমুল হুদা ও সাইফুল ইসলামের এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা নেই।’

নাজমুল কিংবা সোহাগের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে উল্লেখ করে ভিপি নুর আরও বলেন, ‘ছাত্রীর ভাই হাফেজ। তিনি হয়তো মিথ্যা বলবেন না। তিনি বলেছিল যে, নাজমুল হাসান সোহাগ তাদের বাসায় যাওয়া-আসা করতো। তাদের সঙ্গে বিয়ের কথা-বার্তাও হয়েছিল। নাজমুল সোহাগের সঙ্গে ওই ছাত্রীর লঞ্চের কেবিনে হাসি-খুশি যে একটি ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে, যে লঞ্চের কেবিনে ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়েছে- একেবারে হাস্যরসাত্মক। ছিঃ! আমরা ধিক্কার জানাই, এত নাটক যে করছে, দুশ্চরিত্রাহীন। যে স্বেচ্ছায় একজন ছেলের সাথে বিছায় গিয়ে, লঞ্চে হাসিখুশিভাবে…’

লঞ্চে ধর্ষণ করা সম্ভব? প্রশ্ন রেখে নুর বলেন, ‘লঞ্চে পাশাপাশি কেবিন। ধর্ষণ করলে ওই মেয়ে চিৎকার করতে পারতো না? ধর্ষণের পর তারা লঞ্চে ছিল, নিচে নামেনি? মানুষের কাছে বলতে পারত না যে, সোহাগ আমাকে ধর্ষণ করেছে? ধর্ষণ হয়েছে জানুয়ারি মাসে, এতদিন মামলা করতে পারেনি? বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন-প্রক্টরের কাছে একটা লিখিত অভিযোগ দিতে পারেনি? থানায় একটা মামলা করতে পারেনি? এমন অনেক বিষয় আছে।’

উল্লেখ্য, গত ২০ সেপ্টেম্বর রাতে ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে রাজধানীর লালবাগ থানায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রী মামলা করে। এতে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর এবং ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনসহ ছয় জনকে আসামি করা হয়। পরে ওই ঘটনায় কোতায়ালি থানায় আরও একটি মামলা করে ওই ছাত্রী।

আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে গত ৮ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে আমরণ অনশন শুরু করে ওই ছাত্রী। এরপর রোববার ৪ ছাত্র নেতাকে তুলে নিয়ে দুইকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। তারা হলেন, ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাইফুল ইসলাম এবং ঢাবি শাখার সহ-সভাপতি নাজমুল হুদা।

এই পোষ্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Design & developed by Masum Billah