বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্য শাখার ভার্চুয়াল নির্বাহী সভা অনুষ্ঠিত.. অবশেষে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব ইসলামী আন্দোলনের দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা বিশ্বজুড়ে পণ্য বর্জনের ডাকে প্রবল ঝুঁকিতে ফ্রান্সের অর্থনীতি বয়কট ফ্রান্স আন্দোলন: রেচেপ তায়েপ এর্দোয়ান ফরাসী পণ্য বর্জনের ডাক দিলেন ফ্রান্সের তাগুতী শক্তি অচিরেই ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে। আবার জেগেছে হেফাজত: শুক্রবার দেশব্যাপী বিক্ষোভের ডাক মুসলমানদের কটাক্ষ করে রীতিমতো খলনায়ক বনে গেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট পাকিস্তানের একটি মাদরাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ৭ তালিবুল ইলম শহীদ ৬০ মিনিটের সাক্ষাৎকারে ১৬টি মিথ্যা বলেছেন ট্রাম্প

ফেনীতে আজ আবারো ধর্ষণবিরোধী আন্দোলনে হামলা ছাত্রলীগের

আশরাফ মাহদী
ফেনীতে আজ আবারো ধর্ষণবিরোধী আন্দোলনে হামলা ছাত্রলীগের। ঢাকা টু নোয়াখালি লংমার্চ কর্মসূচী চলাকালে গাড়ি ফেনী পৌছতেই তাদের উপর হামলে পড়ে লীগের গুন্ডা বাহিনী। নির্মমভাবে আহত করে আন্দোলনকারীদের।
ছাত্রলীগের যুক্তিটা হয়তো এমন,
“কোন সাহসে আন্দোলন করবে আমাদের স্বজাতীর বিরুদ্ধে? যেখানে আমাদের সেল্টার দিয়ে যাচ্ছে নেত্রী নিজেই। প্রদিপ আর দেলোয়ারের আয়েশী কারাজীবন দেখে এইটুকুও কি বুঝিস না তোরা?”
সম্প্রতি সেনাপ্রধানের ফাস হওয়া ফোলানাপের তথ্য যদি সত্য হয় তাহলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গুম খুনসহ বড় বড় অপরাধের আসামী হয়ে যাবেন৷ এ ব্যাপারে তার নীরবতা জনমনে সন্দেহ শুধু বাড়াচ্ছেই। কিন্তু কোথাও কোন প্রতিবাদ নেই। জবাবদিহিতার কথাও ভাবতে হচ্ছে না। সেনাপ্রধান যদি প্রধানমন্ত্রীর ব্যাপারে মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা৷ কিন্তু সেটা না করে সেনাপ্রধানকে এম্বাসেডর হয়ে বিদেশ চলে যাওয়ার প্রস্তাব করা হল।
সরকারপক্ষের আচরণ তো সেনাপ্রধানের তথ্য সত্যতার ইঙ্গিতই বহন করে। নূন্যতম জবাবদিহিতা আছে এমন কোন রাষ্ট্রেও যদি প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এত গুরুতর অভিযোগ উঠতো তাহলে তাকে কড়া জবাবদিহিতার মুখোমুখি হতে হত। কিন্তু আমাদের দেশে এসব ঘটনা পর্দার আড়ালেই ঘটে যাচ্ছে। দুইচারজন প্রবাসী মেজর জেনারেল ও ইন্টেলেকচুয়ালরা মুখ না খুললে আলোচনাটা হয়তো পর্দার আড়ালেই কবর দেওয়া হয়ে যেত।
তো পর্দার আড়ালে এত বড় ঘটনা যেখানে ঘটে যাচ্ছে সেখানে ধর্ষকরা তো চুনোপুঁটি। চুনোপুঁটিদের দিয়েও কি কম কাজ হয় বলেন? ভোটকেন্দ্র দখল করা লাগে। দলের লোকদের জমিজমা দখলে নিয়ে দিতে হয়। ক্যাম্পাসে ত্রাস সৃষ্টি করে প্রতিবাদীদের দমন করতে হয়। আরো কত কাজ! আরো ধর্ষক দেলোয়ার ও সন্ত্রাসী প্রদীপ প্রয়োজন খুব সহসাই ফুরাবার নয়। কারণ এরাই এখন ক্ষমতায় টিকে থাকার শেষ সম্বল।
আমরা ১৯৭১ এর কালো অধ্যায় দেখিনি, তবে সেকালের স্বৈরাচারদের শাবকগুলো দেখছি। যাদের ক্ষমতার লোভের কাছে জনগণের জান-মাল ইজ্জত-আব্রু মূল্যহীন।

এই পোষ্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Design & developed by Masum Billah