বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্য শাখার ভার্চুয়াল নির্বাহী সভা অনুষ্ঠিত.. অবশেষে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব ইসলামী আন্দোলনের দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা বিশ্বজুড়ে পণ্য বর্জনের ডাকে প্রবল ঝুঁকিতে ফ্রান্সের অর্থনীতি বয়কট ফ্রান্স আন্দোলন: রেচেপ তায়েপ এর্দোয়ান ফরাসী পণ্য বর্জনের ডাক দিলেন ফ্রান্সের তাগুতী শক্তি অচিরেই ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে। আবার জেগেছে হেফাজত: শুক্রবার দেশব্যাপী বিক্ষোভের ডাক মুসলমানদের কটাক্ষ করে রীতিমতো খলনায়ক বনে গেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট পাকিস্তানের একটি মাদরাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ৭ তালিবুল ইলম শহীদ ৬০ মিনিটের সাক্ষাৎকারে ১৬টি মিথ্যা বলেছেন ট্রাম্প

রায়হানের ওপর পুলিশের বর্বরতা, শরীরে ১১১টি আঘাতের চিহ্ন

যুবকণ্ঠ ডেস্ক;

সিলেটে বন্দরবাজার ফাঁড়িতে পুলিশ হেফাজতে মারা যাওয়া রায়হানের ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট পাওয়া গেছে।  রিপোর্ট বলছে, রায়হানকে ধরে ফাঁড়িতে এনে তার ওপর বর্বর নির্যাতন চালানো হয়েছে।  তার শরীরে ১১১টি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।  এর মধ্যে ১৪টি ছিল গুরুতর।  তার দুটি আঙুলের নখ উপড়ে ফেলা হয়েছে। আর এমন নির্যাতন চালানো হয় তার মৃত্যুর ২ থেকে ৪ ঘণ্টা আগে।

এছাড়া তার শরীরে চামড়ার নিচ থেকে প্রায় ২ লিটার রক্ত পাওয়া গেছে। রায়হানের লাশের ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে এসব তথ্য উল্লে­খ করা হয়েছে। রিপোর্টটি যুগান্তরের হাতে এসেছে।

সিসি ক্যামেরার ফুটেজ অনুযায়ী, ১০ অক্টোবর রাত ৩টা ৯ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডে স্বাভাবিক অবস্থায় রায়হানকে সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে ধরে আনা হয়। পরে সকাল ৬টা ২৪ মিনিট ২৪ সেকেন্ডে ফাঁড়ি থেকে বের করা হয়। ৬টা ৪০ মিনিটে ভর্তি করা হয় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে তিনি মারা যান।

ওই হাসপাতালেই বেলা ১টা থেকে দেড়টার মধ্যে লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। ১৫ অক্টোবর সেই ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট মামলার তদন্তের দায়িত্বে থাকা পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়, রায়হানের মৃত্যুর ২ থেকে ৪ ঘণ্টা আগে তার ওপর নির্মম নির্যাতন চালানো হয়। সে হিসেবে ফাঁড়িতে আনার পর থেকেই তার ওপর নির্যাতন চলে।

রিপোর্টে বলা হয়, রায়হানের ডান হাতের কনিষ্ঠ আঙুল আর বাম হাতের অনামিকার নখ উপড়ানো ছিল। অসংখ্য আঘাতের কারণে হাইপোভলিউমিক শক ও নিউরোজেনিক শকে মস্তিষ্ক, হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস, কিডনিসহ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলো কর্মক্ষমতা হারানোর কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃত্যুর পূর্ণাঙ্গ কারণ ভিসেরা প্রতিবেদন পাওয়ার পর বলা যাবে বলে প্রাথমিক প্রতিবেদনে উল্লে­খ করা হয়।

এই পোষ্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Design & developed by Masum Billah