বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
পাকিস্তানে ধর্ষকদের পুরুষাঙ্গ অকেজোর সাজা অনুমোদন আগামী প্রজন্মকে ধর্মহীন বানানোর চক্রান্ত চলছে: ইসলামী ঐক্য আন্দোলন ওয়াজ মাহফিল: সমাজ সংস্কার ও শুদ্ধ মানুষ গড়ার অনন্য আয়োজন ‘বাজার-ঘাটে মুখে মাস্ক নেই, মসজিদে না পরে আসলি যত সমস্যা’ বিশ্বে একদিনে আবারো সর্বোচ্চ প্রাণহানি উইঘুর মুসলিমদের নির্যাতিত বলায় পোপকেও ছাড় দেয়নি চীন আমার কণ্ঠ চেপে ধরলেও মূর্তি ও ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে বলেই যাবো: মাওলানা মামুনুল হক আল্লামা আহমদ শফী রহ. পরিষদে মূসা সভাপতি ও রাজী সেক্রেটারী জেনারেল নির্বাচিত করোনায় আক্রান্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র সচিব চরমোনাই পীর ও মামুনুল হকের কিছু হলে তৌহিদী জনতা বসে থাকবে না

ইসরায়েলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক স্থাপন বাহরাইনের

যুবকণ্ঠ ডেস্ক;

চতুর্থ আরব দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেছে সৌদি আরবের মিত্র বাহরাইন। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় বাহরাইনের রাজধানী মানামায় রবিবার এই চুক্তিটি সই হয়।

মিসর, জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পর চতুর্থ আরব দেশ হিসেবে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিয়েছে বাহরাইন। এমনকি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চুক্তির বিরোধিতা করলে নাগরিকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটি।

রবিবার সন্ধ্যায় মানামায় এক অনুষ্ঠানে বাহরাইনি ও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষ্যে একটি যৌথ চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন। এখন দুই দেশেই পরস্পরের দূতাবাস খোলার কথা রয়েছে।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে যে, এ সংক্রান্ত নথিতে ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘর্ষ নিয়ে কিছুর উল্লেখ ছিল না।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুললতিফ বিন রশিদ আল-জায়ানি বলেন, তিনি প্রতিটি ক্ষেত্রে ফলপ্রসূ দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা প্রত্যাশা করছেন।

ইসরায়েলের জন্মলগ্ন থেকেই বেশিরভাগ আরব রাষ্ট্র এটিকে একটি দখলদার শক্তি হিসেবে বিবেচনা করে আসছে। ফলে স্বভাবতই এতোদিন ধরে ইসরায়েলকে বয়কট করে আসছিল তারা। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সৌদিসহ বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্কের নাটকীয় উন্নতির খবর এসেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোতে।

২০১৮ সালের এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাময়িকী দ্য আটলান্টিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান স্পষ্ট ভাষায় বলেন, বহু বিষয়ে ইসরায়েলের সঙ্গে সৌদি আরবের অভিন্ন স্বার্থ রয়েছে। একইসঙ্গে তিনি মার্কিন নীতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ফিলিস্তিনের ভূখণ্ড দখল করে জন্ম নেওয়া ইসরায়েল রাষ্ট্রের অস্তিত্বের অধিকারের পক্ষে নিজের অবস্থানের কথা জানান। এর দুই বছরের মাথায় রিয়াদের দুই মিত্র সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে।

দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলমুখী বা ইসরায়েল থেকে ছেড়ে যাওয়া বিমানগুলোকে সৌদি আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেওয়া হয় না। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রিয়াদের এ নীতির পরিবর্তন হয়েছে। আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক স্থাপনের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সৌদি আকাশসীমা হয়ে বাহরাইনে পৌঁছায় ইসরায়েলি প্রতিনিধি দলকে বহনকারী ফ্লাইট।

এই কূটনীতিতে সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে আঞ্চলিক বৈরিতা একটি ভূমিকা রেখেছে। ধর্মীয় বিভাজনের কারণে অর্থাৎ শিয়া মুসলিম শাসিত ইরানের সঙ্গে সুন্নি মুসলিম শাসিত সৌদি আরবের সম্পর্ক গত এক দশকে আরও বৈরী হয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইন দুই দেশই সৌদি আরবের মিত্র। এর আগে নানা অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগের সময় এই দুই দেশ ইরানকে নিয়ে তাদের উদ্বেগের বিষয়টি ইসরায়েলের কাছে প্রকাশ করেছে।

ইসরায়েলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্টিভ নুচিনও উপস্থিত ছিলেন। মঙ্গলবার সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইসরায়েলের প্রথম প্রতিনিধি দলের সঙ্গে তার যাওয়ার কথা রয়েছে।

 

এই পোষ্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Design & developed by Masum Billah