বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০৬:৫৩ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
মুফতী রহিমুল্লাহ কাসেমীর ইন্তেকালে আমীরে হেফাজতের শোক প্রকাশ বাংলাদেশে মূর্তি সংস্কৃতির স্থান হবে না – ছাত্র মজলিস সভাপতি হেফাজতের বিরুদ্ধে রাম-বামদের উস্কানি সহ্য করা হবে না: আল্লামা বাবুনগরী মুফতি মুহাম্মদ রহিমুল্লাহ কাসেমির ইন্তেকালে মুফতি ওমর ফারুক সন্ধীপীর শোক আলেমদের নামে বিষোদ্গার এবং ভাস্কর্যের নামে মানবমূর্তি নির্মাণ বন্ধ করুন:আল্লামা নূর হোসেন কাসেমী আলেমদের নামে বিষোদ্গার এবং ভাস্কর্যের নামে মানবমূর্তি নির্মাণ বন্ধ করুন: আল্লামা নূর হোসেন কাসেমী ভাস্কর্য নিয়ে হইচই, ছবি না তুললে হজের ভিসা হয়না, তাহলে হজের বিরুদ্ধে তারা ফতোয়া দিক: মতিয়া চৌধুরী ফেনীর হেফাজত নেতা মুফতি রহিমুল্লাহর আর নেই ধর্মের দোহাই দিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্য বরদাস্ত করা হবে না: এমপি শিবলী ফটিকছড়িতে আমীরে হেফাজত আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে গণ সংবর্ধনা প্রদান

ফেব্রুয়ারির মধ্যে করোনা আক্রান্ত হবে ভারতের অর্ধেক মানুষ!

যুবকণ্ঠ ডেস্ক;

করোনাভাইরাসে সংক্রমণের তালিকায় আমেরিকার পরেই রয়েছে ভারত। সংক্রমণের এ মাত্রা আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে আরও বাড়তে পারে। দেশটির ফেডারেল গভর্নমেন্ট কমিটির এক সদস্য দাবি করেছেন, আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যেই ভারতের অর্ধেকের বেশি মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে।

সেই হিসাবে দেশটির ১৩০ কোটি নাগরিকের ৬৫ কোটিই করোনা সংক্রমিত হতে পারে। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী, সোমবার পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ৭৫ লাখের বেশি। গত সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝিতে সংক্রমণ শিখর ছোঁয়ার পর ক্রমশ কমছে আক্রান্তের সংখ্যা। দৈনিক সংক্রমণ প্রায় লাখ থেকে কমে ৬১ হাজারে নেমে এসেছে।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম ‘এই সময়’ জানিয়েছে, সরকার গঠিত ১০ সদস্যের কমিটি গত রোববার (১৮ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে একটি রিপোর্ট জমা দিয়েছে। ওই কমিটির সদস্য মণীন্দ্র আগরওয়াল বলেছেন, ‘আমাদের গাণিতিক মডেলের হিসাব অনুযায়ী ভারতের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩০ শতাংশ ইতোমধ্যেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। নতুন বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যেই এই ৩০ শতাংশ ৫০ শতাংশে পৌঁছতে পারে।’

কানপুরের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট ফর টেকনোলজির এ অধ্যাপক দাবি করেন, সরকারের ‘সেরো সমীক্ষায়’ যা উল্লেখ করা হয়েছে, তার থেকে ভারতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটাই বেশি। সেরোলজিক্যাল সমীক্ষা মতে, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভারতীয় জনসংখ্যার মাত্র ১৪ শতাংশ কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছেন।

তবে মণীন্দ্র আগরওয়ালের মতে, এই সমীক্ষায় সংক্রমণের সঠিক হিসাব তুলে ধরা সম্ভব নয়। ১০ সদস্যের এই কমিটির প্রধান ভিকে পাল। কমিটির দায়িত্ব ছিলো, ভারতে করোনাভাইরাসের অগ্রগতি নিয়ে সমীক্ষা পরিচালনা।

কমিটির রিপোর্টে বলা হয়, আসন্ন উৎ‌সবগুলোতে বাড়তি সতর্কতা না নিলে সামনের মাসে দেশে উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। কেবল এক মাসে নতুন কভিড পজিটিভ কেস ২৬ লাখ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

 

এই পোষ্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Design & developed by Masum Billah