বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ১২:৪১ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
আগামী প্রজন্মকে ধর্মহীন বানানোর চক্রান্ত চলছে: ইসলামী ঐক্য আন্দোলন ওয়াজ মাহফিল: সমাজ সংস্কার ও শুদ্ধ মানুষ গড়ার অনন্য আয়োজন ‘বাজার-ঘাটে মুখে মাস্ক নেই, মসজিদে না পরে আসলি যত সমস্যা’ বিশ্বে একদিনে আবারো সর্বোচ্চ প্রাণহানি উইঘুর মুসলিমদের নির্যাতিত বলায় পোপকেও ছাড় দেয়নি চীন আমার কণ্ঠ চেপে ধরলেও মূর্তি ও ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে বলেই যাবো: মাওলানা মামুনুল হক আল্লামা আহমদ শফী রহ. পরিষদে মূসা সভাপতি ও রাজী সেক্রেটারী জেনারেল নির্বাচিত করোনায় আক্রান্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র সচিব চরমোনাই পীর ও মামুনুল হকের কিছু হলে তৌহিদী জনতা বসে থাকবে না মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে গাজীপুরে যুব মজলিসের বিক্ষোভ

বিদায়ের সময় কি “আল্লাহ হাফেজ”বলা উচিত?

জাহিদ জাওয়াদ

“সালাম ও “আল্লাহ হাফেজ”শব্দ দুটি নিয়ে জনৈক অধ্যাপকের অযাচিত মন্তব্যের পর সোশাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় ওঠে।
প্রতিবাদের অভিনব কায়দা হিসেবে সবাই সালাম ও আল্লাহ হাফেজ লিখে পোস্ট দেয়া শুরু করেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় পর্যন্ত এই আন্দোলন সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
সংগত কারণেই এই আন্দোলনের পক্ষে আমার অবস্থান এবং প্রতিটি মুসলমানেরই এই অবস্থান গ্রহণ করা জরুরি।
তবে একটি বিষয়ে আমার দৃষ্টি আকর্ষণ রয়েছে।সবাই যেভাবে “সালাম দিয়ে শেষে বলছে ভালো থাকবেন আল্লাহ হাফেজ” এর দ্বারা এই ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হতে পারে যে, বিদায়ের সময় “আল্লাহ হাফেজ”বলতে হয়।অথচ এটা সঠিক পদ্ধতি নয়।
বরং বিদায়ের সময় সুন্নত হল সালাম বলা। হযরত আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ
“তোমাদের মধ্যে কেউ কোন মাজলিসে উপস্থিত হলে সে যেন সালাম করে, তারপর তার ইচ্ছা হলে বসে পড়বে। তারপর সে যখন উঠে দাঁড়াবে, তখনো যেন সালাম করে। কেননা পরের সালামের চাইতে প্রথম সালাম বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়।”
(জামে’তিরমিজি, ২৭০৬)
সুতরাং বিদায়কালে শুধু “আল্লাহ হাফেজ” বা “খোদা হাফেজ” বলা সুন্নতের খেলাফ ও অনুচিত।তবে সালামের পাশাপাশি এগুলো বলার সুযোগ আছে।

এই পোষ্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Design & developed by Masum Billah