বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ০৫:০১ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
চরমোনাই পীর ও মামুনুল হকের কিছু হলে তৌহিদী জনতা বসে থাকবে না মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে গাজীপুরে যুব মজলিসের বিক্ষোভ ময়মনসিংহে যুব মজলিসের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত!! মামুনুল হক যে বক্তব্য দেন তা রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল: রাব্বানী মাস্কের হাটে কারও মুখে মাস্ক নেই কেন রাজধানীর মহাখালীর সাততলা বস্তির আগুনে পুড়ে গেছে ২০০ ঘর ও ৩৫টির বেশি দোকান মুফতি ফয়জুল করীম ও মাও. মামুনুল হকের কিছু হলে তৌহিদী জনতা বসে থাকবে না: মুফতি আবদুল্লাহ ইয়াহইয়া “কথিত ‘মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ’ কর্তৃক ওলামায়ে কেরামদেরকে বিষোদগার ও ওয়াজ মাহফিলে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন” ইসলামের দৃষ্টিতে মূর্তি ও ভাস্কর্য ভাস্কর্য না করে স্মৃতি মিনার করুন, তাতে বঙ্গবন্ধুর আত্মা শান্তি পাবে : মুফতী ফয়জুল করীম

ফ্রান্স : অসভ্যতার পৃষ্ঠপোষক

হাবিবুল্লাহ সিরাজ:

ফ্রান্স কোন সভ্য জাতি নয়। ফ্রান্সের বিগত তিনশ বছরের ইতিহাসে এই সত্যটুকু বারবার সামনে এসেছে। শক্তির লড়াইয়ে বারবার অন্যের জমি দখলের সংস্কৃতি তাদের মধ্যে প্রবল। তার সা¤্রাজ্যবাদী শক্তি বুঝাতে আমাদের গুগলই সব স্পষ্ট করে বলে দেয়। মিথ্যা শক্তির জোর খাটিয়ে তারা আমেরিকা আফ্রিকা ও ভারত উপমহাদেশের কোন কোন অঞ্চল দখল করে নেই। গুগলে লেখা আছে- আবিষ্কারের যুগে স্পেনীয় এবং পর্তুগিজদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে ফরাসিরাও উত্তর আমেরিকা, ক্যারিবীয় (আফ্রিকা) অঞ্চল এবং ভারতীয় উপমহাদেশে উপনিবেশ স্থাপন করা শুরু করে এবং ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে আধিপত্যের লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়। ১৮শ শতকে ও ১৯শ শতকের শুরুর দিকে যুক্তরাজ্যের সাথে ধারাবাহিকভাবে কতগুলি যুদ্ধে পরাজিত হবার পর ফ্রান্স তার ঔপনিবেশিক অভিলাষ সাময়িকভাবে বিসর্জন দিতে বাধ্য হয় এবং এর সাথে সাথে ‘প্রথম’ ফরাসি ঔপনিবেশিক সা¤্রাজ্যের সমাপ্তি ঘটে। ১৯শ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে ফ্রান্স আফ্রিকা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে নতুন করে ঔপনিবেশিক সা¤্রাজ্য স্থাপন করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়েও এই উপনিবেশগুলি ফ্রান্সের অনুগত ছিল।
ফ্রান্স ১৯৫০-এর দশকে এবং ১৯৬০-এর দশকের শুরুতে ভিয়েতনাম ও আলজেরিয়াতে ঔপনিবেশিক নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার জন্য যুদ্ধ করে, কিন্তু ব্যর্থ হয়। ১৯৬০-এর দশকে শেষ দিকে বিভিন্ন মহাসাগরে অবস্থিত কয়েকটি দ্বীপপুঞ্জ বাদে ফ্রান্সের বেশির ভাগ উপনিবেশ স্বাধীনতা লাভ করে। অবশিষ্ট অঞ্চলগুলিকে ফ্রান্সের অংশ করে নেওয়া হয়। যেমন রিইউনিয়ন) মাদাগাস্কার এর পাশের একটি দ্বীপ এখনো ফ্রান্স শাসন করে। অথচ ফ্রান্স থেকে তার দূরত্ব ৯হাজার কিলোমিটার।
এই পেশিশক্তির অসভ্যগুলো সব সময়ই অন্যের ক্ষতি করে এসেছে। এখনো আফ্রিকার ১৪টি দেশ থেকে জোরপূর্বক চড়া কর আদায় করে। শুধু তা-ই নং, যেসব দেশ তাদের উপনিবেশে আছে; ওই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা তারা একেবারে পঙ্গু করে দেয়। যাতে কোন তাদের থেকে কোন নেতৃত্ব গড়ে উঠতে না পারে। নিচের একটি সাধারণ তালিকা দেওয়া হলো যেখানে তাদের আধিপত্ত প্রতিষ্ঠিত সেই সব দেশের শিক্ষার হার- বেনিন (৪০%), বুর্কিনা ফাসো (২৬%), চাদ (৩৪%), আইভরি কোস্ট (৪৯%), গায়ানা (২৯%), মালি (২৩%), নাইজার (২৯%) এবং সেনেগাল (৪২%)।
শুধু যে তারা মানুষের উপর অর্থনৈতিক ও শিক্ষাহরণ নির্যাতন করেছে এমন নয়, তাদের মানুষকে পশুর মতো নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করেছে অগণিত বনী আদম। বিশেষ করে মুসলিম দেশ আলজিয়ার পথেপ্রান্তে এখনো তাদের রক্তের দাগ শুকায়নি। ফরাসী দখলদার বাহিনীর অবর্ণন নির্যাতন নিপীড়ন এখন আলজেরীয়রা ভুলেনি। তিউনিশিয়া সোমালিয়াতেই তাদের আধিপত্ত ছিল। আজকে সভ্যতার দাবীদার পাঠাদের কাছ থেকে আর কিইবা আশা করা যায়?

এই পোষ্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Design & developed by Masum Billah