মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ইসলামের দৃষ্টিতে মূর্তি ও ভাস্কর্য ভাস্কর্য না করে স্মৃতি মিনার করুন, তাতে বঙ্গবন্ধুর আত্মা শান্তি পাবে : মুফতী ফয়জুল করীম মহাখালীতে সাততলা বস্তিতে আগুন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন জামালপুর-২ আসনের এমপি ফরিদুল হক খান মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কে অনতিবিলম্বে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে: সম্মিলিত কওমী প্রজন্ম ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইসলামে মূর্তি ও ভাস্কর্য অবৈধ: ড. ইউসুফ আল-কারযাভী ভাস্কর্য ও মূর্তির অপব্যাখ্যাকারীরা হক্কানী আলেম হতে পারে না : বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন নামাজরত অবস্থায় ইমামের মৃত্যু উগ্রবাদী ও পাকিস্তানপন্থীরা এখন হেফাজতের নেতৃত্বে: মাওলানা জিয়াউল হাসান সময় এসেছে ওআইসির নেতৃত্বে সর্বভারতীয় মুসলিম দল গড়ার

মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে হাফিজুর রহমান ছিদ্দিকদের ষড়যন্ত্র কেন?

মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন

আমি আজ এমন একটি বিষয় নিয়ে লিখছি যে ধরনের বিষয়কে আমি বরাবরই এড়িয়ে চলি। আলেম উলামাদের পারস্পরিক দ্বন্দ-বিরোধ নিয়ে ফেসবুকে পোষ্ট করা থেকে নিজেকে দুরে রাখার চেষ্টা করি।কিন্তু আজকের বিষযটি জনসম্মূখে আনা প্রয়োজন মনে করছি অনেক কারণে।কারণের ব্যখ্যায় না গিয়ে মূল প্রসঙ্গে যাই।
বিগত ৪ অক্টোবর বুধবার মাওলানা হাফিজুর রহমান ছিদ্দিকের মাহফিল ছিলো কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ উপজেলায়। মাওলানা হাফিজুর রহমান ছিদ্দিকের কিশোরগন্জ, ভৈরব তৎপ্বার্শ্ববর্তি এলাকার মাহফিলের দাওয়াত কনফার্ম করেন ভৈরবের মাওলানা মুখতার হোসাইন রায়পুরি।সাধারণত এই এলাকায় মাওলানা হাফিজের সব মাহফিলেই মাওলানা রায়পুরি থাকেন। মাহফিল শেষে ঢাকায় ফেরার পথে ভৈরব কমলপুর নূর মসজিদ সংলগ্ন স্হানিয় কয়েকজন আলেমের ব্যবসায়ী অফিস পরিদর্শন করানোর জন্য মাওলানা রায়পুরি মাওলানা হাফিজুর রহমানকে নিয়ে আসেন। এসময় ঐ অফিসে মাওলানা হাফিজুর রহমানের সাথে মিলিত হওয়ার জন্য উক্ত অফিসের অন্যতম স্বত্বাধিরী মাওলানা ইসমাঈল সরকার,আলহেরা মহিলা মাদরাসা ভৈরবের শায়খুল হাদীস মাওলানা নজরুল ইসলাম ও জামিয়া রাহমানিয়া বেড়তলার শায়খুল হাদীস মাওলানা মোহাম্মদ আলী প্রমূখ উপস্হিত হন। এসময় সেখানে হেফাজতের ২ অক্টোবরের ফ্রান্স দূতাবাস ঘেরাও সহ বিভিন্ন প্রসঙ্গে কথাবার্তা হয়। একপর্যায়ে মাওলানা মামুনুল হকের প্রসঙ্গ আসলে মাওলানা হাফিজুর রহমান বলে উঠেন মামুইন্যারে (মাওলানা মামুনুল হক)সাইজ করা হবে। বাবুনগরীর সাথেও কথাবার্তা হয়েছে । হেফাজতের নতুন কমিটি হবে মামুইন্যারে সেই কমিটির বাইরে রাখা হবে।ওর ব্যাপারে সরকারের ডিসশনও চূড়ান্ত। হেফাজতের বাইরে রেখে মামলা দিয়ে ভিতরে ঢুকাইয়া দেওয়া হবে । তারপরে বুঝবে।
মাওলানা হাফিজের এমন বেয়াদবী ও ষড়যন্ত্রমূলক কথাবার্তা শুনে উপস্হিত উলামায়ে কেরাম থ হয়ে যান।তারা ভদ্রোচিতভাবে তার কথার প্রতিবাদ করলেও শুধুমাত্র মেহমান হওয়ার কারণে তার সাথে অসৌজন্যমূলক আচরন করেননি।
পরদিন আমি বাড়ীতে(ভৈরব) গেলে মাওলানা রায়পুরী সহ উল্লেখিত সকলের উপস্হিতিতে বিষয়টি জানতে পেরেছি।
এখন আমার কথা হলো, মাওলানা হাফিজ কেন মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে লাগলেন। তার কথায় স্পষ্ট বুঝা যায় মাওলানা মামুনুল হকের কন্ঠকে স্তব্ধ করতে মামলা- হামলা করার ষড়যন্ত্র চলছে
আর সেই ষড়যন্ত্রের সাথে মাওলানা হাফিজও জড়িত।কিন্তু কেন? এই ষড়যন্ত্রের সাথে পতিত দালাল ও কথিত বুযুর্গ নামের কিছু আলেমের সংশ্লিষ্টতাও শুনতে পাচ্ছি। তাদের ব্যপারে সুনির্দিষ্ট প্রমান পাওয়ার পর জানাবো।
মাওলানা মামুনুল হকের জনপ্রিয়তাই কি তার অপরাধ?নাকি ইসলামের পক্ষে বলিষ্ট ও জোড়ালো বক্তব্য দেওয়া তার অপরাধ? যে বক্তব্য ইসলাম বিরুধীদের মতো এই আলেম নামধারীদেরও হৃদকম্পন শুরু হয়?
আল্লাহর কাছে দোয়া করি,মাওলানা মামুনুল হককে সকল ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে ইসলামের পক্ষে আরো বলিষ্ট ভূমিকা রাখার তাওফিক দান করুন।আমীন।

এই পোষ্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Design & developed by Masum Billah