বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ধর্মের দোহাই দিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্য বরদাস্ত করা হবে না: এমপি শিবলী ফটিকছড়িতে আমীরে হেফাজত আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে গণ সংবর্ধনা প্রদান পাকিস্তানে ধর্ষকদের পুরুষাঙ্গ অকেজোর সাজা অনুমোদন আগামী প্রজন্মকে ধর্মহীন বানানোর চক্রান্ত চলছে: ইসলামী ঐক্য আন্দোলন ওয়াজ মাহফিল: সমাজ সংস্কার ও শুদ্ধ মানুষ গড়ার অনন্য আয়োজন ‘বাজার-ঘাটে মুখে মাস্ক নেই, মসজিদে না পরে আসলি যত সমস্যা’ বিশ্বে একদিনে আবারো সর্বোচ্চ প্রাণহানি উইঘুর মুসলিমদের নির্যাতিত বলায় পোপকেও ছাড় দেয়নি চীন আমার কণ্ঠ চেপে ধরলেও মূর্তি ও ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে বলেই যাবো: মাওলানা মামুনুল হক আল্লামা আহমদ শফী রহ. পরিষদে মূসা সভাপতি ও রাজী সেক্রেটারী জেনারেল নির্বাচিত

সংখ্যালঘু নির্যাতনের কাল্পনিক অভিযোগ তোলে ইসলাম ও দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মেনে নেয়া হবেনা! মুফতী সাখাওয়াত হুসাইন রাজী

‘জয় শ্রীরাম’ ‘হেফাজতের গালে গালে’ ‘চরমোনাইর গালে গালে’ ‘একটা একটা জবাই কর’ -উগ্রবাদের দোসর
“জাগো হিন্দু পরিষদ চট্টগ্রাম জেলা” এর কয়েকজন কর্মীর এমন উস্কানিমূলক স্লোগানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। হিন্দু-বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের আহবানে তারা আজ মাঠে নামে।
হেফাজত, কওমী কিংবা চরমোনাই কারো সঙ্গে হিন্দু-বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের দুশমনি থাকার কথা নয়। কেননা, সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে তাদের কোন বক্তৃতা কিংবা কর্মসূচি নেই। এছাড়া বাংলাদেশের ইতিহাসে সংখ্যালঘুরা কোন ইসলামপন্থী দলের আক্রমণের শিকার হয়েছে এমন নজির খুঁজে পাওয়া যাবে না। এদেশের সংখ্যালঘুরা পৃথিবীর যেকোনো দেশের সংখ্যালঘুদের চাইতে শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে আছে। এদেশে ধর্মের নামে কোন সংখ্যালঘুর উপর আক্রমণ হয় না। যদি অন্য কোন কারণে কোথাও সংখ্যালঘুরা ক্ষতিগ্রস্ত হয় আমরা তারও প্রতিবাদ করি এবং নিন্দা জানাই। এর পরেও তাদের এ ধরনের উস্কানিমূলক কর্মসূচি কেন? যেই জয় শ্রীরাম স্লোগান দিয়ে পাশের দেশে মুসলমানদের হত্যা করা হচ্ছে সেই শ্লোগান বাংলাদেশে কেন?
উত্তরটা একেবারে সহজ। তারা যেই সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক শ্লোগান দিচ্ছে সেই সংগঠনগুলো ভারতের জুলুম নির্যাতন এবং নিপীড়নের বিরুদ্ধে কথা বলে, সীমান্তে হত্যার বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলে। সেই সংগঠনগুলো ভারতে মুসলিম নির্যাতনের বিরুদ্ধে কথা বলে, মোদি সরকারের ভারত থেকে মুসলিম তাড়ানো এবং মসজিদ ধ্বংসের প্রতিবাদ করে।
একটা স্বাধীন দেশে বসে অন্য দেশের দালালী করা হবে, অন্যদেশের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা হবে, সংখ্যালঘু নির্যাতনের কাল্পনিক অভিযোগ তোলে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হবে, দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য উস্কানিমূলক কর্মসূচি ও উগ্রতা প্রদর্শন করা হবে তা কখনোই মেনে নেয়া যায়না। ওরা পরিষ্কারভাবে দেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। সরকারের এখনই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া দরকার। না হলে দেশের স্বাধীনতা বিপন্ন হতে পারে!

এই পোষ্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Design & developed by Masum Billah