বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
চরমোনাই পীর ও মামুনুল হকের কিছু হলে তৌহিদী জনতা বসে থাকবে না মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে গাজীপুরে যুব মজলিসের বিক্ষোভ ময়মনসিংহে যুব মজলিসের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত!! মামুনুল হক যে বক্তব্য দেন তা রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল: রাব্বানী মাস্কের হাটে কারও মুখে মাস্ক নেই কেন রাজধানীর মহাখালীর সাততলা বস্তির আগুনে পুড়ে গেছে ২০০ ঘর ও ৩৫টির বেশি দোকান মুফতি ফয়জুল করীম ও মাও. মামুনুল হকের কিছু হলে তৌহিদী জনতা বসে থাকবে না: মুফতি আবদুল্লাহ ইয়াহইয়া “কথিত ‘মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ’ কর্তৃক ওলামায়ে কেরামদেরকে বিষোদগার ও ওয়াজ মাহফিলে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন” ইসলামের দৃষ্টিতে মূর্তি ও ভাস্কর্য ভাস্কর্য না করে স্মৃতি মিনার করুন, তাতে বঙ্গবন্ধুর আত্মা শান্তি পাবে : মুফতী ফয়জুল করীম

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ব্যবসা আর কতদিন করবেন:প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে মাওলানা সাখাওয়াত রাজি

যুবকণ্ঠ ডেস্ক;

মুক্তিযুদ্ধের মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নাম দিয়ে মূর্তি বানিয়ে ব্যবসা আর কতদিন করবেন জানতে চেয়ে হুশিয়ারি দিয়েছেন ইসলামী যুব খেলাফত বাংলাদেশের সভাপতি মুফতী সাখাওয়াত হোসাইন রাজী।

আজ শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) বিকাল ৩ টায় রাজধানীর বিএমএ অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে ‘শানে রিসালাত কনফারেন্স’ বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সাখাওয়াত হোসাইন রাজী বলেন,আজ আমাদের বলা হচ্ছে এটা বঙ্গবন্ধুর মূর্তি আপনারা কথা বলবেন না!এ নিয়ে কথা বললে সরকারের বিরুদ্ধে যাবে।প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে যাবে।এ নিয়ে আপনারা কথা বলবেন না। আমিতো এখান থেকে বলতে চাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ব্যবসা আর কতদিন করবেন? এবার ব্যবসা বন্ধ করুন। বঙ্গবন্ধু এদেশের সকল মানুষের। বঙ্গবন্ধু শুধুমাত্র মূর্তি পূজারিদের নয়।

তিনি বলেন,আমরা মুসলমান,আমাদের নবী মুহাম্মাদ (সা.)। মনে রাখবেন,আমাদের নবীর আগমন-ই ঘটেছিলো মূর্তিকে প্রতিষ্ঠা নয় বরং মূর্তিকে বিলুপ্ত করার জন্য। সুতরাং আমরা কোন মুসলমান ভাস্কর্যের নামে কোন ধরণের মূর্তি বরদাশত করতে পারবো না।

তিনি আরও বলেন,বঙ্গবন্ধুকে স্বরণ রাখার অনেক পদ্ধতি আছে। মূর্তির মাধ্যমে স্বরণ রাখা এটা আপনার ভুল ধারণা।আপনি চাইলে বঙ্গবন্ধুর জন্য আল্লাহর নিরান্নববই নাম সংবলিত মিনার তৈরি করতে পারেন। দেখবেন এদেশের মানুষ আপনাকে আর আপনার বাবাকে যুগযুগ শ্রদ্ধাভরে স্বরণ করবে। আর যদি এই ভুল ধারণার উপর অটল থাকেন তাহলে মনে রাখবেন কলম্বাসের মতো গলায় রশি লাগিয়ে টেনে নামনো হবে।

মাওলানা আব্দুল্লাহ আশরাফের সঞ্চালনায় এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ, নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইজহার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা কুরবান আলী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামেল যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা ওয়ালি উল্লাহ আরমান, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের সভাপতি পরিষদ সদস্য মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরীর সাবেক সহ সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদুল্লাহ, যুব জমিয়ত বাংলাদেশের সভাপতি মাওলানা তাফহীমুল হক, বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের সভাপতি মুহাম্মদ জাকির হোসাইন, বাংলাদেশ খেলাফত যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি মুফতী আল আমিন, ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুফতী হোসাইন মোহাম্মদ কাওছার বাঙালী, ঢাকা মহানগরীর উত্তরা আজমপুর থানার সভাপতি মাওলানা মাওলানা ফয়সাল মাহমুদ।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সংগঠন বিভাগের সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান, কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিভাগের সম্পাদক মাওলানা জহিরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় সমাজকল্যাণ বিভাগের সম্পাদক মাওলানা শরীফ হুসাইন, ঢাকা মহানগরীর সহ-সভাপতি মাওলানা জাহিদুজ্জামান, ঢাকা মহানগরীর প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা হাশমতুল্লাহ, ঢাকা মহানগরীর মজলিসে আমেলার সদস্য মাওলানা মুরশিদ সিদ্দিকী, উত্তরা জোনের সভাপতি মাওলানা নেয়ামতুল্লাহ আমীন, উত্তরা আজমপুর থানার সভাপতি মাওলানা হাবীবুল্লাহ সিরাজ, মজলিসে আমেলার সদস্য মাওলানা রুহুল আমিন, মজলিসে আমেলা সদস্য মাওলানা আবুল হোসাইন, ঢাকা মহানগরীর দপ্তর সম্পাদক মুফতী শহীদুল ইসলাম, নারায়নগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মীর আহমাদুল্লাহ।

এই পোষ্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Design & developed by Masum Billah