বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
চরমোনাই পীর ও মামুনুল হকের কিছু হলে তৌহিদী জনতা বসে থাকবে না মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে গাজীপুরে যুব মজলিসের বিক্ষোভ ময়মনসিংহে যুব মজলিসের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত!! মামুনুল হক যে বক্তব্য দেন তা রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল: রাব্বানী মাস্কের হাটে কারও মুখে মাস্ক নেই কেন রাজধানীর মহাখালীর সাততলা বস্তির আগুনে পুড়ে গেছে ২০০ ঘর ও ৩৫টির বেশি দোকান মুফতি ফয়জুল করীম ও মাও. মামুনুল হকের কিছু হলে তৌহিদী জনতা বসে থাকবে না: মুফতি আবদুল্লাহ ইয়াহইয়া “কথিত ‘মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ’ কর্তৃক ওলামায়ে কেরামদেরকে বিষোদগার ও ওয়াজ মাহফিলে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন” ইসলামের দৃষ্টিতে মূর্তি ও ভাস্কর্য ভাস্কর্য না করে স্মৃতি মিনার করুন, তাতে বঙ্গবন্ধুর আত্মা শান্তি পাবে : মুফতী ফয়জুল করীম

বিস্মৃতির কালচার থেকে বেরিয়ে আসবে কি বেফাক!

-জহির উদ্দিন বাবর
.
মাওলানা আবদুল জাব্বার জাহানাবাদী রহ.-এর চলে যাওয়ার চার বছর পূর্ণ হলো আজ। বেফাকের জন্য তাঁর ত্যাগের কথা কারও অজানা নয়। এই চার বছরে বেফাক তার জন্য একটি দোয়া মাহফিলেরও আয়োজন করেনি, স্মারক-আলোচনা সভা করা তো দূরের কথা!
শুধু কি আবদুল জাব্বার সাহেব, সদ্য সাবেক সভাপতি আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ. চলে যাওয়ারও তো দুই মাস হয়ে গেল। তিনি ১৫ বছর বেফাকের সভাপতি ছিলেন, তার জন্য একটা স্বতন্ত্র দোয়া মাহফিল করেছে বলেও চোখে পড়েনি।
শুধু কি তাই! বেফাক তাদের আগের সভাপতি, যিনি নয় বছর বেফাক পরিচালনা করেছেন, সেই শাইখুল হাদিস আল্লামা নূরউদ্দিন গহরপুরী রহ., কিংবা এর আগের সভাপতি আল্লামা হারুন ইসলামাবাদী রহ. ও হাজী মুহাম্মদ ইউনুস রহ. কাউকেই স্মরণ করেনি।
একটা দোয়া মাহফিলও করেনি সাবেক মহাসচিব শাইখুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক রহ. কিংবা মাওলানা আতাউর রহমান খান রহ.-এর জন্য। মাওলানা আশরাফ আলী রহ, মাওলানা আনওয়ার শাহ রহ. কারও জন্যই বেফাক কিছু করেনি। অথচ এই প্রতিষ্ঠানের জন্য তাদের ত্যাগ ও কুরবানির কথা কারও অজানা নয়।
আজ যারা বেফাক পরিচালনা করছেন, মনে রাখবেন, বিস্মৃতির এই কালচার থেকে বেরিয়ে না এলে, নতুন দৃষ্টান্ত কায়েম না করলে আপনাদেরকেও স্মরণ করবে না এই প্রতিষ্ঠান।

এই পোষ্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Design & developed by Masum Billah