বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ০৫:০০ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
চরমোনাই পীর ও মামুনুল হকের কিছু হলে তৌহিদী জনতা বসে থাকবে না মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে গাজীপুরে যুব মজলিসের বিক্ষোভ ময়মনসিংহে যুব মজলিসের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত!! মামুনুল হক যে বক্তব্য দেন তা রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল: রাব্বানী মাস্কের হাটে কারও মুখে মাস্ক নেই কেন রাজধানীর মহাখালীর সাততলা বস্তির আগুনে পুড়ে গেছে ২০০ ঘর ও ৩৫টির বেশি দোকান মুফতি ফয়জুল করীম ও মাও. মামুনুল হকের কিছু হলে তৌহিদী জনতা বসে থাকবে না: মুফতি আবদুল্লাহ ইয়াহইয়া “কথিত ‘মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ’ কর্তৃক ওলামায়ে কেরামদেরকে বিষোদগার ও ওয়াজ মাহফিলে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন” ইসলামের দৃষ্টিতে মূর্তি ও ভাস্কর্য ভাস্কর্য না করে স্মৃতি মিনার করুন, তাতে বঙ্গবন্ধুর আত্মা শান্তি পাবে : মুফতী ফয়জুল করীম

হুংকার দিয়ে মূর্ত সরানো উচিত নয়-মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসউদ

যুবকণ্ঠ ডেস্ক;

সাউন্ডগ্রেনেডের মতো হুংকার দিয়ে মূর্ত সরানোর চেষ্টা দাওয়াতের কোনো পদ্ধতি নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান, ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহের ইমাম, মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ। তিনি বলেন, নবীজী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দ্বীনের দাওয়াত দিয়েছেন ভালোবাসায় ও আন্তরিকতা দিয়ে। সুতরাং আপনারাও সে আচরণ অবলম্বন করুন। সাউন্ডগ্রেনেডের মতো হুংকার দিবেন না।

তিনি বলেন, আজ বড় আফসোস, মানুষের হৃদয় গড়বার আগেই বায়তুল মোকাররম থেকে হুংকারে মূর্ত কীভাবে সরানো সম্ভব। হুংকার তো দাওয়াতের কোনো পদ্ধতি নয়। নবীজী দীর্ঘ তের বছর মানুষকে বুঝিয়েছেন মক্কায়। দ্বীনের দাওয়াত দিয়েছেন। কখনো মূর্তি ভাঙার হুংকার দেননি।
শুক্রবার (২০ নভেম্বর ২০২০) রাজধানীর খিলগাঁও ইকরা বাংলাদেশ জামে মসজিদ কমপ্লেক্সে জুমার বয়ানের আগে মুসল্লিদের উদ্দেশে বয়ানে মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ এসব কথা বলেন।

আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ বলেন, বৈরি পরিবেশে দ্বীনের প্রতি মানুষকে দাওয়াত দেওয়ার ক্ষেত্রে হেকমত অবলম্বন করতে হবে। মানুষের হৃদয় গড়ার কাজ করতে হবে। মানুষের হৃদয় যদি মূর্তিবিরোধী হয়, দুর্নীতি বিরোধী হয়, ধর্ষণবিরোধী হয় তাহলে সমাজে মূর্তি, ধর্ষণ, দুর্নীতির কোনোটাই থাকবে না। আমরা যদি মানুষের কলবের মেহনতে সফল হতে পারি তাহলে অন্যসব ক্ষেত্রেও সফলতা লাভ করতে পারবো। আজকে কোনো মূর্তি ভেঙে দিলে নতুন আরও বেশি মূর্তি তৈরি হয়ে যাবে। অতীতে আমরা দেখেছি এমনটা হয়েছে। বাবরি মসজিদের সময়ও এমন নজির আছে।

তিনি বলেন, আসুন, আমরা মানুষের মন থেকে মূর্তিপ্রেম দূর করি। মানুষ যদি এই মূর্তি বানানো যে ঠিক নয়, মূর্তির অসারতা তাদের হৃদয়ে বুঝিয়ে দিতে সক্ষম হই তাহলে নিজেরাই এই মূর্তি ভাঙতে চেষ্টা করবে। কখনো মূর্তি নির্মাণের চেষ্টা করবে না। হুংকার নয় ভালোবাসা দিয়েই, দ্বীনের প্রকৃত দাওয়াতের মাধ্যমে সমস্যা নিরসন সম্ভব।

পাথেয় টোয়েন্টিফোর এর সৌজন্যে

এই পোষ্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Design & developed by Masum Billah