বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ০৬:০৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
চরমোনাই পীর ও মামুনুল হকের কিছু হলে তৌহিদী জনতা বসে থাকবে না মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে গাজীপুরে যুব মজলিসের বিক্ষোভ ময়মনসিংহে যুব মজলিসের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত!! মামুনুল হক যে বক্তব্য দেন তা রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল: রাব্বানী মাস্কের হাটে কারও মুখে মাস্ক নেই কেন রাজধানীর মহাখালীর সাততলা বস্তির আগুনে পুড়ে গেছে ২০০ ঘর ও ৩৫টির বেশি দোকান মুফতি ফয়জুল করীম ও মাও. মামুনুল হকের কিছু হলে তৌহিদী জনতা বসে থাকবে না: মুফতি আবদুল্লাহ ইয়াহইয়া “কথিত ‘মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ’ কর্তৃক ওলামায়ে কেরামদেরকে বিষোদগার ও ওয়াজ মাহফিলে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন” ইসলামের দৃষ্টিতে মূর্তি ও ভাস্কর্য ভাস্কর্য না করে স্মৃতি মিনার করুন, তাতে বঙ্গবন্ধুর আত্মা শান্তি পাবে : মুফতী ফয়জুল করীম

বঙ্গবন্ধুর কবরকে আপনারা জাহান্নামের অংশ বানানোর চেষ্টা করবেন না: মামুুনুল হক

যুবকণ্ঠ ডেস্ক;

বঙ্গবন্ধু ছিলেন এই দেশের স্বাধীনতার স্থপতি, সুতরাং তার কবরে আপনারা আযাব তৈরি করার যে পদ্বতি চালু করেছেন তা কখনই আপনাদের কাছ থেকে কাম্য নয়।

আপনারা তার ভাস্কর্য মূর্তি বানিয়ে তার কবর কে জাহান্নামের যে গহ্বর বানানোর চেষ্টা করছেন তা কখনোই শোভনীয় নয় বলে মন্তব্য করেছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব আল্লামা মামুুনুল হক।

গতকাল শুক্রবার আল্লামা শাহ্ আহমদ শফী রহ. এর স্মরণে জামিয়া ফয়জুর রহমান বড় মসজিদের উদ্যোগে দোয়া মাহফিলে রাত ১০টায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আজ আমরা এর প্রতিবাদ করছি বলে আপনারা বলছেন আমাদের ঘাড় মটকে দিবেন, আপনার কত বড় সাহস হয় এই কথা বলার। অনেকেইতো আমাকে গ্রেফতারের জন্য ৭২ঘন্টার আল্টিমেটামও দিয়েছিলো সরকারকে।

সরকারের প্রতি আমাদের অনুরোধ থাকবে, আপনি বুঝার চেষ্টা করেন, আপনার বাবার কবরকে আর জান্নামে পরিণত করবেন না। তিনি জীবিত থাকলে কখনই এমনটা হতে দিতেন না।

তিনি আল্লামা শফী রহ. এর জীবনী স্মরণ করতে গিয়ে বলেন, ২০১৩সালে এই দেশে নাস্তিকরা ভারতের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছিলো, শাহাবাগে তারা আন্দোলনের নামে অশ্লীলতা আর বেহায়াপনার ভাইরাস ছড়িয়ে দিচ্ছিলো, আর কিছু কুলাঙ্গারের ইন্ধনে নাস্তিকরা রাসুল সা. এবং আল্লাহকে নিয়ে যেভাবে ইচ্ছা কুটুক্তি করছিলো এতে পুরো দেশ তখন বিপর্যয়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছিলো।

ঠিক সেই মুহুর্তে দারুল উলুম মইনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসার তখনকার নিভৃতচারী সেই মুরুব্বিটি, যিনি পুরোপুরি দুনিয়াবিমুখ ছিলেন, ৮৫ বছরের সেই বৃদ্ধ লোকটি সেদিন হাদীসের দরস ছেড়ে নাস্তিক মুরতাদদের বিরুদ্ধে রাজপথে নেমে এসেছিলেন, সেদিন যার ডাকে পুরো দেশের তৌহিদী জনতা এক কাতারে এসে দাড়িয়েছিলো, যার ডাকে সমস্ত আলেমগণ ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলো, তিনি আর কেউ নন, তিনিই হলেন আল্লামা শাহ্ আহমদ শফী রহ.।

সকাল ১০টা থেকে নগরীর ঐতিহ্যবাহী বড় বাজার চত্বরে শুরু হওয়া দোয়া মাহফিলে জামিয়া ফয়জুর রহমান রহ.এর পরিচালক আল্লামা আব্দুল হকের সভাপতিত্বে জুমার পূর্ব পর্যন্ত স্থানীয় আলেমগণ বক্তব্য রাখেন। এরপর বাদ জুমা হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নবনির্বাচিত আরেক কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব বক্তব্য রাখেন।

মাগরিবের পর বয়ান করেন- মাওলানা আব্দুল বাসেত খাঁন, খানকায়ে হুসাইনিয়া মাদানিয়ার মুতাওয়াল্লি মুফতি মাহবুবুল্লাহ। এছাড়াও নওমুসলিম ওয়াসেক বিল্লাহ নোমানীসহ স্থানীয় উলামায়ে কেরামগণও বক্তব্য রাখেন।

এই পোষ্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Design & developed by Masum Billah