রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১, ১২:৩৯ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
মাওলানা মামুনুল হককে ময়মনসিংহে আসতে বাধা: ইত্তেফাকুল উলামার প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা সিরাজগঞ্জে বিএনপি সমর্থিত বিজয়ী কাউন্সিলরকে কুপিয়ে হত্যা নির্বাচিত হয়েই খুন হলেন বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলর গাইবান্ধায় ব্যালট ও সরঞ্জাম নিয়ে আসার সময় পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ নজরদারির পর ফ্রান্সে ৯টি মসজিদ বন্ধ ঘোষণা আল্লামা আহমদ শফী রহ. মৃত্যু : মিথ্যা মামলা দিয়ে একটি কুচক্রি মহল দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছে ৬০ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা ‘একটি কেন্দ্র ছাড়া আর কোথাও ধানের শীষের এজেন্ট দেখিনি’ পেটে পাথর বেঁধে মুসলমানরা সন্তানদের উচ্চশিক্ষা দিন: মাওলানা আরশাদ মাদানী মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জীর সুস্থতা কামনায় আমীরে হেফাজত আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর দুআর আবেদন

সাবেক মেয়র খোকনসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

যুবকণ্ঠ ডেস্ক;

রাজধানীর ফুলবাড়িয়া সুপারমার্কেট-২ -এ দোকানের বৈধতা দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার অভিযোগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরশনের সাবেক মেয়র সাঈদ খোকনসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম শহিদুল ইসলামের আদালতে এই মামলার আবেদন করেন মার্কেটের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন দুলু।

ডিএসসিসি মালিকানাধীন ওই মার্কেটটির তিনটি ব্লকে নকশাবহির্ভূত ৯১১ টি দোকান ছিল। এসব দোকান উচ্ছেদে ৮ ডিসেম্বর অভিযান শুরু করেন ডিএসসিসির কর্মকর্তারা। ওইদিন কয়েক দফায় দোকান মালিক ও কর্মচারীদের সঙ্গে সংঘর্ষের পর শুরু হয় উচ্ছেদ অভিযান। দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত প্রায় ৩০০ দোকান উচ্ছেদ করা হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিএসসিসির রাজস্ব বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, প্রায় দুই যুগ ধরে ওই তিনটি প্লাজা বা মার্কেট এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করেছেন ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেট-২ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি দেলোয়ার হোসেন ওরফে দেলু। তার নেতৃত্বেই অবৈধ এসব দোকান তৈরি করা হয়েছিল।

পরে বিভিন্ন জনের কাছে কয়েকশ কোটি টাকায় দোকানগুলো বিক্রি করেন তিনি। এই টাকার ভাগ ডিএসসিসির কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার পকেটেও গেছে। এভাবে ফুলবাড়িয়া এলাকায় একক ‘রাজত্ব বা দুর্গ’ গড়ে তোলেন তিনি। কেউ তার কার্যক্রমে বাধা দেয়নি।

ক্ষতিগ্রস্ত দোকানিরা সেদিন অভিযোগ করেন, সাবেক মেয়র সাঈদ খোকনের সময় (এক বছর আগে) নকশাবহির্ভূত এসব দোকান বৈধ করতে কয়েক কোটি টাকা দিয়েছেন তারা। দোকানগুলো থেকে ডিএসসিসি এতদিন ভাড়াও নিয়েছে।

দোকান বরাদ্ধ ও ভাড়া নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সাঈদ খোকন বলেন, ‘আইনগতভাবে এসব দোকানকে অবৈধ বলার সুযোগ নেই। উচ্চ আদালতের নির্দেশ ও করপোরেশন সভার মাধ্যমে আমরা এসব দোকানকে বৈধতা দিয়েছিলাম। সিটি করপোরেশন ২০১২ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত এসব দোকানের ভাড়া পেয়েছে। সেই অর্থ করপোরেশনের তহবিলে জমা হয়েছে। আমি সাবেক মেয়র হিসেবে মনে করি, হঠাৎ করেই এভাবে উচ্ছেদ করা আইনসিদ্ধ নয়।’

এই পোষ্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Design & developed by Masum Billah