বৃহস্পতিবার, ১৭ Jun ২০২১, ০২:০৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
আল-হাইআতুল উলয়া বাংলাদেশের স্থায়ী কমিটির আজকের সভার সিদ্ধান্তসমূহ সন্ধান মেলেনি ছয় দিনেও আবু ত্ব-হা মুহাম্মাদের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে গাজায় আবারও ইসরাইলের বিমান হামলা ইসলামী বক্তা আবু ত্ব-হা ও তার সঙ্গীদের সন্ধান দাবিতে রংপুরে মানববন্ধন করোনাকলীন সময়েও হজে যেতে ২৪ ঘণ্টায় আবেদন জমা পড়েছে ৪ লাখ ইসলামী বক্তা আবু ত্ব-হা নিখোঁজের ৫দিনেও হদিস করতে পারছে না পুলিশ কারাবন্দী আলেম-উলামা ও ইসলামী নেতৃবৃন্দকে মুক্তি দিতে হবে- বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস করোনা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যায়, নাইট ক্লাবে যায় না দেশের সকল প্রাইমারী স্কুলে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের আহ্বান ‘আলেমদের নয়, সব এমপিদের সম্পদের হিসাব চাওয়া উচিত’

দিবাযত্ন কেন্দ্র থেকে শিশু হারালে জেল-জরিমানার

যুবকণ্ঠ ডেস্ক;

শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রগুলো যথাযথভাবে পরিচালনার জন্য নতুন একটি আইন করতে যাচ্ছে সরকার। এই আইন পাস হলে দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপন করতে হলে সরকারের কাছ থেকে অনুমোদন ও সনদ নিতে হবে। কোনো অব্যবস্থাপনা হলে বা শিশু হারিয়ে গেলে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদান্ডের পাশাপাশি পাঁচ লাখ পর্যন্ত জরিমানার বিধান রেখে শিশু দিবাযতœ কেন্দ্র আইন, ২০২১ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ আইনের অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, শিশু দিবাযতœ কেন্দ্র আইন গত আড়াই বছর ধরে ঘোরাঘুরি করছিল, গত তিন-চার মাসে একটু কেয়ার নিয়ে এটা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এ আইন প্রবর্তন হলে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নিজ ব্যববস্থাপনায় নির্ধারিত শ্রেণির কেন্দ্র স্থাপন ও পরিচালনার পাশাপাশি আইনের অধীন নিবন্ধন সনদ নিয়ে শিশু দিবাযতœ কেন্দ্র পরিচালনা করতে পারবে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান শিশু দিবাযতœ কেন্দ্র খুলতে চাইলে কীভাবে তা করতে হবে খসড়ায় তা বিস্তারিতভাবে বলা হয়েছে। নির্ধারিত শিশু বা ক্ষেত্রমতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুর প্রয়োজনীয় সেবা, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, নিরাপত্তা, চিকিৎসা, বিনোদন, চিকিৎসা, শিক্ষা ও শিশুর জন্য অনুকূল পরিবেশ ও প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। প্রতি তিন মাসে একবার করে শিশুদের অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময় করতে হবে। বাংলাদেশে বর্তমানে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১১৯টি এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০টি শিশু দিবযতœ কেন্দ্র রয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এই আইন পাস হওয়ার পর অনুমোদন ছাড়া কেউ শিশু দিবাযতœ কেন্দ্র পরিচালনা করতে পারবে না। অনুমোদন ছাড়া এসব পরিচালনা করলে অপরাধ হবে। শিশুর জীবন বা নিরাপত্তা বিপন্ন, কর্তব্যে অবহেলা, শিশুর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করলে দন্ড দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে শক্ত মেসেজ সবাইকে দেওয়া হয়েছে। যাতে কোনো রকমের কেয়ারলেস বা ইমোরাল বা আইনবহিভুত কোনো কাজ করা যাবে না। শিশু দিবাযতœ কেন্দ্র থেকে কোনো শিশু হারিয়ে গেলে ১০ বছর কারাদন্ডের পাশাপাশি পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান থাকছে নতুন আইনে। যেসব শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র এখন পরিচালিত হচ্ছে, নতুন আইন পাস হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে সেগুলোকে নিবন্ধন নিতে হবে। তখন সবগুলো শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে চলে আসবে।
তিনি বলেন, নতুন আইন পাস হওয়ার পর শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র পরিচালনার জন্য মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় একটি নীতিমালা করবে, সেখানে সব বিষয়ে বিস্তাবিতভাবে বলে দেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved ©2020 jubokantho24.com
Website maintained by Masum Billah