মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ০৮:০১ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
রাবেতাতুল ওয়ায়েজীন বাংলাদেশ মাওলানা মামুনুল হকের পাশে থাকবে। গ্রেফতার ঝুঁকিতে হেফাজত নেতৃবৃন্দ : করণীয় কি? সৈয়দ শামছুল হুদা মসজিদে তারাবির নামাজে ২০ জনের বেশি নয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে কুরআন নাজিলের মাসে হিফজুল কুরআন ও ক্বেরাত বিভাগ খুলে দিন -আল্লামা মুফতি রুহুল আমীন ২৯শে মে জাতীয় ওলামা মাশায়েখ সম্মেলন গণগ্রেফতার ও হয়রানী বন্ধ করুন: মামুনুল হক মানহানী ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করতে পারবেন: সুপ্রিমকোর্ট আইনজী ৩১৭ বছরের পুরনো মসজিদ উদ্বোধন করলেন আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী পাথরের ট্রাকে ২কোটি টাকার হেরোইন উদ্ধার – আটক২ সাংসদ বেনজীর আহমেদ করোনায় আক্রান্ত সাভারে জোর করে বের করে দেয়া ভাড়াটিয়াদের রক্ষা করলো পুলিশ

মসজিদ উন্নয়নের টাকাও খেয়ে ফেললেন আ’লীগ নেতা

যুবকণ্ঠ ডেস্ক;

বরগুনার বেতাগীতে মসজিদ উন্নয়নের ৬ লাখ ৬৯ হাজার টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ গোলাম রব শুক্কুর মীরের বিরুদ্ধে।

সৈয়দ গোলাম রব শুক্কুর মীর উপজেলার বুড়ামজুমদার ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বুড়ামজুমদার ইউনিয়নে তালবাড়ি গ্রামের সিকদার বাড়ি জামে মসজিদের পরিচালনা কমিটির সভাপতি থাকা সত্যেও মসজিদ কমিটির ভুয়া সভাপতি সেজে ওই ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মসজিদ স্থানান্তরের জন্য ক্ষতিপূরণ বাবদ এলএ শাখার বরাদ্দকৃত ৬ লাখ ৬৯ হাজার ২৬১ টাকা চেকের মাধ্যমে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।

স্থানীয়দের সহায়তায় অনুসন্ধান করে জানা যায়, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় বরগুনা (ভূমি হুকুম দখল শাখা) অধিগ্রহণ মামলায় মসজিদ কমিটির সভাপতি সোবাহানকে স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ গ্রহণের জন্য নোটিশ প্রদান করা হয়।

উক্ত টাকা বরাদ্দের বিষয়ে বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান শুক্কুর মীরের কাছে মসজিদের সভাপতি সোবাহান পরামর্শ নিতে যান। পরে পরামর্শ না দিয়ে চেয়ারম্যান নিজেই গোপনে মসজিদের ভুয়া সভাপতি সেজে সম্পূর্ণ টাকা আত্মসাৎ করেন।

এতে ওই এলাকার মসুল্লিদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। তারা মসজিদ ফান্ডের জন্য ওই বরাদ্দ অর্থ চেয়ারম্যানের কাছ থেকে ফেরত পাওয়ার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম রব শুক্কুর বলেন, আমি টাকা উত্তোলন করেছি এবং যেসব কাজে টাকা খরচ করেছি তার ভাউচার আমার কাছে আছে। খরচের পর বাকি টাকা একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা করা আছে।

তবে তিনি ওই মসজিদের সভাপতি কিনা এ বিষয়টি জিজ্ঞেস করলে এড়িয়ে যান।

এ ব্যাপারে বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সুহৃদ সালেহীন বলেন, মসজিদের বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাতের ব্যাপারে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ পাওয়া গেছে তার তদন্ত চলছে। আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সূত্র-যুগান্তর

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved ©2020 jubokantho24.com
Design & Developed BY Masum Billah