শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল ২০২১, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
শিশু বলৎকারের অভিযোগে নাপিত গ্রেফতার ছাত্রলীগ নেতার মামলায় আ’লীগ নেতা গ্রেফতার আমাদের জন্যই লকডাউন, আমি সবাইকে নিয়ে জেলে যাব, তবুও লকডাউন তুলে নিন : বাবুনগরী হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী গ্রেপ্তার মদপানে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকসহ ৪ জনের মৃত্যু, আশঙ্কাজনক আরও অনেক রাজশাহীতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে মামলা করলেন যুবলীগ নেতা হেফাজতের আরও দুই শীর্ষস্থানীয় নেতা গ্রেপ্তার মাছ ছিনতাই : থানায় অভিযোগ ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা ট্রাজেডির মামলায় আল্লামা খুরশেদ আলম কাসেমি গ্রেফতার! ২০১৩ সালের ৫ ই মের মামলায় মুফতি সাখাওয়াত ও মাওলানা আফেন্দির ২১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

সাভারে জোর করে বের করে দেয়া ভাড়াটিয়াদের রক্ষা করলো পুলিশ

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি।

সাভারে লকডাউনের সময় ভাড়াটিয়াদের যোর পূর্বক বের করে দেয়ার ঘটনায় অবশেষে পুলিশ এসে রক্ষা করলো ভাড়াটিয়াদের।
ঘটনাটি ঘটেছে আজ (৭ এপ্রিল) সকালে সাভারের পৌরসভার ছায়াবীথি এলাকায়।
জানা গেছে, ঐ এলাকার সি-৭/৭ তিনতলা বাড়ির মালিক ফেরদৌস খান প্রায় চার বছর যাবৎ নিরুদ্দেশ। বাড়ির ৬টি ফ্লাট ভাড়া দিয়ে টাকা উত্তোলন করতেন ফরিদপুরের ইদ্রিস খানের ছেলে সবুর খান। প্রায় ৭ দিন আগে সাভার বাজার রোডের ব্যবসায়ী পরিচয়ে মিজানুর রহমান এসে বাড়িটির মালিক দাবি করেন। এ সময় তিনি বাড়ির সকল ভাড়াটিয়াদের সাত দিনের মধ্যে বাড়ি খালি করতে বলেন। আজ সকালে মিজানুর রহমান বাড়িতে এসে ভাড়াটিয়াদের আবার দুই দিনের মধ্যে চলে যেতে হুমকী দিলে বিষয়টি সাভার মডেল থানার ওসি এএফএম সায়েদকে জানানো হয়। তৎক্ষনাৎ সাভার মডেল থানার এসআই সালাউদ্দিন এসে দেখেন যে, মালিক দাবিদার মিজানের ভয়ে ভাড়াটিয়াদের দু’একজন চলে যাচ্ছেন। তখন পুলিশ ভাড়াটিয়াদের আশ্বস্ত করেন।
ভবনের ভাড়াটিয়া আব্দুস সামাদ, হাফিজুর রহমানসহ অনেকেই জানান, গত সাতদিন প্রকাশ্যে ও মোবাইল ফোনে মাধ্যমে বাড়ির মালিক দাবি করে মিজান সাভার পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরের বরাত দিয়ে বাড়ি ছাড়ার জন্য হুমকী দিয়ে আসছেন। আজ সকালে এসে আমাদের সাথে তিনি অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং আগামী শুক্রবারের পরে যাতে আমাদের মুখ তিনি না দেখেন সেই কথা ব্যক্ত করেন। আমরা লকডাউনের সময় নিরুপায় হয়ে পুলিশকে বলেছি।
মিজানুর রহমান মিজান বলেন, আমি ৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সানজিদা শারমিন মুক্তার মাধ্যমে বাড়িটি কিনেছি। তিনি আমাকে বাড়িটি বুঝিয়ে দিতে চেয়েছেন।
সাভার মডেল থানার এসআই সালাউদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে ভাড়াটিয়াদের আশ্বস্ত করা হয়েছে এবং নির্ভয়ে থাকতে বলা হয়েছে।
সাভার মডেল থানার ওসি এএফএম সায়েদ বলেন, বাড়ির প্রকৃত মালিক কে? তা যাচাই করা হচ্ছে। ভাড়াটিয়াদের সাতদিনের সময় বেঁধে বের করে দেয়ার বিষয়টি অমানবিক।
উল্লেখ্য, বাড়ির মালিক ফেরদৌস খান মামলা, গ্রেফতারী পরোয়ানা ও বিভিন্ন লোকের টাকা আত্মসাৎ করে গা ঢাকা দিয়েছেন বলে এলাকাবাসী জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved ©2020 jubokantho24.com
Website maintained by Masum Billah