শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ০১:৪৯ অপরাহ্ন

হঠাৎ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় হেফাজতের আনাসপন্থী ফয়জুল্লাহ, রুহি গং

হেফাজতে ইসলামের প্রয়াত আমির আহমদ শফীর ছেলে আনাস মাদানীর পক্ষের কিছু নেতাকর্মী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। রবিবার রাত ১০ টা থেকে সাড়ে ১০টার পর্যন্ত তারা ধানমন্ডিতে মন্ত্রীর বাসায় অবস্থান করেন। তবে সাক্ষাতের বিষয়ে কোনও ধরনের মন্তব্য করেননি তারা।

রবিবার রাত ১০টা মুফতি ফয়জুল্লাহ, মাওলানা হাসনাত আমিনী, মাওলানা আলতাফ, মাওলানা মঈনুদ্দিন রুহী মন্ত্রীর বাসায় যান। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সঙ্গে সুনির্দিষ্ট কি নিয়ে আলোচনা হয়েছে এ বিষয়ে জানাননি হেফাজত নেতারা।

এর আগে ২০ এপ্রিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের বাসায় সাক্ষৎ করতে গিয়েছিলেন হেফাজতে ইসলামের নেতারা। সেদিন গিয়েছিলেন হেফাজতের বিলুপ্ত কমিটির মহাসচিব মাওলানা নূরুল ইসলাম জিহাদী, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজী প্রমুখ।

জানা গেছে, হেফাজতে ইসলামের আহমদ শফীপন্থী পুত্র আনাস মাদানি পক্ষের আলেমরা বর্তমান কমিটি ভেঙে দেওয়ায় নতুন করে হেফাজতকে ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। বিশেষ করে গত ১৮ সেপ্টেম্বর আহমদ শফীর ইন্তেকাল ও তার আগে-পরে হাটহাজারী দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় যেসব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, সেগুলোর পুনরাবৃত্তি বন্ধ করা সহজ হবে। একইসঙ্গে যেসব শিক্ষককে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল, তাদের সসম্মানে ফিরিয়ে নেওয়ার কাজটিও শুরু হবে বলে মনে করছেন আনাসপন্থীরা।

প্রসঙ্গত, নারী উন্নয়ন নীতিমালার বিরুদ্ধে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ২০১১ সালে চট্টগ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয় হেফাজতে ইসলাম। ২০২০ সালের ১৫ নভেম্বর জুনায়েদ বাবুনগরীকে আমির ও নূর হোসাইন কাসেমীকে মহাসচিব করে দ্বিতীয়বারের মতো কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করে হেফাজতে ইসলাম। ওই বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আল্লামা আহমদ শফীর ইন্তেকালের কারণে নতুন এ কমিটি করেছিল হেফাজত। এরপর ওই বছরের ১৩ ডিসেম্বর মহাসচিব নূর হোসাইন কাসেমী মারা গেলে নায়েবে আমির মাওলানা নুরুল ইসলাম জিহাদী ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পান। রবিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে সংগঠনটির দ্বিতীয় কমিটি বিলুপ্ত করলেন আমির বাবুনগরী।
সুত্র বাংলা ট্রিবিউন

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved ©2020 jubokantho24.com
Website maintained by Masum Billah