বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ০১:৩৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
বেডে বেডে লাশ, আইসিইউতে তালা দিয়ে পালিয়েছেন ডাক্তার-নার্স-স্টাফরা ‘ফ্রি ফায়ার গেম’ নিয়ে দ্বন্দ্ব, ছুরিকাঘাতে তিন বন্ধু জখম গ্রাম-গঞ্জে বাসা-বাড়ি কিংবা মসজিদ মাদরাসা বানাতেও অনুমতি লাগবে সরকারকে ফাঁকি দেওয়া যায়, মৃত্যুকে নয় : কাদের হৃদয়বিদারক দৃশ্য, করোনা আক্রান্ত বাবাকে পানি দিতে গেলেও আটকাচ্ছেন মা! (ভিডিও) ভারতের বিধানসভা নির্বাচনে ১১২ মুসলিম প্রার্থীর জয় ‘আসতে পারে তৃতীয় ঢেউ, লকডাউনেও কাজ হবে না’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর যা বললেন হেফাজতে ইসলামের নেতারা আবারও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় হেফাজত নেতারা তাণ্ডবের বিচার চেয়ে পদত্যাগ করা সেই হেফাজত নেতা গ্রেপ্তার

জসিমউদদীন রাহমানী থেকে বর্তমানের অমুক তমুক : সমাধান কোন পথে?

মহিউদ্দিন কাসেমী:
মাওলানা জসিমউদ্দীন রাহমানী সাহেব পরিচিত নাম। তার অনেক বয়ান সঠিক। তিনি ভালো আলেম। তবে তার কিছু কর্মকাণ্ড প্রশ্নবিদ্ধ। এমনি শরিয়তেরও খেলাফ। বিশেষত সংখ্যাগরিষ্ঠ আলেমসমাজের কঠোর সমালোচক ছিলেন। তাঁর উস্তাদরা পর্যন্ত বাদ যায়নি৷ শায়খুল হাদীস, চরমোনাই পীর, যাত্রাবাড়ীর হযরতসহ আমাদের মুরুব্বিদের তীব্র সমালোচনা করতেন। জি হা দ করার শরয়ি নীতিমালা উপেক্ষা করে মনগড়া কিছু বিষয় প্রচার করতেন। হয়তো তাঁর যুক্তিগুলো সঠিক, কিন্তু বাস্তবতার আলোকে ছিল ভুল। সরকারকে উপেক্ষা করে কিছু করা অসম্ভব। নিজেকে ধ্বংসের মুখোমুখি করা ছাড়া কিছু হবে না। শুধু নিজে ধ্বংস হলপ তো সমস্যা ছিল না, কিন্তু একজনের কারণে পুরো গোষ্ঠীর বদনাম হয় এবং সবাইকে কাঠখড় পোহাতে হয়।

রাহমানী সাহেবের আন্দোলন এখন কোথায়? তিনি কিচ্ছু করতে পারেননি, কেবল ফিতনা ছড়িয়েছেন। হা, একটু রয়েসয়ে তার বক্তব্যগুলো পেশ করতে পারতেন। তাহলে জাতি উপকৃত হতে পারত।

রাহমানী সাহেবের মতোই কিছু ভাই বক্তব্য দিয়েছেন। এমনকি হেফাজতের মঞ্চ থেকেও কেউ কেউ এমন বক্তব্য দিয়েছেন। এখন সরকার হেফাজত ও কওমি অঙ্গনকে জঙ্গি প্রমাণ করবে। আন্তর্জাতিক ও দেশের কেউ টু শব্দও করবে না৷ জামায়াতকে প্যাদানী দিয়েছে মানবতাবিরোধী অপরাধের নামে। তাই কেউ একটা প্রতিবাদও করতে পারেনি৷

মাওলানা আবদুল মালেক সাহেব, যাত্রাবাড়ী হযরতদের ভুল হতে পারে; তবে তারা আমাদের মুরুব্বি। তাদের ইলম ও তাকওয়ার সামনে আপনারা কিছুই না। তাদের বক্তব্যে শতকরা ৫% ভুল হলে আপনাদের বক্তব্যে শতকরা ৫% সঠিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই যারা মুরুব্বিদের নিয়ে ট্রল করে তারা ফিতনাবাজ, অপরিণামদর্শী।

জি হা দ ইসলামের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আল জিহাদু মাজিন ইলা ইয়াওমিল কিয়ামাহ। কিন্তু বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই বিধানের হুকুম কি কেবল হুমকিধামকি দেওয়া? বাংলাদেশ কি আফগানিস্তান? কিছু অবিবেচক লোকের জন্য পুরো কওমি অঙ্গনকে খেসারত দিতে হবে।

সমাধানের পথ আমাদের মুরুব্বিদের ফয়সালা ও ফতোয়া মেনে নেওয়া। তাদের রাহবরিতে দীনের খেদমত করা। সম্মিলিত সিদ্ধান্ত মোতাবেক সামনে এগোতে হবে। কেবল আমি আর আপনি মিলে একটা মতবাদ প্রতিষ্ঠা করে উম্মাহকে ফেতনায় নিপতিত করা বুদ্ধিমানের কাজ না।

দেখুন, একসময় বাংলাদেশে প্রকাশ্যে হরকতের কাজ চলেছে, ট্রেনিং হয়েছে; কিন্তু এখন মকতবের বাচ্চারা পড়ে এক যবর, এক যের, এক পেশকে হরকত বলে; এছাড়া আর কোথাও হরকত নেই। হরকতের নামও উচ্চারণ করতে পারবেন না। এটাই বাস্তবতা। বাস্তবতাকে উপেক্ষা করা অসম্ভব।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved ©2020 jubokantho24.com
Website maintained by Masum Billah