সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ১১:০৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট: এইচএসসি পরীক্ষা হবে কিনা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ১৪ মাসে হেফাজতের শীর্ষ চার নেতার ইন্তিকাল ভারতের ‘ওমিক্রন ঝুঁকিপূর্ণ’ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ওমিক্রন: দক্ষিন আফ্রিকা থেকে আসা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৭ ব্যক্তির বাড়িতে লাল পতাকা হেফাজতের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হলেন মাওলানা সাজিদুর রহমান আল্লামা নুরুল ইসলামের জানাজার নামাজ সম্পন্ন আল্লামা নুরুল ইসলামের ইন্তেকালে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের শোক প্রকাশ যে কারণে হাটহাজারিতে হচ্ছে আল্লামা নূরুল ইসলাম জিহাদির দাফন হেফাজত মহাসচিবের ইন্তিকালে আল্লামা মুহাম্মদ ইয়াহইয়ার গভীর শোক আল্লামা নুরুল ইসলামের ইন্তেকালে ইসলামী ছাত্রশিবিরের গভীর শোক প্রকাশ

সর্বকালের সবচেয়ে খারাপ মার্কিন প্রেসিডেন্টের তকমা পেলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুবকণ্ঠ ডেস্ক:

১০০ জন ঐতিহাসিকের মতে সর্বকালের সবচেয়ে খারাপ মার্কিন প্রেসিডেন্ট হলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রাক্তন কমান্ডার-ইন-চিফ তালিকার ৪১ তম স্থানে এসেছেন, তার পরে আছেন কেবল তিন জন। ফ্র্যাঙ্কলিন পিয়ার্স, অ্যান্ড্রু জনসন এবং জেমস বুকানন।

সি-স্প্যান প্রেসিডেন্সিয়াল হিস্টোরিয়ান্স সার্ভে জানাচ্ছে, প্রতিবারই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ক্ষমতার একটি রূপান্তর পরিলক্ষিত হয়েছে। এই সার্ভের সময়ে ১৪২ জন ঐতিহাসিক এবং আমেরিকার সর্বোচ্চ পদে কর্মরত আধিকারিকরা দেশের ৪৪ জন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিকে তাদের নেতৃত্ব দেওয়ার বিশেষ ১০ টি বৈশিষ্টের ওপর ভিত্তি  করে একটি তালিকা তৈরী করেছেন।  এই ১০ টি বৈশিষ্ট হল -জনগণের প্ররোচনা, সংকটকালীন সময়ে নেতৃত্ব, অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা, নৈতিক দায়িত্ব, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, প্রশাসনিক দক্ষতা, কংগ্রেসের সাথে সম্পর্ক, দৃষ্টিভঙ্গি / এজেন্ডা নির্ধারণ, সকলের জন্য সমান ন্যায়বিচার অর্জন এবং সময়ের প্রেক্ষাপটে কর্মক্ষমতা। এই ১০ টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করেই প্রতিটি অংশগ্রহণকারী প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিকে একটি স্কোর দিয়েছেন । একমাত্র রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প, যার ওপর ইম্পিচমেন্টের খাঁড়া নেমে এসেছিলো তিনি জনসমর্থন (৩২ তম) এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় (৩৪ তম) তালিকার ওপরের দিকে  রয়েছেন, কিন্তু  নৈতিক কর্তৃত্ব এবং প্রশাসনিক দক্ষতার বিচারে তার জায়গা হয়েছে একেবারে তালিকার নিচের দিকে । ওভাল অফিসে  ট্রাম্পের পূর্বসূরি বারাক ওবামা দশম স্থানে রয়েছেন। রিপাবলিকান রাষ্ট্রপতি আব্রাহাম লিংকন, যিনি গৃহযুদ্ধ জিতেছিলেন এবং তাকে হত্যার আগে পর্যন্ত দাস ব্যবস্থাকে দেশ থেকে বাতিল করে গিয়েছিলেন, তিনি আরও একবার শীর্ষে উঠে এসেছেন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন জর্জ ওয়াশিংটন, যিনি আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধে সেনাবাহিনীকে বৃটিশদের বিরুদ্ধে জয়ের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং আমেরিকার প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন।

ফ্র্যাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট, যিনি ‘এফডিআর’ নামেই বেশি পরিচিত তিনি তালিকায় তৃতীয় স্থানে আছেন । তার “নিউ ডিল” প্রোগ্রামটি ১৯৩০- এর দশকে বিধস্ত আমেরিকান অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারে বিশেষ সাহায্য করেছিল । থিওডোর রুজভেল্ট,  ১৯০১ থেকে ১৯০৯ সাল পর্যন্ত হোয়াইট হাউসে ছিলেন এবং অফিসের ক্ষমতা বিস্তৃত করেছিলেন, তিনি তালিকায়  চতুর্থ স্থানে আছেন। পঞ্চম স্থানাধিকারী  ডুইট আইসেনহওয়ার, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পশ্চিম ইউরোপে মিত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ কমান্ডার ছিলেন এবং ১৯৫৩ থেকে ১৯৬১ সাল পর্যন্ত ওভাল অফিসে দু’বার দায়িত্ব পালন করেছেন। জর্জ ডাব্লু বুশ (২০০১-২০০৯) ২৯ তম স্থানে, আর বিল ক্লিনটন (১৯৯৩-২০০১) ১৯ তম স্থানে রয়েছেন। ইউলিসেস এস গ্রান্ট ( ১৮৬৯- ১৮৭৭), ৩৩ তম থেকে স্থান থেকে লাফ মেরে ওপরে উঠে ২০ তম স্থানটি দখল করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved ©2020 jubokantho24.com
Website maintained by Masum Billah