মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ১২:২৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
রাজধানীর রামপুরায় বাসের চাপায় আরেক স্কুল ছাত্রের মৃত্যু,৮ বাসে আগুন দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা চেয়ারম্যান পদে জামানত হারিয়ে এবার এমপি নির্বাচন করতে চান ‘ভিক্ষুক’ মুনসুর করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট: এইচএসসি পরীক্ষা হবে কিনা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ১৪ মাসে হেফাজতের শীর্ষ চার নেতার ইন্তিকাল ভারতের ‘ওমিক্রন ঝুঁকিপূর্ণ’ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ওমিক্রন: দক্ষিন আফ্রিকা থেকে আসা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৭ ব্যক্তির বাড়িতে লাল পতাকা হেফাজতের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হলেন মাওলানা সাজিদুর রহমান আল্লামা নুরুল ইসলামের জানাজার নামাজ সম্পন্ন আল্লামা নুরুল ইসলামের ইন্তেকালে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের শোক প্রকাশ যে কারণে হাটহাজারিতে হচ্ছে আল্লামা নূরুল ইসলাম জিহাদির দাফন

যুবককে হাত-পা বেঁধে অমানুষিক নির্যাতন কাউন্সিলরের

যুবকণ্ঠ ডেস্ক:

স্বর্ণ চুরির অপবাদ দিয়ে মুরাদ হোসেন রনি (৩৫) নামে এক যুবককে হাত-পা বেঁধে অমানুষিক নির্যাতন করেছেন আওলাদ হোসেন নামে এক কাউন্সিলর।

আওলাদ হোসেন মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর। সোমবার মুন্সীগঞ্জ শহরের দক্ষিণ ইসলামপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। পরে কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে মামলা হয় সদর থানায়।

নির্যাতনের শিকার মুরাদের বাবা দক্ষিণ ইসলামপুর এলাকার মোরশেদ হোসেন এ ঘটনায় বাদী হয়ে কাউন্সিলর আওলাদসহ আরও দুজনকে আসামি করে সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। অপর অভিযুক্তরা হলেন একই এলাকার মনির হোসেন ও কালাই হোসেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দক্ষিণ ইসলামপুর এলাকার মনির হোসেনের বাড়ি থেকে চার ভরি স্বর্ণ ও ২২ হাজার টাকা চুরি হয়। ওই ঘটনায় সোমবার সকালে চুরির অপবাদে মনিরের প্রতিবেশী রনিকে বাড়ি থেকে ধরে আনেন কাউন্সিলর আওলাদ হোসেনসহ মনির হোসেন ও তার ভাই কালাই। পরে মনিরের বাড়ির উঠানে রনিকে হাত-পা বেঁধে অমানবিক নির্যাতন করে স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা করেন আওলাদ। তবে মারধরের পরও চুরির বিষয়ে অস্বীকার করেন রনি। পরে রনির ছোটভাই থানা থেকে পুলিশ নিয়ে আসলে কাউন্সিলর পুলিশের কাছে রনিকে সোপর্দ করেন।

নির্যাতনের শিকার রনি বলেন, সকালে বাসায় এসে কাউন্সিলর আওলাদ জিজ্ঞাসার কথা বলে আমাকে মনিরদের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে আমাকে হাত-পা বেঁধে মারতে থাকে, আর বলে চুরির কথা স্বীকার করতে। আমি তো স্বর্ণ নেই নাই, আমি কেন স্বীকার করব? আমারে শুধু শুধু মারধর করছে, আমি এর বিচার চাই।

মারধরের বিষয়টি স্বীকার করে কাউন্সিলর আওলাদ হোসেন বলেন, আমি রনিকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে আসিনি। মনিরদের বাড়িতে তাকে বেঁধে রাখা হয়েছে, এটি জানতে পেরে আমি সেখানে যাই। গিয়ে দেখি অনেক মানুষ সেখানে। পরে ক্রেডিট নেয়ার জন্য তাকে মেরে ছেড়ে দিছি। পুলিশ আসলে চিকিৎসা করানোর কথা বলি। বিষয়টি আমার ভুল হয়েছে। চুরির প্রমাণ পাইনি।

সদর থানার ওসি আবু বকর সিদ্দিক জানান, মারধরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। কালাই ও মনির নামের দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কাউন্সিলর আওলাদ হোসেন পলাতক রয়েছেন।

যুগান্তারের সৌজনে

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved ©2020 jubokantho24.com
Website maintained by Masum Billah