শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
ভোলায় রাসূল সা.-কে অবমাননাকারী গৌরাঙ্গকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে: হেফাজত বঙ্গবন্ধু ছিলেন সব দিকেই দক্ষ একজন রাষ্ট্রনায়ক: আ ক ম মোজাম্মেল ইভ্যালিতে প্রতারিতরা কি টাকা ফেরত পাবেন? ভারতে প্রতি ২৪ ঘণ্টায় ৭৭টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে ‘তালেবান ক্ষমতায় আসার পর এখন আর ঘুষ দিতে হয় না’ ভোলায় মহানবীকে অবমাননার প্রতিবাদে বিক্ষোভ-সমাবেশ আমি প্রেসিডেন্ট হলে ফ্রান্সে মুহাম্মদ নাম নিষিদ্ধ করা হবে এহসান গ্রুপে ৩০ লাখ টাকা খুইয়ে স্ট্রোক করে বৃদ্ধের মৃত্যু দেশকে রক্ষা করতে একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনী গঠন করব: আফগান সেনাপ্রধান ৯৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত ১০ লাখ মানুষকে ঘর তৈরি করে দিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী

‘তিন ডোজ’ টিকা নেওয়া যুবককে মেডিকেল টিম পরিচয়ে তুলে নেওয়ার অভিযোগ

যুবকণ্ঠ ডেস্ক:

একসঙ্গে করোনা ভাইরাসের ‘তিন ডোজ’ টিকা নেওয়া যুবক ওমর ফারুককে (২৪) মেডিকেল টিমের সদস্য পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বুধবার বেলা ১২টার দিকে মেডিকেল টিম পরিচয়ে অজ্ঞাতপরিচয় কিছু ব্যক্তি নারায়ণগঞ্জের ভুঁইগড় এলাকায় নিজেদের বাড়ি থেকে ওমর ফারুককে নিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছেন তার স্বজনরা।

তারা বলেছেন, মেডিকেল টিমের সদস্যরা তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন। এরপর সারা দিন কোনো খবর না পেলেও সন্ধ্যা ৭ টার দিকে ওমর ফারুক তার মা রহিমা বেগমকে ফোন করে জানান, তিনি হাসপাতালে আছেন, সুস্থ আছেন।

এ বিষয়ে ওমর ফারুকের বোন ফারজানা আক্তার গণমাধ্যমকে বলেন, তিন ডোজ টিকা নেওয়ার পর তাঁর ভাইয়ের শরীরে হালকা জ্বর ও শরীর ব্যথা হয়েছিল। এছাড়া তেমন কোনো সমস্যা হয়নি। টিকা নেওয়ার বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর তাকে বিএসএমএমইউতে যাওয়ার জন্য অনেকবার ফোন করা হয়েছিল। কিন্তু তার ভাই ভয়ে ফোন না ধরে পরে ফোন বন্ধ করে রাখেন। পরে বুধবার দুপুরে মেডিকেল টিম পরিচয়ে হাসপাতাল থেকে লোকজন এসে তার ভাইকে তুলে নিয়ে গেছে।

ফারুকের বোন বলেন, ভাইয়ের সঙ্গে তার স্বামী গোলাম সারোয়ার নাহিদকে দেওয়া হলেও তাকে রেখে গেছেন ওই টিমের সদস্যরা।

ফারজানা জানান, চার বছর আগে ওমর ফারুক স্থানীয় একটি মাদ্রাসা থেকে হেফজ বিভাগে পড়াশোনা শেষ করেন। দীর্ঘ দিন বেকার থাকার পর সম্প্রতি সৌদি আরব যাওয়ার ভিসা হয় তার। সৌদি আরব যাওয়ার আগে টিকার জন্য নিবন্ধন করে গত ২৬ জুলাই হাসপাতালে টিকা নিতে গেলে ফারুককে তিন ডোজ টিকা দেওয়া হয়।

ফারজানা অভিযোগ করেন, যেখানে মানুষকে একটি টিকা পেতে হয়রানি পোহাতে হয়, সেখানে তার ভাইয়ের শরীরে কীভাবে তিন ডোজ টিকা দেওয়া হলো, সেটি তদন্ত করা উচিত। যারা ওই বুথের দায়িত্বে ছিলেন তাদের ভুলের কারণে তার ভাই তিন ডোজ টিকা নিয়েছেন।

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব ও জেলা সিভিল সার্জন মোহাম্মদ ইমতিয়াজ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের জানা নেই। তিন ডোজ টিকা নেওয়ার পরে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্যও কেউ আসেনি।’

ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, বিষয়টি জানা নেই, তবে এ বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে।

ওমর ফারুক নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ভুঁইগড় এলাকার জামাল হোসেন প্রধানের ছেলে। ওমর ফারুকের চার বয়সী এক ছেলে আছে। তার বাবা পেশায় সিএনজি অটোরিকশা চালক।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved ©2020 jubokantho24.com
Website maintained by Masum Billah