শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:০৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
বিশ্ব মানবতার কণ্ঠস্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা: আইসিটি প্রতিমন্ত্রী মুসলিম শিক্ষক নেই, ভোলার স্কুলে ইসলাম শিক্ষার ক্লাস হয়নি ৩২ বছর! জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যা বলেছেন ইমরান খান এক বছরের মধ্যে ইসরাইলকে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড ছাড়তে হবে: মাহমুদ আব্বাসের আলটিমেটাম আত্মহত্যা নয় নিহত শাহাদাত হত্যাকাণ্ডের স্বীকার মহামারি বড় আকার ধারণ করলে আবারও বন্ধ হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নামের আগে আলহাজ না লেখায় ৫ জনকে কুপিয়ে জখম ডিসেম্বরে চালু হবে ৫জি সেবা: মোস্তাফা জব্বার ছেলে-মেয়ের বিয়ের আগেই পাত্রের মাকে নিয়ে পালিয়ে গেলেন পাত্রীর বাবা! ইরান-রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক শক্তিশালী করতে চায় তালেবান

সরকার ও কওমি মাদরাসার দয়িত্বশীলদের প্রতি আল্লামা আব্দুস সালাম চাটগামীর আহবান 

যুবকণ্ঠ ডেস্ক:

১) দ্বীনি কওমি মাদ্রাসাসমূহ বস্তুনিষ্ঠ ইসলামী জ্ঞানের শিক্ষাকেন্দ্র। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা থাকা জরুরী।

২) বিষয়টি উলামায়ে কেরাম এবং মুসলিম অধ্যুষিত রাষ্ট্রের উপর ধর্মীয় কর্তব্য।

৩) এসব ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ করোনার অজুহাতে বন্ধ রাখার যুক্তিসঙ্গত কোন কারণ থাকতে পারে না।

৪) জাতি এবং অভিভাবক মহল কওমি মাদ্রাসাসমূহের সাথে সম্পৃক্ত উলামায়ে কেরামের উপর দৃঢ় আস্থাবান। যে কারণে তারা এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য চাঁদা ও দান-সদক্বা দিয়ে থাকেন।

৫) কোন রোগ-ব্যধি বা মহামারির কারণে ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং মসজিদে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা, নামাজ আদায় ও ইবাদত-বন্দেগীর জন্য জমায়েত হতে নিষেধ করা যায় না। বর্তমানে এসব ক্ষেত্রে কেন বিধি-নিষেধ ও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হচ্ছে?

৬) আমাদের সরকার ও প্রশাসনিক দায়িত্বশীলদের কর্তব্য, ধর্মীয় জ্ঞান এবং কুরআন-হাদীসের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ না রাখা।

৭) উলামায়ে কেরাম এবং দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গের এ বিষয়ে মনোযোগ দেওয়া খুবই জরুরী। অন্যথায়-

৮) আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে আজাব ও শাস্তি কমবে না, বরং বাড়বে।

৯) সকলপ্রকার আজাব ও রোগ-ব্যাধি আল্লাহর পক্ষ থেকেই হয়ে থাকে। যদি তিনি স্বয়ং এসব বন্ধ না করেন, তবে কারো পক্ষে এসব রোধ করা কখনোই সম্ভবপর নয়।

১০) মহামারির সময় সকলের জন্য জরুরী হচ্ছে, আল্লাহর প্রতি ফিরে যাওয়া এবং তাঁর দরবারে অনুতাপ ও বিনয়ের সাথে উপস্থিত হয়ে তাওবা ও ক্ষমাপ্রার্থনা করা।

১১) রোগ-ব্যধিতে কতজন মারা যাবেন, তার সংখ্যা তাকদীরেই নির্ধারণ করা আছে। এতে কোনরূপ কম-বেশ হবে না।

১২) এটাকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করা অনর্থক।

১৩) রোগ-ব্যধিতে সুস্থতার জন্য চিকিৎসার ব্যবস্থা করা সুন্নাত। যার তাকদীরে হায়াত আছে, তিনি বেঁচে যাবেন। আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে তাওবা করে তাঁর প্রতি ফিরে আসার তাওফীক দান করুন। আমিন।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved ©2020 jubokantho24.com
Website maintained by Masum Billah