শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:২৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
বিশ্ব মানবতার কণ্ঠস্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা: আইসিটি প্রতিমন্ত্রী মুসলিম শিক্ষক নেই, ভোলার স্কুলে ইসলাম শিক্ষার ক্লাস হয়নি ৩২ বছর! জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যা বলেছেন ইমরান খান এক বছরের মধ্যে ইসরাইলকে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড ছাড়তে হবে: মাহমুদ আব্বাসের আলটিমেটাম আত্মহত্যা নয় নিহত শাহাদাত হত্যাকাণ্ডের স্বীকার মহামারি বড় আকার ধারণ করলে আবারও বন্ধ হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নামের আগে আলহাজ না লেখায় ৫ জনকে কুপিয়ে জখম ডিসেম্বরে চালু হবে ৫জি সেবা: মোস্তাফা জব্বার ছেলে-মেয়ের বিয়ের আগেই পাত্রের মাকে নিয়ে পালিয়ে গেলেন পাত্রীর বাবা! ইরান-রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক শক্তিশালী করতে চায় তালেবান

বৃষ্টির আশায় মেয়েদের নগ্ন করে ঘোরানো হলো!

যুগে যুগে বিভিন্ন অঞ্চলে নানান কুসংস্কার দেখা যায়। যেমন- রোদ কিংবা বৃষ্টির জন্য মিলাদ-মাহফিল কিংবা সিন্নি দেওয়ার মতো রীতি এখনো প্রচলিত আছে। কেউবা আবার ‘আল্লাহ মেঘ দে বৃষ্টি দে ছায়া দে রে তুই আল্লাহ মেঘ দে’ এর মতো গানও গায়। এরকমই এক বিরল ঘটনার দেখা মিলেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশের বুন্দেলখণ্ড অঞ্চলে।

জানা গেছে, মধ্যপ্রদেশের বুন্দেলখণ্ড অঞ্চলে চলছে খরা। দীর্ঘ দিন ধরে দেখা মিলছে না বৃষ্টির। আর এই পরিস্থিতিতে বৃষ্টির জন্য ওই অঞ্চলের দামো গ্রামে ঘটেছে এক ন্যাক্কারজনক ঘটনা। অন্ধবিশ্বাস থেকে বৃষ্টির জন্য ছয়জন কিশোরীকে নগ্ন করে গ্রামে ঘোরায় গ্রামবাসী। তাদের বিশ্বাস, এর কারণে বৃষ্টির দেবতা সন্তুষ্ট হবে এবং বৃষ্টি হবে। এ ঘটনার পর নড়েচড়ে বসেছে জাতীয় শিশু অধিকার রক্ষা কমিশন (এনসিপিসিআর)। এরই মধ্যে দামোর জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে এ সম্পর্কে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে দামোর পুলিশ সুপার ডিআর তেনিয়ার জানান, ‘বৃষ্টির আশায় স্থানীয় রীতি হিসেবে কয়েকজন কিশোরীকে নগ্ন করে ঘোরানোর খবর পুলিশের কাছে এসেছে। গত রোববার ঘটনাটি ঘটেছে। এরই মধ্যে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। জোর করে ওই কিশোরীদের নগ্ন করা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে

তিনি আরও জানান, স্থানীয়দের মধ্যে বৃষ্টি নিয়ে কিছু ধর্মীয় বিশ্বাস রয়েছে। এই বিশ্বাস অনুযায়ী কম বয়সী মেয়েদের নগ্ন করে ঘোরানো হয়। বড়রা ভজন গাইতে গাইতে তাদের সঙ্গে ঘোরে। তারা মনে করেন, এতেই সন্তুষ্ট হবে বৃষ্টির দেবতা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, এক নাবালিকা নগ্ন হয়ে হাঁটছে। তার পাশে ভজন গাইছে একদল নারী। দামোর জেলা প্রশাসক এস কৃষ্ণ চৈতন্য শিশু কমিশনকে রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথাও স্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, যারা ভজন গাইছে তাদের বাড়ির মেয়েরা এ কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সেখানকার বাসিন্দাদের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তোলার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

প্রসঙ্গত, ভারতের কৃষিব্যবস্থা অনেকাংশে নির্ভর করে বৃষ্টির ওপর। আর এই বৃষ্টি নিয়ে অনেক ধরনের অন্ধবিশ্বাস প্রচলিত আছে দেশটিতে।

সূত্র : হিন্দুস্থান টাইমস

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved ©2020 jubokantho24.com
Website maintained by Masum Billah