বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ০৬:০২ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
বন্ধ করে দেয়া হলো খার্তুম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পাকিস্তানে বিদ্রোহীদের সাথে সংঘর্ষে ৪ পুলিশ সদস্য নিহত কথিত প্রগতিশীলদের বাধা: যুক্তরাজ্যের প্রোগ্রামে যেতে পারেননি মাওলানা আজহারী কবরে থেকেও মামলার আসামি হাফেজ্জী হুজুরের নাতি নরসিংদীতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৩০ আমেরিকাসহ পশ্চিমা দেশগুলোর কূটনীতিকদের সঙ্গে আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক প্রথমবারের মতো ক্যামেরার সামনে আসলেন মোল্লা ইয়াকুব আজ বন্ধ হতে পারে অনেকের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এখন শেখ হাসিনার অলৌকিক উন্নয়নের গল্প শোনানো হচ্ছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাবজি খেলতে দেয়ার প্রলোভনে শিশুদের বলাৎকার করতেন স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা

আশরাফ ঘানির ১৬৯ মিলিয়ন ডলার চুরির প্রমাণ সিসিটিভি ফুটেজ!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

আফগানিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানির বিরুদ্ধে ১৬৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার চুরির অভিযোগ তুলেছে দেশটির বর্তমান নিরাপত্তা বাহিনী প্রধান।

সোমবার ডন এক প্রতিবেদনে জানায়, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সংস্থার এক তদন্ত প্রতিবেদনে ঘানির বিরুদ্ধে এই অভিযোগ ওঠে। সেখানে বলা হয় তালিবান কাবুল দখল করার পর সেখান থেকে পালানোর সময় ১৬৯ মিলিয়ন ডলার সাথে করে নিয়ে যান ঘানি।

এরই প্রেক্ষিতে রবিবার ঘানি সরকারের এক জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তা দাবি করেন, এই চুরির ঘটনার ভিডিও ফুটেজ আছে তার কাছে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পিরাজ আতা শারিফি নামের ওই কর্মকর্তা আশরাফ ঘানির দেহরক্ষীদের প্রধান ছিলেন।

আফগানিস্তানের একটি গোপন স্থান থেকে ডেইলি মেইলকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তিনি নিজ চোখে আশরাফ ঘানিকে বড় বড় ব্যাগে করে নগদ অর্থ নিয়ে যেতে দেখেছেন। শুধু তাই না, সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজও জোগাড় করেছেন তিনি।

শারিফি জানান, “প্রেসিডেন্ট আসার আগে তার নিরাপত্তা নিশ্চিতে মন্ত্রণালয়ের প্রহরায় নিয়োজিত সেনা সদস্যদের কাছ থেকে অস্ত্র জমা নেয়ার দায়িত্ব থাকত আমার ওপর। সেদিন আমরা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রেসিডেন্টের জন্য অপেক্ষা করছিলাম, পরে শুনলাম তিনি সেখানে না এসে সোজা বিমানবন্দরে গেছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রীও পালিয়েছেন। প্রেসিডেন্টের সকল নিকটাত্মীয় আর সঙ্গী-সাথীরাও। আশরাফ ঘানি কাবুল ছাড়ার আগে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ তুলে তাকে পৌঁছে দেয় এক ব্যক্তি।”

তিনি বলেন, “এই অর্থ কারেন্সি এক্সচেঞ্জ মার্কেটের। প্রতি বৃহস্পতিবার এই উদ্দেশ্যেই সেগুলো আনা হতো। কিন্তু এবার প্রেসিডেন্ট সেগুলো নিয়ে গেলেন। তিনি জানতেন কি ঘটতে যাচ্ছে, তাই তিনি সব অর্থ নিয়ে পালিয়ে যান।”

আশরাফ ঘানি অবশ্য এই অর্থ চুরির অভিযোগ প্রথম থেকেই অস্বীকার করে আসছেন। রক্তপাত এড়াতেই অনানুষ্ঠানিকভাবে কাবুল ছেড়েছেন বলে দাবি তার। তার এই দেশত্যাগের পরেই কাবুল পুরোপুরি তালিবানের দখলে চলে যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved ©2020 jubokantho24.com
Website maintained by Masum Billah