সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ১১:৩৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
চেয়ারম্যান পদে জামানত হারিয়ে এবার এমপি নির্বাচন করতে চান ‘ভিক্ষুক’ মুনসুর করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট: এইচএসসি পরীক্ষা হবে কিনা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ১৪ মাসে হেফাজতের শীর্ষ চার নেতার ইন্তিকাল ভারতের ‘ওমিক্রন ঝুঁকিপূর্ণ’ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ওমিক্রন: দক্ষিন আফ্রিকা থেকে আসা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৭ ব্যক্তির বাড়িতে লাল পতাকা হেফাজতের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হলেন মাওলানা সাজিদুর রহমান আল্লামা নুরুল ইসলামের জানাজার নামাজ সম্পন্ন আল্লামা নুরুল ইসলামের ইন্তেকালে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের শোক প্রকাশ যে কারণে হাটহাজারিতে হচ্ছে আল্লামা নূরুল ইসলাম জিহাদির দাফন হেফাজত মহাসচিবের ইন্তিকালে আল্লামা মুহাম্মদ ইয়াহইয়ার গভীর শোক

পূজামন্ডপের দায়িত্বরত পুলিশকে খাওয়াচ্ছে ‘ইসলামিয়া মাদ্রাসা’

যুবকণ্ঠ ডেস্ক:

খাগড়াছড়ির দীঘিনালার বোয়ালখালী এলাকা। পাহাড়ি এই অঞ্চলে রাস্তার একদিকে নারায়ণ মন্দির, উল্টো দিকে বোয়ালখালী ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা। দুই ধর্মের দুই প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিষ্ঠান মুখোমুখি। তবে সেখানে নেই কোন দ্বন্দ। আছে অপূর্ব এক বন্ধন। দুর্গাপূজা আর রাস উৎসব এই উৎসবে নারায়ণ মন্দিরের ভক্তদের ঢল নামে। স্বাভাবিক নিয়মেই এসব উৎসবে পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা মন্দিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকেন। আর এ সময় তাদের তিনবেলা খাওয়ানোর যাবতীয় দায়িত্ব নেয় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।

জানা যায়, দীঘিনালার এই নারায়ণ মন্দিরের প্রতিষ্ঠা হয় ১৯২৯ সালে। এর প্রায় ৭০ বছর পর রাস্তার অন্যপাশে নিজেদের কাজ শুরু করে মাদ্রাসাটি। এরপর ২০০০ সালে প্রথম মন্দিরের নিরাপত্তারক্ষীদের খাওয়ানোর কাজটি করে বোয়ালখালী ইসলামিয়া মাদ্রাসা। এরপর দীর্ঘ ২১ বছর ধরে সম্প্রীতির অনন্য এ দৃষ্টান্ত ধরে রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি।

এবারের দুর্গাপূজায় মন্দিরে আনসার সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্বে না থাকলেও সেখানে নিরাপত্তায় আছেন পাঁচ পুলিশ সদস্য। গত সোমবার রাত থেকে তাদের তিন বেলা খাওয়াচ্ছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।

মাদ্রাসার পরিচালক আবদুল্লাহ মেহেরী বলেন, বোয়ালখালী এলাকায় সব সম্প্রদায়ের মানুষ ভ্রাতৃত্বের বন্ধন ধরে রেখে বসবাস করছে। মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার বছর দুয়েক পর থেকেই মন্দিরের বিভিন্ন পূজায় দায়িত্ব পালনকারী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের তিনবেলা খাওয়ানোর রীতি ধরে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া মাদ্রাসার বার্ষিক মাহফিলেও স্থানীয় সব সম্প্রদায়ের লোকজনকে একবেলা দাওয়াত করে খাওয়ানো হয়।

মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি মৃদুল কান্তি সেন গণমাধ্যমে বলেন, ‘মন্দির ও মাদ্রাসার অবস্থান পাশাপাশি। তবে আমাদের মধ্যে কোনো দিন ভুল–বোঝাবুঝি হয়নি। আবার স্থানীয় সব সম্প্রদায়ের আর্থিক ও বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতায় আমরা রাস উৎসবও পালন করি

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved ©2020 jubokantho24.com
Website maintained by Masum Billah