মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩, ০১:৫৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
আওয়ামী লীগকে রাজপথে দেখে ভীত বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী বাংলাদেশে প্রভাব বিস্তারে ৩ পরাশক্তি লড়ছে কুরআন পোড়ানোর প্রতিবাদে সুইডিশ পণ্য বর্জনের আহ্বান হেফাজতের ‘বাবার পরিচয়হীন সন্তানের অভিভাবক মা হবে’ মর্মে রায় দেশের ধর্ম ও সংষ্কৃতির সাথে সাংঘর্ষিক আওয়ামী লীগ মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করে: নানক প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে ছাত্র জমিয়ত ঢাকা মহানগর উত্তরের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ৪ দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি পরিকল্পনামন্ত্রী কাল পাঠ্যবইয়ের ভুল নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন দেশের আকাশে পবিত্র রজব মাসের চাঁদ দেখা গেছে আমরা চাই দেশে সত্যিকার ইসলামের জ্ঞান চর্চা হোক: প্রধানমন্ত্রী

বিনা দোষে ২৮ মাস কারাবন্দি!

যুবকণ্ঠ ডেস্ক:

বিনা অপরাধে ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে দুই বছর চার মাস ধরে বন্দি আছেন এক ব্যক্তি। তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। পরিচয় না মেলায় তাকে নিয়ে কারা কর্তৃপক্ষ পড়েছেন বিপাকে।

৪৪ বছর বয়সী এই যুবক দেখতে অনেকটা রোহিঙ্গাদের মতো। তার মুখে দাড়ি রয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর জেলায় তোলপাড় শুরু হয়েছে।

আদালতের নথি থেকে পাওয়া তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে- ২০১৯ সালের ১৪ নভেম্বর ঝিনাইদহ সদর উপজেলার নগরবাথান এলাকা থেকে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ সংক্রান্তে সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। জিডির ভিত্তিতে থানার এসআই মোহাম্মদ ইউনুচ আলী গাজী ওই ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করে নিরাপত্তা হেফাজতে রাখার জন্য আবেদন জানান।

আদালত আবেদন মতে জেলা কারাগারের নিরাপত্তা হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। সেই থেকে (২০১৯ সালের ১৪ নভেম্বর) কারাগারেই রয়েছেন অজ্ঞাতনামা এই ব্যক্তি। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী সময়ে কোনো মামলাও দেওয়া হয়নি। অর্থাৎ বিনা মামলা ও বিচারে বছরের পর বছর বন্দি রয়েছেন তিনি।

ঝিনাইদহ জেলা কারাগারের সুপার আনোয়ার হোসেন মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, লোকটির ভাষা বোঝা যায় না। কথা বলেন কম। মাথা নেড়ে অভিব্যক্তি জানান। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন কিনা তা পরীক্ষা করাতে খুলনা মেডিকেলেও নেওয়া হয়েছে তাকে। চিকিৎসকরা তাকে সুস্থ বলে মত দিয়েছেন।

এদিকে বিষয়টি নজরে আসার পর ঝিনাইদহের অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বৈজয়ন্ত বিশ্বাস বন্দি ব্যক্তির নাম-পরিচয় খুঁজে বের করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি নির্দেশ দেন। ৩১ জুলাই আদালতের (অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট) দেওয়া আদেশমতে- টেকনাফ, কক্সবাজার, উখিয়া, ভাসানচর থানার ওসিসহ ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তার ছবি পাঠানো হয়।

ওই আদেশে বন্দি লোকের সঠিক ঠিকানা খুঁজে পেতে নোয়াখালী, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপার ও এপিবিএন কমান্ডারদের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ভিডিও কলের মাধ্যমে টেকনাফ থানা পুলিশের সহযোগিতায় রোহিঙ্গা দোভাষির সঙ্গে কথাও হয়েছে। কিন্তু দোভাষি ওই বন্দির কথা বুঝতে পারেননি। তবে দোভাষির ধারণা লোকটি রোহিঙ্গা। তবে নিশ্চিত নন। এতে করে অজ্ঞাতনামা ওই বন্দিকে নিয়ে আরও জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

সূত্র: যুগান্তর

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

All rights reserved © Jubokantho24.com