রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ০৬:৫৭ অপরাহ্ন

শেখ হাসিনার হাতেই বাংলাদেশ নিরাপদ : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

যুবকণ্ঠ ডেস্ক:

বিরোধী দলের এমপিদের উদ্দেশে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, সারা বিশ্ব এখন অস্থিরতার মধ্যে আছে। কেবল বাংলাদেশ নয়, এই যুদ্ধের প্রভাব প্রতিটি দেশে ছুঁয়ে গেছে। সিঙ্গাপুরও বলছে তাদের এখন তৈরি হতে হবে। আমরা মনে করি প্রস্তুতিতে আছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের সঙ্গে আছে বলেই সেই প্রস্তুতি আছে। এত ভয় পেলে চলবে আপনাদের? অবশ্য আপনাদের ভয় পাওয়ার কথা। কারণ, আগের সরকার যেভাবে দেশ চালিয়েছে তা সবারই জানা। নার্ভাস হওয়ারই কথা। শেখ হাসিনার হাতে এই বাংলাদেশ নিরাপদ। বৈশ্বিক ঘটনার মধ্যেও আমরা ভালো অবস্থায় যাব।

মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদে বৈশ্বিক মহামারি কোভিড-১৯, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিসহ সাম্প্রতিক সমস্যায় সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ জাতিকে জানাতে কার্যপ্রণালি বিধির ১৪৭-এর আওতায় আনা সাধারণ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। প্রস্তাব উত্থাপন করেন জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ও দলটির মহাসচিব মুজিবুল হক।

আলোচনাকালে নসরুল হামিদ জাতীয় পার্টি ও বিএনপির এমপিদের নানা বক্তব্যের জবাব দেন। তিনি জাতীয় পার্টি-বিএনপি সময়কালে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সমালোচনা করেন। তিনি কানসাট, ডেমরায় পানি-বিদ্যুৎ আন্দোলন, পানি-বিদ্যুতের কষ্ট, বিদ্যুতের দাবির আন্দোলনে পুলিশের গুলি, মানুষ হত্যা, বিদ্যুতে লুটপাট, তেল সংকট, খাম্বা সিন্ডিকেটসহ ওই সময়কার প্রকাশিত নানা ঘটনার চিত্র তুল ধরেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমার মনে হয় বিরোধী দলের গোল্ডফিশ মেমোরি। সবকিছু তারা ভুলে গেছেন। কীভাবে সরকার চালিয়েছিলেন এবং এখন তারা কোথায় আছেন।

বিরোধী দলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তারা উট-পাখির মতো মাথা বালুর নিচে দিয়ে রাখতে চান। বিশ্বে কী ঘটনা ঘটছে কিছুই তাদের আসে যায় না। সংসদ সদস্যের কাছে একটু গঠনমূলক পরামর্শ আশা করছিলাম। কিছুই আসলো না। ওই একই ভাঙা রেকর্ড- ক্যাপটিভ পাওয়ার, রেন্টাল পাওয়ার, ক্যাপাসিটি চার্জ। এরম ধ্যেই তারা ঘুরপাক খাচ্ছে। এর থেকে বের হতে পারছেন না।

প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো প্রসঙ্গে বলেন, একটি সংস্থা সারা বাংলাদেশের জ্বালানি ইমপোর্ট করে নিয়ে আসে। সরবরাহ করে। ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে হঠাৎ করে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ যখন শুরু হলো, ১৭০ ডলার হয়েছিল জ্বালানি তেলের দাম। সংসদ সদস্য বলেছেন, সেই সময় কেন দাম বাড়ানো হলো না? সেই সময় যদি আমরা দাম বাড়াতাম তাহলে পার লিটার ৬০ টাকা করে বাড়াতে হতো। আমরা অপেক্ষায় ছিলাম দামটা একটু কমুক। তখন অ্যাডজাস্টমেন্টে যাব। দাম আস্তে আস্তে কমে ১৩৯ ডলার যখন হয়েছে, ভারতের থেকে তখনও আমাদের ৪০ টাকা লিটারপ্রতি পার্থক্য ছিল। যার কারণে আশঙ্কা ছিল ভারতে তেল পাচার হয়ে যাওয়ার। সেই কারণে আমাদের একটি ব্যবস্থা নিতে হয়েছে। বৈশ্বিক অবস্থা, তেলের ঘাটতি, ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম এবং পাচার হওয়ার ঘটনা অনেক কিছু মিলিয়ে এই দাম আমাদের সমন্বয় করতে হয়েছে। আমরা তো দাম বৃদ্ধি করিনি। আমরা সমন্বয় করেছি। আমরা জানি সকলেই কষ্টে আছেন। আমরা এটা বারবার বলেও আসছি সারা পৃথিবীর মানুষ কষ্টে আছে। উদাহরণ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2019 LatestNews
Design & Developed BY ithostseba.com