Close Menu
Jubokantho24
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
Facebook X (Twitter) Instagram Threads
Facebook X (Twitter) Instagram
Jubokantho24
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
Jubokantho24
Home»আন্তর্জাতিক»মাদক নির্মূলে আফগানিস্তানের সাফল্য নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা
আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক :By নিউজ ডেস্ক :

মাদক নির্মূলে আফগানিস্তানের সাফল্য নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা

নিউজ ডেস্ক :By নিউজ ডেস্ক :মে ১১, ২০২৬No Comments2 Mins Read
Share
Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

ইমারাতে ইসলামিয়া পুনরায় ক্ষমতায় ফেরার পর থেকেই মাদকবিরোধী অভিযান আফগানিস্তানের সবচেয়ে জটিল ইস্যুগুলোর একটি হিসেবে সামনে আসে। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই এ খাতে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়। দেশটির নেতৃত্ব মাদকদ্রব্যের চাষ, উৎপাদন ও বাণিজ্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে কোনো ধরনের শিথিলতা ছাড়াই কঠোরভাবে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়।

সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরপরই দেশজুড়ে ব্যাপক অভিযান শুরু হয়। অভিযানের আওতায় মাদক চাষের জমি ধ্বংস করা হয়, উৎপাদনকেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং দীর্ঘদিন ধরে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক উদ্বেগের কারণ হয়ে থাকা এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

মার্কিন দখলদারিত্বের ২০ বছরে আফগানিস্তান নজিরবিহীনভাবে মাদকের সংকটে ডুবে যায়। এ সময়ে আফিম ও অন্যান্য মাদক উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত পপি চাষ দেশের বিভিন্ন প্রদেশে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। তখন আমেরিকা ও তাদের পশ্চিমা মিত্রদের চোখের সামনে এবং তাদের সমর্থনে আফগানিস্তান বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মাদক উৎপাদনকেন্দ্রে পরিণত হয়।

একই সময়ে দেশটিতে ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়ে মাদকাসক্তি। যার সংখ্যা ৩০ লাখেরও বেশি ছাড়িয়ে যায়। এদের মধ্যে বিপুলসংখ্যক নারী ও শিশুও ছিল। এর ফলে আফগান সমাজে ভয়াবহ সামাজিক ও মানবিক সংকট তৈরি হয়।

আফগানিস্তানের মাদকবিরোধী অভিযানের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো, অন্য অনেক দেশের তুলনায় খুব দ্রুত ফল পাওয়া গেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মাদকবিরোধী অভিযানে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেও কার্যকরভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। তবে পর্যবেক্ষকদের মতে, আফগানিস্তানের সাফল্যের পেছনে ছিল তালেবান সরকারের দৃঢ় অবস্থান। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থান এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়।

গত কয়েক বছরে দেশটিতে মাদকদ্রব্যের চাষ ও উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে। এ কারণে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানও স্বীকার করেছে যে, আফগানিস্তানে এ প্রবণতা নজিরবিহীনভাবে হ্রাস পেয়েছে।

মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে হাজার হাজার কারখানা ও উৎপাদনকেন্দ্র ধ্বংস করা হয়েছে। পপি ও সংশ্লিষ্ট উদ্ভিদের চাষে ব্যবহৃত বিশাল এলাকা ধ্বংস করা হয়েছে। পাশাপাশি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বিপুলসংখ্যক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

পর্যবেক্ষকদের মতে, যেসব দেশ মাদকের বিস্তারে ভুগছে, তাদের জন্য আফগানিস্তানের অভিজ্ঞতা একটি কার্যকর মডেল হতে পারে। বিশেষ করে যেখানে কঠোর আইন, দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোর কার্যকর সমন্বয় রয়েছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও আফগানিস্তানের এ অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান বাড়ছে। বিশেষ করে সেসব দেশে, যেখানে মাদক সমাজ, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকিতে পরিণত হয়েছে।

Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
নিউজ ডেস্ক :

Related Posts

ইরান থেকে সস্তায় তেল-গ্যাস কেনার পরিকল্পনা পাকিস্তানের

জুন ২৮, ২০২৬

পাকিস্তানে সেনাঘাঁটিতে হামলা, চার সেনাসহ নিহত ১০

জুন ২৮, ২০২৬

আগামী ৩০ দিন ইরানের একক নিয়ন্ত্রণে থাকবে হরমুজ প্রণালি’

জুন ২৮, ২০২৬
Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ইসলাম
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
© ২০২৬ Jubokantho24. Designed by Naim.

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.